ছুটির সকালে শিশুদের পদচারণায় মুখর লিট ফেস্ট

আগের সংবাদ

ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী বাবা-ছেলে নিহত

পরের সংবাদ

প্রতিটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কারাতে প্রশিক্ষক থাকবেন

প্রকাশিত হয়েছে: নভেম্বর ৮, ২০১৯ , ৫:৫২ অপরাহ্ণ | আপডেট: নভেম্বর ৮, ২০১৯, ৫:৫২ অপরাহ্ণ

Avatar

ঢাকা-৯ আসনের সংসদ সদস্য এবং বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরী বলেছেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। যার বড় প্রমান পোশাক শিল্পে বাংলাদেশের দ্বিতীয় অবস্থান, খাদ্য, মাছ ও সবজি উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন ও আইটি খাতের বিপ্লব। এতো সব কিছুর পরেও বাংলাদেশকে সত্যিকার অর্থে সফলতার চূড়ায় নিয়ে যাবে আমাদের দেশের মানবসম্পদ। তাই রাজনৈতিক নেতাসহ সবার উচিত ভবিষ্যত প্রজন্মকে মানব সম্পদ হিসেবে গড়ে তোলা বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

শুক্রবার (৮ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর খিলগাঁওয়ে সবুজমতি ভবনে সালমা উশু একাডেমির উদ্যোগে বাংলাদেশ উশু নারী উন্নয়ন কমিটির আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় সালমা উশু একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা শারমিন সালতানা সালমার সভাপতিত্বে এতে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক এ এফ এম আবদুল্লাহ, উপ-প্রচার সম্পাদক মামুনুর রশিদ শুভ্র, বাংলাদেশ উশু একাডেমির সাধারন সম্পাদক মো. দুলাল হোসেনসহ ঢাকা-৯ আসনের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, থানা ও ওয়ার্ড পর্যায়ের আওয়ামীলীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, ভবিষ্যত প্রজন্মকে মানব সম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে হলে শ্রেণিকক্ষে পাঠ্যপুস্তকের সঙ্গে বাইরের পাঠদানগুলোতেও গুরুত্ব দিতে হবে। কারণ শুধু পাঠ্যপুস্তকের মাধ্যমে কারো সম্পূর্ণ বিকাশ ঘটে না। তাকে শারীরিক ও মানসিকভাবেও বিকশিত করে তুলতে হবে। আর এজন্য সবচেয়ে ভালো উপায় চাইনিজ মার্শাল আর্ট উশু। এটি যে শুধু আত্মরক্ষা ও মানসিক বিকাশে সহায়তা করবে তা নয়, এটি সবাইকে একজন ব্যক্তি হিসাবে গড়ে তুলতে সাহায্য করবে। সবাইকে শৃঙ্খলা দ্বারা পরিচালিত হতে শিখাবে। যেটি ছাড়া আমরা কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌছাতে পারবো না।

তিনি আরো বলেন, অতীতে আমরা এই নির্বাচনী এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে সংস্কৃতি চর্চার উপর জোড় দিয়ে এসেছি। এখন থেকে প্রত্যেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উশু প্রশিক্ষণের জন্য একজন করে প্রশিক্ষকের ব্যবস্থা করে দেয়া হবে। একই সঙ্গে সামনের প্রতি বিজয় ও স্বাধীনতা দিবসে আন্তঃস্কুল প্রতিযোগীতার আয়োজন করা হবে। সেখানে যারা ভালো করবে তাদের স্কলারশিপ দিয়ে চীনের সবচেয়ে নাম করা স্কুলগুলোতে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে। যাতে উশু প্রতিযোগীতায় ভবিষ্যতে বাংলাদেশ নেতৃত্ব দিতে পারে। আর বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দিবে এই এলাকার শিক্ষার্থীরা।

রাজনৈতিক নেতাদের উদ্দেশ্য করে সাবের হোসেন বলেন, প্রতিষ্ঠিত ধারা অনুযায়ী শুধু নিজ দল ও কর্মী নিয়ে আমরা রাজনীতি করি। কিন্তু উশুর মাধ্যমে আমাদের প্রত্যেক বাড়িতে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। মনে রাখতে হবে রাজনীতি শুধু সম্মান নেয়ার জন্য নয়। আমি সমাজকে কি দিলাম, ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য কি করলাম সেটি ভাববার বিষয়। সুতরাং সবার প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি নিজ নিজ অবস্থান থেকে উশুর মতো কার্যক্রম পরিচালনা করতে।