ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষয়ক্ষতি ঠেকাতে উপকূলজুড়ে প্রস্তুতি

আগের সংবাদ

বাসচাপায় অটোরিকশার ৭ যাত্রী নিহত, বিক্ষোভ

পরের সংবাদ

ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলা

ভোলায় ৮ কন্ট্রোল রুম, ১৩ হাজার স্বেচ্ছাসেবী প্রস্তুত

প্রকাশিত হয়েছে: নভেম্বর ৮, ২০১৯ , ৪:৫৪ অপরাহ্ণ | আপডেট: নভেম্বর ৮, ২০১৯, ৫:১০ অপরাহ্ণ

Avatar

ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ মোকাবেলায় ভোলায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছে জেলা প্রশাসন। ইতোমধ্যে জেলায় ৬৬৮টি আশ্রয় কেন্দ্র খুলে দেয়া হয়েছে। গঠন করা হয়েছে ৯২টি মেডিকেল টিম। এছাড়াও জেলা সদরসহ সাত উপজেলায় খোলা হয়েছে ৮টি কন্ট্রোল রুম। উপকূলবাসীকে সতর্ক করতে প্রচারণা চালাচ্ছে রেড ক্রিসেন্ট ও সিপিপি।

শুক্রবার (৮ নভেম্বর) জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে ঘূর্ণিঝড়ের বিষয়ে জরুরি সভা ডাকা হয়। এতে ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি কমাতে ব্যাপক প্রস্তুতির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। জেলা প্রশাসক মাসুদ আলম ছিদ্দিক জানান, প্রস্তুত রাখা হয়েছে ১৩ হাজার স্বেচ্ছাসেবীকে। সব আশ্রয় কেন্দ্র খুলে দেয়া হয়েছে। এছাড়া ত্রাণও মজুদ রাখা হয়েছে।

ভোলা সিপিপির উপ-পরিচালক মো.সাহাবুদ্দিন জানান, ঘূর্ণিঝড়ের বিষয়ে মানুষকে জানাতে সিপিপি ও রেডক্রিসেন্ট কর্মীরা প্রচার-প্রচারণা শুরু করে দিয়েছেন। সিপিপির ১০ হাজার ২০০ স্বেচ্ছাসেবী প্রস্তুত রয়েছে।

এদিকে, ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে ভোলায় সকাল থেকে জেলায় গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। কোথায় কোথায় আবার ভারী বর্ষণ হয়েছে। পুরো জেলা মেঘাচ্ছন্ন। নদী এবং সাগর উত্তাল হয়ে উঠেছে। অনেক জেলে তীরে চলে এসেছেন।

বিষয়: