সাময়িকী

প্রকাশনাশিল্প ও মুদ্রণশৈলীর দলিল

আগের সংবাদ

জীবনের সাথে সাধনার অবিচ্ছেদ্য রূপকার

পরের সংবাদ

দোহারের ছদ্মবেশ

প্রকাশিত হয়েছে: নভেম্বর ৭, ২০১৯ , ৭:৪২ অপরাহ্ণ | আপডেট: নভেম্বর ৭, ২০১৯, ৭:৪৩ অপরাহ্ণ

কাগজ প্রতিবেদক

এতে ভিড় পাতলা হয়। এই সকালবেলা, দিনের কাজ এখনও অনেকের শুরুই হয়নি, যদিও এখন মাঠে কারও কাজ নেই। কেউ কেউ উঁচু জায়গায় গাছ লাগিয়ে। কারও বাগান পরিষ্কার করা হয়ে গেছে। শীত আসতে আরও মাস তিনেকে বাকি থাকলেও, ভাদ্রের পর পর বৃষ্টি কমে আসায় ধানে খেতের পরিবর্তে ভিটার কাজ বেড়েছে। সে কাজে যাওয়ার আগে পান্তা ভাবে।

পর্ব: ১০

তাতে এদিকের কৃপাসিন্ধু শ্রীধর আর গুণধর ছুটে এসেছে। কেষ্ট মল্লিক এ সময়ে হরিসভায় থাকে, রাধামাধব প্রভাতী গান শুনিয়ে ঘুম থেকে তুলতে গেছে। পার্বতীর ডাকে উঠানে দাঁড়ানো শ্রীধর আসার আগে রণজয় এসেছে। কৃপাসিন্ধুর সঙ্গে উঠানের অন্য কোনায় দাঁড়ানো ছিল তাদের ছেলে সুমন। এরা শ্রীধরের পিছন আসে। আর গুণধর এসেই শ্রীধরের কাছে জানতে চায়, ‘খুড়ার কী হইচে, ওদা?’
রসিক একইভাবে শুইয়ে আছে। নাড়ি পরীক্ষা করে রণজয়। তার মুখ উদ্বেগ। রসিকের হাতে ছেড়ে দিলে তার মুখের উদ্বেগ খানিকটা কাটে। নাড়ির চাপ ঠিকই আছে। তবে বুকটা এখন উঠছে নামছে। মুখ থেকে একটু গ্যাঁগলা বেরুচ্ছে নাকি। রসিকের ঘাড়ের ঘারের কাছের গামছা দিয়ে মুখটা মুছিয়ে দিতে পার্বতী রচনা আর অপর্ণার দিকে চেয়ে সে জল আনতে বলে। তারা দুজন দোকানের পাশ দিয়ে পিছনের একচালায় যায়। মাটির ডোয়ার ভিতরে ঢুকতেই তারা বুঝতে পারে, একটু আগে এ ঘরের কোনো জিনিস ওলটপালট করা হয়েছে। কিন্তু এত সকালে খুদিদি এসব করলেও-বা গেছে কোথায়? ঘরের একপাশে একটা কলম। তারপরই আরও নিচু রান্নার একচালা। প্রায় তিনপাশই ফাঁকা। সেখানে এক কোনায় রাখা একটা গেলাসে করে কলস থেকে জল ঢেলে এনে অপর্ণা পার্বতীর হাতে দেয়। পার্বতী জল হাতে নিয়ে রণজয়ের কাছে জানতে চায়, ‘ওকা, মুখে দেব?’ রণজয় কিছু না-বলে পার্বতীর হাত থেকে গেলসাটা নিয়ে রসিকের মুখে জলের ছিটা দেয়। তারপর গেলাস কাৎ করে রসিকের মুখের কাছে ধরে। দেখে মনে হলো রসিক জল খেল একটু।
এদিকে তাতে রণজয় একটু দুশ্চিন্তামুক্ত। দোকানের বাইরে অপেক্ষমাণ সবার দিকে তাকায়। সেখান থেকে অমল বলে, ‘রণজয়রে, ডাক দেও না কেন?’
