মান্দার সেই ইটভাটাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

আগের সংবাদ

ক্যাসিনো সেলিমকে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ

পরের সংবাদ

পেঁয়াজের রাজনীতিতে আসায় বিএনপিকে ধন্যবাদ: তথ্যমন্ত্রী

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশিত হয়েছে: নভেম্বর ১৭, ২০১৯ , ৭:৪০ অপরাহ্ণ

তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপিকে ধন্যবাদ জানাই যে, তারা তাদের রাজনীতিকে খালেদা জিয়ার অসুস্থতা থেকে বের করে এনে পেঁয়াজের মধ্যে নিয়ে এসেছে। তবে পেঁয়াজের এই উচ্চমূল্য থাকবে না, কারণ বিদেশ থেকে বিমানে করে পেঁয়াজ আসছে, দেশে উৎপাদিত পেঁয়াজও বাজারে আসা শুরু হয়েছে। ফলে খুব সহসাই পেঁয়াজের দাম কমে যাবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

রবিবার (১৭ নভেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ৪৩তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ভাসানী ঐক্যজোট আয়োজিত এক স্মরণসভায় এসব কথা বলেন তিনি।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমি বিএনপিকে বলবো, আপনারা বেগম জিয়ার স্বাস্থ্য নিয়ে যে অপরাজনীতি সবসময় করে আসছেন, সেখান থেকে যে পেঁয়াজের মধ্যে আশ্রয় নিয়েছেন, এটি ভালো। আমি অনুরোধ জানাবো, আপনারা অবশ্যই সরকারের সমালোচনা করুন। সরকার কোথায় ব্যর্থ হচ্ছে, সেটি তুলে ধরুন। কিন্তু সরকার যে আজকে নানাক্ষেত্রে প্রচন্ডভাবে সফল এটি বিশ্ব নেতারা বলছে, বিশ্বব্যাংক বলছে, অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা বলছে, সেটিই আপনারা দয়া করে বলবেন, তাহলেই সেটি দায়িত্বশীল বিরোধী দলের কাজ হবে বলে মন্তব্য করেন মন্ত্রী।

এছাড়া পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধি খতিয়ে দেখার জন্য সরকারের মনিটরিং ব্যবস্থার কথা জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, কারা এই পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধির সাথে যুক্ত, সেটা বের করার জন্য গোয়েন্দারা মাঠে নেমেছে। যারা এই পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধি ঘটিয়েছে, যারা দায়ী হবে, দায়ী হিসেবে যাদেরকে চিহ্নিত করা হবে, তাদের বিরুদ্ধে সরকার অবশ্যই ব্যবস্থা নেবে। মানুষকে জিম্মি করে এইভাবে ভোগ্যপণ্যের দাম বাড়ানো কোনোভাবেই ব্যবসার নীতি হতে পারে না। সরকার টিসিবির মাধ্যমে বিভিন্ন জায়গায় ন্যায্যমূল্যে পেঁয়াজ বিক্রি করছে। খুব সহসাই স্বাভাবিক পর্যায়ে চলে আসবে।

এছাড়াও মজলুম জননেতা মাওলানা ভাসানীর বিদেহী আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, তিনি কখনো ক্ষমতার জন্য রাজনীতি করেননি। তিনি রাজনীতিকে একটি ব্রত হিসেবে নিয়েছিলেন। তিনি যদি ক্ষমতার জন্য রাজনীতি করতেন, তাহলে পূর্ব পাকিস্তানের মূখ্যমন্ত্রী এবং পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় মন্ত্রীও হতে পারতেন। তার হাত ধরেই আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীকে সভাপতি, শামসুল হককে সাধারণ সম্পাদক এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক করে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ গঠিত হয়েছে। পরে ১৯৫০ সালে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীকে সভাপতি করে নিখিল পাকিস্তান আওয়ামী লীগ গঠিত হয়। অর্থাৎ এই আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বেই।

মন্ত্রী বলেন, মাওলানা ভাসানী বলতেন, শেখ মুজিবের যে সাংগঠনিক দক্ষতা, সেটি আর কারো মধ্যে নেই। বঙ্গবন্ধু মুজিব যতদিন বেঁচে ছিলেন, মাওলানা ভাসানীকে অত্যন্ত শ্রদ্ধা করতেন এবং তার দেখভালও করতেন তিনি।