শেষ ষোলোতে ম্যানইউ

আগের সংবাদ

সাকিবের আবেগঘন স্ট্যাটাস

পরের সংবাদ

সিরিজে আকর্ষণ ফেরাল ইংল্যান্ড

প্রকাশিত হয়েছে: নভেম্বর ৮, ২০১৯ , ৯:৫০ অপরাহ্ণ | আপডেট: নভেম্বর ৮, ২০১৯, ১০:০৮ অপরাহ্ণ

কাগজ প্রতিবেদক

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের চতুর্থ ম্যাচে ৭৬ রানের বড় জয় পেয়েছে ইংল্যান্ড। প্রথমে ব্যাট করে ৩ উইকেট হারিয়ে ২৪১ রান সংগ্রহ করে ইংলিশরা। জবাবে ১৬ ওভার ৫ বলে ১৬৫ রানে গুটিয়ে যায় কিউইরা। এই জয়ের মাধ্যমে সিরিজে ২-২ সমতা এনেছে ইয়ন মরগানের দল। আর এতে করে সিরিজের আকর্ষণ বেড়ে গেছে। উভয় দলের কাছে পঞ্চম ম্যাচটি অঘোষিত ফাইনালে পরিণত হয়েছে। ৪ ম্যাচ সিরিজের প্রথম ম্যাচে জয় পেয়েছিল ইংলিশরা। কিন্তু এরপর টানা ২ ম্যাচ জিতে সিরিজে এগিয়ে যায় ব্ল্যাকক্যাপসরা। আগামী ১০ নভেম্বর সিরিজের পঞ্চম ও শেষ ম্যাচে অকল্যান্ডে সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে লড়বে দুদল।
শুক্রবার ম্যাচটিতে টসে জিতে ইংল্যান্ডকে ব্যাটিংয়ে পাঠান কিউই অধিনায়ক টিম সাউদি। ব্যাটিংয়ে নেমেই দলীয় ১৬ রানের মাথায় জনি বেয়ারেস্টোর উইকেট খোয়ায় ইংল্যান্ড। তবে সেই চাপ সামলে ওঠার পাশাপাশি অধিনায়ক ইয়ন মরগান ও ওয়ান ডাউনে নামা ডেভিড মালানের পার্টনারশিপে বিধ্বংসী হয়ে উঠে ইংলিশরা। মাত্র ৪৮ বলে নিজের সেঞ্চুরি তুলে নেন মালান। অন্যদিকে আউট হওয়ার আগে ৪১ বলে ৯১ রান করেন মরগান। এটি মরগানের টি-টোয়েন্টিতে ক্যারিয়ার সেরা রান। ম্যাচটির প্রথম ১০ ওভারে ৮৮ রান তোলে ইংলিশরা। আর শেষ ১০ ওভারে তোলে ১৫৩ রান। পুরো ২০ ওভার ব্যাটিং করে ৩ উইকেট হারিয়ে ২৪১ রান সংগ্রহ করতে সক্ষম হন তারা। ম্যাচটিতে বোলিংয়ে নিউজিল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ ২টি উইকেট তুলে নেন মিচেল সান্টনার।
টি-টোয়েন্টিতে ইংল্যান্ডের এটি সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ। তা ছাড়া মালানের সেঞ্চুরিটি ইংল্যান্ডের জন্য দ্রুতগতির সেঞ্চুরির রেকর্ড। ২০১৬ সালে মুম্বাইয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ২৩০ রান করেছিল মরগানের দল। শুক্রবার মরগান ও মালানের তৃতীয় উইকেটের পার্টনারশিপ থেকে আসে ১৮২ রান। এই পার্টনারশিপ গড়তে দুজনে মিলে খেলেন ৭৪ বল। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ইতিহাসে তৃতীয় উইকেটে এটি সর্বোচ্চ রানের জুটি। এ ছাড়া সব ধরনের ক্রিকেটে এটি চতুর্থ সর্বোচ্চ পার্টনারশিপের রেকর্ড।
ইংল্যান্ডের পাহাড় সমান রানের জবাব দিতে নেমে ভালোই শুরু করেন ২ কিউই ওপেনার মার্টিন গাপটিল ও কলিন মুনরো। ৪ ওভার ২ বল থেকে দুজন মিলে তুলে ফেলেন ৫৩ রান। তবে এই রান করার পর ব্যক্তিগত ২৭ রানে আউট হন গাপটিল। কিন্তু গাপটিল আউট হওয়ার পরই খড়গ নেমে আসে নিউজিল্যান্ডের ব্যাটিংয়ে। গাপটিল আউট হওয়ার দলীয় রানের খাতায় আর ৩৫ রান যোগ করতেই ৮৯ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে বসে তারা। দ্রুত উইকেট হারিয়ে আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি কিউইরা। ১৬ ওভার ৫ বল খেলে ১৬৫ রানে থামতে হয় তাদের। নিউজিল্যান্ডের হয়ে ৩৯ রান আসে টিম সাউদির ব্যাট থেকে। আর বোলিংয়ে ইংল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ ৪টি উইকেট তুলে নেন ম্যাট পারকিনসন।

  • আরও পড়ুন
  • লেখকের অন্যান্য লেখা