রণজয় ডাকে, ‘ও খুড়া, এহোন কীরাম ঠেকো?’
রসিক চোখ তুলে তাকায়। এ সময় মাথার কাছ থেকে পার্বতী চুলে বিলি কাটতে কাটতে জানতে চায়, ‘ও ভাই, ইইচে কী?’
রসিক অস্ফুট বলে, ‘চইলে গেইচে!’
চলে গেছে? কে চলে গেছে? রসিক তো একজনেরই চলে যাওয়ার কথা বলতে পারে। কে চলে গেছে সে কথা তাকে কোনোভাবেই ভাঙিয়ে বলার দরকার পড়বে না তার। যদিও এখন এ কথা শোনামাত্রই পার্বতীর কত কিছুদিন ধরে আনমনা, সব সময়ে সরু গাল ফুলিয়ে অভিমানী খুদির মুখ খানা মনে পড়ে। হয়তো পার্বতীই এ বাড়িতে একমাত্র মানুষ যে খুদিকে ওই সময়ে জিজ্ঞাসা করেছিল, রসিকের সঙ্গে তার কোনো কারণে মন কষাকষি হয়েছে কিনা? সে কথা তো কেউ জানে না। তার দ্বিতীয় পক্ষের শাশুড়ি সাবিত্রীকে অবশ্য এ নিয়ে কথা বলছে শুনেছে শ্রীধরের বউ ছবির সঙ্গে। যদিও সেসব একটু ভিন্ন কথার মাঝখানে। কিন্তু গত কিছুদিন ধরে খুদি যে প্রায় অন্য মানুষে পরিণত হয়েছে, তা তারা হয়তো সেভাবে বোঝেনি। এমনকি পার্বতীও যে পুরোপুরি বুঝেছে, তাও না। কিন্তু এটা বুঝেছে, এই দুইজন মানুষের ভিতরে কিছু একটা হয়েছে।
পার্বতী তো এখন সে কথা বলবে না। বরং, আশেপাশে সবাই এখন যা বলবে, তাই বরং শুনুক খানিকক্ষণ। ফলে রসিকের ওই অস্ফুট চলে গেছে বলার পরই, যে যার যার মতো সম্পর্কের জায়গা থেকে আলোচনা করে।
রসিক চোখ খোলার পর উঠে বসেনি। একইভাবে শুয়ে আছে। রাতুল তার মাথার কাছে, একপাশে আছে কৃপাসিন্ধু। পার্বতী দোকানের ছোট দরজাটার সামনে নিচে দাঁড়ানো। রণজয় বেরিয়ে দোকানের সামনের রাস্তায় এসেছে। সেখানে আসার সঙ্গে সঙ্গে অমল জানতে চায়, ‘ও ব্যাডা, বোজলা কী?’
‘মনে হয়, শরীর খারাপ হইচে-’
এ কথার প্রায় সঙ্গে সঙ্গে পরিতোষ কি কৃপাসিন্ধু কি অমলের ছোটভাই অচিন্ত্য- প্রত্যেকেই সেই ‘চলে গেছে’ কথাটা নিয়ে পড়ে। চলে গেছে যদি হয়, তাহলে খুদি মাসি গেছে কোথায়? এমন তো মাঝেমধ্যে যায়। সে যে মাটিভাঙা যায় তাও তো তাদের জানা আছে। কিন্তু এই এই খুদির চলে যাওয়টা, আর তাতে রসিকের বেহুঁশ হওয়া- এই ঘটনা নিয়ে তারা আলাপ করে। কেন, কোথায় হঠাৎ চলে গেল খুদি?
