দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ চালকের সিগন্যাল অমান্যতা

আগের সংবাদ

পাকিস্তানের জাদুঘরে ঠাঁই নিলেন অভিনন্দন বর্তমান

পরের সংবাদ

ইউরোপের পর যুক্তরাজ্যে বৈধতা পেল গাঁজার ওষুধ

কাগজ ডেস্ক :

প্রকাশিত হয়েছে: নভেম্বর ১২, ২০১৯ , ১:২৬ অপরাহ্ণ

এপিলেপ্সি বা মৃগী এবং মাল্টিপল স্কেলেরোসিসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার জন্য গাঁজার তৈরি দুটি ওষুধ ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস বিভাগ (এনএইচএস)। দেশটির ওষুধের মান যাচাইকারী সংস্থা এনআইসিইর নতুন নীতিমালা অনুসরণ করে এই ওষুধ তৈরি করা হয়। দেশটির বিভিন্ন দাতব্য সংস্থা গাঁজা দিয়ে ওষুধ তৈরির এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে। তবে গাঁজা বৈধতার পক্ষের আন্দোলন-কারীরা বলছেন, এই ওষুধ পাওয়ার জন্য এখনও লড়াই করতে হচ্ছে, যথেষ্ট পরিমাণে ওষুধ পাওয়া যাচ্ছে না। খবর বিবিসি।

দুটি ওষুধই যুক্তরাজ্যে তৈরি করা হয়েছে। এমনকি এই ওষুধের উপাদানে ব্যবহৃত গাঁজাও যুক্তরাজ্যের। চিকিৎসকরা দু’ধরনের গুরুতর মৃগী রোগী, যাদের লিনক্স গ্যাস্টট এবং ড্রাভেট সিন্ড্রোমসহ বিভিন্ন ধরনের খিঁচুনি দেখা দিতে পারে এমন শিশুদের জন্য এপিডায়োলেক্স নামের ওষুধটি প্রেসক্রাইব করতে পারবেন। গাঁজা দিয়ে তৈরি এ ওষুধের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে কিছু সমাধানও দেখা গেছে। এতে বলা হয়, নতুন ওষুধের মধ্যে ক্যানাবিডিওল (সিবিডি) রয়েছে, যা শিশুর খিঁচুনির মাত্রা ৪০ শতাংশ পর্যন্ত কমাতে সক্ষম হবে।

গত সেপ্টেম্বরে এপিডায়োলেক্স ইউরোপে ব্যবহারের জন্য অনুমোদন পায়। প্রত্যেক বছর একজন রোগীর জন্য এই ওষুধ ব্যবহারে খরচ পড়বে ৫ হাজার থেকে ১০ হাজার ইউরো। তবে ওষুধ দুটির প্রস্তুতকারক কোম্পানি জিডব্লিউ ফার্মাসিউটিক্যালস এই ওষুধের দাম কমাতে রাজি হয়েছে।

ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিসের তথ্য বলছে, যুক্তরাজ্যে অন্তত ৩ হাজার মানুষ ড্রাভেট সিন্ড্রোম এবং পাঁচ হাজার মানুষ লিনক্স গ্যাস্টট সিন্ড্রোমে ভুগছেন। নতুন ওষুধ দুটিতে গাঁজার মূল সাইকোঅ্যাক্টিভ উপাদানের উপস্থিতি নেই বলে জানান তারা। প্রাথমিকভাবে শুধু যুক্তরাজ্যে এই ওষুধ সরবরাহের সিদ্ধান্ত নেয়া হলেও এনআইসিই ওয়েলস এবং উত্তর আয়ারল্যান্ডেও তার সহজলভ্যতা নিশ্চিত করা উচিত বলে পরামর্শ দিয়েছে এনএইচএস। আগামী বছর থেকে স্কটল্যান্ডেও পাওয়া যাবে এই ওষুধ।