ফেসবুকের ৭ প্রতারক

আগের সংবাদ

তৃণমূলের নেতাকর্মীরা আ’লীগের প্রাণ: তোফায়েল আহমেদ

পরের সংবাদ

‘মোবাইল আর্থিক সেবার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত বাংলাদেশ’

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশিত হয়েছে: ডিসেম্বর ১, ২০১৯ , ৩:০২ অপরাহ্ণ

দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে সবচেয়ে প্রয়োজনীয় সেবা হলো মোবাইল আর্থিক সেবা। বাংলাদেশ এবং ভারতের মতো উন্নয়নশীল দেশে ব্যাংকিং সেবার বাইরের জনগণকে ব্যাংকিং সেবা দিতে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছে এসব মোবাইল আর্থিক সেবা। বাংলাদেশ সরকারের যথাযথ নীতিমালার মাধ্যমে পরিচালিত এই সেবাগুলো বাংলাদেশের ৫৫ শতাংশ মানুষকে আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে সহায়তা করেছে।

বাংলাদেশে বিকাশ, রকেট, নগদ এবং ভারতে পেটিএম এর মতো কোম্পানিগুলো এই অঞ্চলে অসাধারণ সফলতা অর্জন করেছে, কারণ তারা দশকের পর দশক ধরে চলমান সমস্যার সমাধান করেছে এবং মোবাইল সেবা তৈরি করেছে, যা উন্নয়নশীল দেশগুলোতে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে আড়াই বিলিয়ন মানুষের কাছে পৌঁছাতে সক্ষম। আর্থিক সেবায় প্রযুক্তির ব্যবহার নতুন নয়, তবে এসব কোম্পানি দৃষ্টান্তমূলক পরিবর্তন আনতে পেরেছে। পেগাসাস টেক ভেঞ্চাসের জেনারেল পার্টনার এবং ইজেনারেশন গ্রুপের চেয়ারম্যান শামীম আহসান শুক্রবার ভারতের মুম্বাই এর দ্য ললিত হোটেলে অনুষ্ঠিত ইন্ডিয়া ফিনটেক ফোরামের বার্ষিক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।

তিনি ইন্ডিয়ান ফিনটেক ফোরামের আমন্ত্রণে এই আয়োজনের ‘কীভাবে আন্তর্জাতিক স্টার্টআপ ভারতের ফিনটেক ইকোসিস্টেমে প্রবেশ করতে পারে এবং ভারতের স্টার্টআপ কীভাবে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে যেতে পারে?’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন। এই আয়োজনের সার্বিক সহায়তায় ছিল ভারতের মহারাষ্ট্র সরকার এবং ন্যাশনাল পেমেন্ট কমিশন অব ইন্ডিয়া। ইকোনমিক টাইমসের সম্পাদক অমল ডেথের সঞ্চালনায় প্যানেল আলোচনায় অন্যান্যের মধ্যে ছিলেন ইনভেস্ট ইন ডেনমার্কের কান্ট্রি ম্যানেজার (ভারত ও সিঙ্গাপুর) শঙ্কর সুবরামানিয়াম, কুডসের

সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পবিত্র ওয়ালভেকার এবং ন্যাশনাল পেমেন্টস কর্পোরেশন অব ইন্ডিয়া (এনপিসিআই) এর পণ্য ও উদ্ভাবন বিভাগের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ভিশাল কানভাটি। শামীম আহসান প্রস্তাব করেন, বিমসটেক ও সার্কের মতো আঞ্চলিক সংগঠনগুলো আন্তর্জাতিক খাত বিশেষজ্ঞ এবং নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে নিয়ে ফিনটেক সল্যুউশন যুক্তকরণের মাধ্যমে ক্রস-বর্ডার পেমেন্টস ও ই-কমার্সকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে। হ ডটনেট ডেস্ক