কিন্তু এই মুহূর্তে রসিকের শরীরের যে অবস্থা, এখন ওই শোয়া থেকে তুলে তো জিজ্ঞাসা করা যায় না খুদি কোথায় গেছে? সে কথা বলতে বলতে লোকটা যদি আবার বেহুঁশ হয়! এখন এই সক্কালবেলা ডাক্তার-বৈদ্যই-বা কোথায় পাওয়া যাবে। উপজেলায় কিংবা কাউন্সিলের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডাক্তার তো এখনও রোগী দেখতে বসেনি!
অমল কৃপাসিন্ধুর কাছে জানতে চায়, ‘ও কৃপা, জানো নাকি, কোথায় গেছে খুদিদি? মাটিভাঙা না ইন্ডিয়ায়?’
কৃপা ঠিক জানার লোক না। যদিও কৃপাকে এ কথা জিজ্ঞাস করার অর্থ একই সঙ্গে পার্বতীর দিকেও এই প্রশ্ন ছুড়ে দেওয়া। যদিও এরই ফাঁকে অমলের এ কথার জবাব দেয় গুণধর, ‘গেছে মনে কয় ওই দেশে। আর নয় এইভাবে লেটকা দিয়ে পড়ে খুড়ায়?’
‘তুই এট্টু মুখে লাগাম দিয়ে কথা কইস, গুণধর। গুরুজনে তোর কোনো মান্যগণ্য নেই। যা মুখে আসসে সেইয়ে যহোন ইচ্ছে কইয়ে যাইস?’
গুণধর চুপ করে। তবে পরিতোষ সেই জোয়ারের নৌকায় বাদাম দিয়েই যায়। বলে, ‘ওরে চুপ নয় করতে ক’লা, অমলদা, সেই জন্যে মানষির মুখ বন্ধ করবা কী দিয়ে।’
মানুষের মুখ? এ জায়গায় মানুষের মুখ আসছে কেন? অমল ভাবে। দুজন মানুষ এক সাথে ছিল, হয়তো তাদের ভিতরে কিছু ঘটেছে। তারপর চলে গেছে একজন। তাদের ভিতরে কোনো ঝগড়া বিবাদ হয়েছি কিনা, তাও তো তারা কেউ জানে না। হতে পারে অনেকদিন ধরেই এ নিয়ে দুজনের ভিতরে কথা চালাচালি হয়েছে, তারা কেউ তা জানে না। অবশ্য মাঝখানে কিছুদিন রসিক তাকে বলেছে, বলেছে আরও অনেকেই যে, সে ভারতে মেয়ে রত্নার কাছে যেতে চায়। আর, এ কথা শুনলেই বিগড়ে যেত খুদি। তার অবশ্য কারণ ছিল। রসিক বুড়ো হয়েছে, একলা একলা যেতে পারবে বলে মনে হয় না। কিন্তু আজ যদি খুদি নিজেই ইন্ডিয়ায় যাবে তাহলে রসিককে সঙ্গে নিয়ে গেলেই পারত। তা যখন যায়নি, নিশ্চয়ই ভিতরে অন্য কোনো কাহিনী আছে।
অমল এখন সে কথা বলে। ইতিমধ্যে দোকানের ভিতরে উঠে বসেছে কেষ্ট মল্লিক। তার চোখে জল। সে বারবার রসিকের বুক ডলছে আর বিলাপ করছে, ‘ও খুড়া, তোমার এ কী হলো? কাইলকে রাতেও দেখলাম ভালো মানুষ। আর এহোন এইভাবে চিৎ হইয়ে শুইয়ে রইঢো তুমি।’
কেউ কেউ কেষ্ট মল্লিককে বিলাপ করতে মানা করে। পরিতোষ দোকানের সামনে ও ভিতরে হুমড়ি খেয়ে থাকা সবাইকে সরে যেতে বলে, ‘এমনে মানুষটা বাতাস নিতি পারতিচে না, আর তোমরা সবাই ওবিলে হত্তে দিয়ে থাকলি লোকটা কী কইরে দোম নে? এমনিই আধমরা, আরও মইরে যাবে না!’
