মোদির কাশ্মির ‘প্রেসক্রিপশনে’ শশী থারুরের কটাক্ষ

আগের সংবাদ

বেতাগীতে বুলবুল আতংকে নদীপাড়ের মানুষ

পরের সংবাদ

ঘর-সম্পদ রেখে আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে অনীহা

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশিত হয়েছে: November 9, 2019 , 7:39 pm

ধেয়ে আসা প্রবলমাত্রার ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ এর কারণে উপকূলে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত জারির পর উপকূলবাসীকে আশ্রয় কেন্দ্রে যাওয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। ঘরবাড়ি তালাবদ্ধ রেখে জানপ্রাণ রক্ষায় বেশিরভাগ বাসিন্দাই আশ্রয় কেন্দ্রে ছুটেছেন। তবে অনেকেই প্রশাসনের তাগাদা সত্ত্বেও আশ্রয় কেন্দ্রে আসছে না। অনীহা দেখাচ্ছে।

উপকূলীয় বাসিন্দাদের অনেকেই ঘরবাড়ি, সহায় সম্পদ উন্মুক্ত রেখে সাইক্লোন সেন্টারে যেতে চান না। তবে প্রশাসন থেকে তাদের মালামাল আর ঘরবাড়ির নিরাপত্তার কথা বলা হলেও তেমন কাজ হচ্ছে না। এমন পরিস্থিতিতে প্রাণ রক্ষার তাগিদে লোকজনকে জোর করে আশ্রয় কেন্দ্রে নেয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

বিশেষ করে বাগেরহাট ও বরগুনার উপকূলীয় অঞ্চলের বাসিন্দাদের শনিবার (৯ নভেম্বর) দুপুর পর্যন্ত সাইক্লোন সেন্টারে যেতে দেখা যায়নি। তবে প্রশাসনের চেষ্টায় বিকেল থেকে আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়া শুরু করেন। জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন, সিপিপি, রেডক্রিসেন্টসহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে আসার জন্য প্রচারণার পাশাপাশি চেষ্টা চালায়।

সন্ধ্যার আগেই ঘরবাড়ি তালাবদ্ধ করে পরিবার পরিজন ও গবাদি পশু নিয়ে উপকূলীয় বাসিন্দারা ছুটছেন আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে গিয়ে উঠেছেন। অনেকেই সিডরের সময়ের পরিস্থিতি স্মরণ করে বলছেন, সিডরের সময় আশ্রয়কেন্দ্রে না গিয়ে অনেকেই ভুল করেছিলেন। তখন প্রাণহানি অনেক বেশি হয়েছিল।