বর্ষীয়ান রাজনীতিক মঈন উদ্দীন খান বাদল আর নেই

আগের সংবাদ

কাল বিএনপির সমাবেশ

পরের সংবাদ

মণিপুরি নৃত্যে মুগ্ধ দর্শক

প্রকাশিত হয়েছে: নভেম্বর ৭, ২০১৯ , ১০:১৩ পূর্বাহ্ণ | আপডেট: নভেম্বর ৭, ২০১৯, ১০:১৩ পূর্বাহ্ণ

Avatar

মিলনায়তনের বাইরে কার্তিকের হালকা শীতের আমেজ। ভেতরে নৃত্যের ছন্দে দর্শকদের সিক্ত করছিল মঞ্চের শিল্পীরা। নৃত্যের ভঙ্গিতে যেন একেকটি গল্প উপস্থাপন করছিলেন শিল্পীরা। নৃত্যের মুদ্রা আর অভিব্যক্তিও মুগ্ধতা ছুঁয়ে দিল দর্শকদের। মণিপুরি সাজে শিল্পীদের এমন অনন্য পরিবেশনার আনন্দধারায় যেন ধুয়ে যাচ্ছিল দর্শক-শ্রোতার হৃদয়ের গহিন। ভিন্ন ভিন্ন দলের ভিন্ন ভিন্ন শৈল্পিক নৃত্য ঘণ্টাব্যাপী মুগ্ধ করে রাখে শিল্পানুরাগীদের।
গঙ্গা ও যমুনার শ্রোতধারার মতো বহমান দুই বাংলার সংস্কৃতি। বৈচিত্র্যময় এ সংস্কৃতির নানা উপাদান আরেকবার জনসম্মুখে উপস্থাপন এবং ভারত ও বাংলাদেশের অভিন্ন সংস্কৃতির অভিজ্ঞতা বিনিময় ও মৈত্রীর বন্ধন দৃঢ়তার লক্ষ্যে গতকাল বুধবার সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘ঢাকাবাসী মণিপুরি’ এমন ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক সন্ধ্যাটির আয়োজন করে। এর আগে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। আগারগাঁওয়ের মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর মিলনায়তনে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী আবদুল মান্নান।
ঢাকাবাসী মণিপুরির সভাপতি কংখাম নীলমনি সিংহের সভাপতিত্বে আয়োজিত এ সন্ধ্যায় বিশেষ অতিথি ছিলেন ভারতের জওহরলাল নেহরু মণিপুরি ডান্স একাডেমির ভাইস চেয়ারম্যান এইচ তম্বি সিংহ, সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সুরচন্দ্র সিনহা, এডিশনাল সেক্রেটারি শশীকুমার সিংহ, ল্যাবএইড হাসপাতালের কনসালট্যান্ট ডা. অরুণ কুমার শর্মা, সাধনার পরিচালক নৃত্যশিল্পী লুবনা মরিয়ম।
বক্তারা বলেন, কেবল সংস্কৃতিই পারে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ককে স্থায়ী ভিত্তি দিতে। সাংস্কৃতিক বন্ধন দৃঢ় করাই প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত দুদেশের। কাঁটাতারের বেড়া দুদেশকে বিভক্ত করলেও সাংস্কৃতিক বাঁধন ছিন্ন করতে পারেনি দুদেশের একই ধারার সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান। বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরো দৃঢ় করতে পারে উভয় দেশের সাংস্কৃতিক বিনিময়।
অনুষ্ঠানে জওহরলাল মণিপুর একাডেমি, নৃত্য একাডেমি, ওয়ার্ল্ড থাং-তা ফেডারেশন, মণিপুরি লোকশিল্পী ডোনা এবং লানসানা চনু শিল্পীরা তাদের মনোজ্ঞ পরিবেশনা করেন।