দক্ষিণাঞ্চলে জোরদার হচ্ছে মাদকবিরোধী অভিযান

আগের সংবাদ

খানসামায় সৌরবিদ্যুতে আলোকিত হচ্ছে সড়ক

পরের সংবাদ

প্রকোপ কমলেও লাখ ছুঁই ছুঁই ডেঙ্গু

প্রকাশিত: নভেম্বর ২৯, ২০১৯ , ১২:৪১ অপরাহ্ণ আপডেট: নভেম্বর ২৯, ২০১৯ , ৪:১৪ অপরাহ্ণ

চলতি বছরের শুধু আগস্ট মাসেই দেশে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গিয়েছিল। সরকারি তথ্য মতে, ওই মাসে ১৯ বছরের চেয়ে বেশি রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। শুধু আক্রান্তের সংখ্যা নয়, এ রোগে মৃতের সংখ্যাও অতীতের রেকর্ড ছাড়িয়েছে চলতি বছর। বর্তমানে এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গুর প্রকোপ অনেকখানি কমে এলেও প্রতিদিনই বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমারজেন্সি অপারেশনস এন্ড কন্ট্রোল রুমের তথ্য অনুযায়ী, ২০০০ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত মোট ৫০ হাজার ১৪৮ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিয়েছে বলে সরকারের কাছে তথ্য রয়েছে। আর ২০১৯ সালের শুরু থেকে গতকাল ২৮ নভেম্বর বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সারাদেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন মোট ৯৯ হাজার ৯৪৮ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারিতে ৩৮, ফেব্রুয়ারিতে ১৮, মার্চে ১৭, এপ্রিলে ৫৮, মে মাসে ১৯৩, জুনে ১ হাজার ৮৮৪, জুলাইয়ে ১৬ হাজার ২৫৩, আগস্টে ৫২ হাজার ৬৩৬, সেপ্টেম্বরে ১৬ হাজার ৮৫৬ জন, অক্টোবরে ৮ হাজার ১৪৩ এবং নভেম্বরের ২৮ তারিখ পর্যন্ত ৩ হাজার ৮৫২ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যার দিক দিয়েও চলতি বছর অতীতের রেকর্ড ছাড়িয়েছে। বাংলাদেশে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব প্রথম ধরা পড়ে ২০০০ সালে। সরকারি হিসাবে ওই বছর সারাদেশে পাঁচ হাজার ৫৫১ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয় এবং মারা যায় ৯৩ জন। চলতি বছরের আগে ওই বছরই মৃতের সংখ্যা ছিল সবচেয়ে বেশি। আর চলতি বছর সরকারি হিসাব অনুযায়ী ১২১ জন ডেঙ্গুতে মারা গেছে। এর মধ্যে এপ্রিলে ২, জুনে ৬, জুলাইয়ে ৩৫, আগস্টে ৭১ এবং সেপ্টেম্বরে ৭ জন মারা গেছে।

কন্ট্রোল রুমের সহকারী পরিচালক ডা. আয়েশা আক্তার ভোরের কাগজকে বলেন, শুধু আক্রান্তের সংখ্যা নয়, এ রোগে মৃতের সংখ্যায়ও অতীতের রেকর্ড ছাড়িয়েছে চলতি বছর। চলতি বছরের এখনো এক মাস বাকি। তাই ডেঙ্গুতে আক্রান্তের সংখ্যা যে লাখ ছাড়িয়ে যাবে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে ঢাকায় এবং ঢাকার বাইরে আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমেই কমে এসেছে। সমন্বিত উদ্যোগে আমরা ডেঙ্গুর প্রকোপ কমাতে সক্ষম হয়েছি। আগামীতে যাতে ডেঙ্গুর ব্যাপকতা বাড়তে না পারে সে জন্য আমাদের সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত রাখতে হবে।

মন্তব্য করুন

খবরের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, ভোরের কাগজ লাইভ এর দায়ভার নেবে না।

জনপ্রিয়