পরিতোষের এ কথায় ভিড় পাতলা হয়। প্রায় সবাই সরে আসে। দোকানের সামনে রাস্তার জটলা অবশ্যই একই থাকে। রসিকের কাছে একইভাবে বসে কেষ্ট বিলাপ করে। কিন্তু পরিতোষের আধমরা কথাটায় কেউ কেউ আপত্তি করে। তারা বলে, এখনও এই রসিকের মতন জোয়ান মানুষ আছে কয়জন। সে শুধু বয়েসে যা বুড়ো হয়েছে।
এসব কথা চালাচালিতে রসিকদের কানেও যেন শব্দ যায়। চোখ খোলে সে। মাথা ঘুরিয়ে বাইরে তাকায়। দেখে তার দোকানের সামনে রাস্তার ওপরে এই বাড়ির আর পাশে মণ্ডলবাড়ি কি ওদিকে হালদারবাড়ির আর খালের ওপারের ঘরামিবাড়ির অনেকেই দাঁড়িয়ে আছে। আছে ওপারের পাশের ঘরামির বাড়ির নিতাইও। যে এতদিন ধরে কালজ্বলে বিছনাপরতা ছিল। তার মতো অসুখের মানুষও তাকে দেখতে এসেছে! রসিক প্রতিটি মুখ স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছে। তাই হঠাৎই, বলা যায় না এমন ব্যথা আর বেদনায় যেভাবে শুয়ে পড়েছিল, সেভাবেই কেষ্টর ঘাড়ে একটা হাত দিয়ে উঠে বসে। কোলের কাছে পেঁচিয়ে যাওয়া গামছাটা টেনে নিয়ে সে মুখ মোছে। তারপর মুখে কেষ্টর হাসি এনে বলে, ‘কিছু হয় নাই, এমনি-’
এতে ভিড় পাতলা হয়। এই সকালবেলা, দিনের কাজ এখনও অনেকের শুরুই হয়নি, যদিও এখন মাঠে কারও কাজ নেই। কেউ কেউ উঁচু জায়গায় গাছ লাগিয়ে। কারও বাগান পরিষ্কার করা হয়ে গেছে। শীত আসতে আরও মাস তিনেকে বাকি থাকলেও, ভাদ্রের পর পর বৃষ্টি কমে আসায় ধানে খেতের পরিবর্তে ভিটার কাজ বেড়েছে। সে কাজে যাওয়ার আগে পান্তা ভাবে। যাদের চা খাওয়ার অভ্যাস হয়েছে, তারা কেউ চা খাবে। অমল সকালে দোকান খোলে না। ফলে অনেকের বাড়িতেও চা বানানো হয়। চা খাওয়ার কাজট এখনও সারেনি অনেকেই।
সবাই চলে গেলেও কেষ্ট মল্লিক থাকে। আরও থাকে অমল আর শ্রীধর। অমলের বাবা জগৎ মণ্ডল এসেছিল, চলে গেছে। বয়েসী মানুষ হয়তো ভেবেছে এখন রসিকের কাছে অনেকেই আছে, সে বরং একটু পরে আসবে।
দোকানের ভিতরে কেষ্ট মল্লিক। বাইরের বেঞ্চে বসা শ্রীধর ও অমল। এখন হয়তো আসল কথা বলা যায়। রসিক বলবে বলে সিদ্ধান্ত নেয়। চারদিকে তাকায়। তাকে একটু যেন অসহায়ও লাগে। হয়তো রসিক কিছুই বলবে না। যার যা বুঝে নেওয়ার এমনিতেই নেবে। কিন্তু রসিক তো জানে, সেভাবে বেশিক্ষণ চুপ করে সে বসে থাকতে পারবে না। তাকে কিছু বলতেই হবে।
যদিও শ্রীধর খুব নিচু গলায় জানতে চায়, ‘ওকা, হইচে কী?’
অমল শ্রীধরের মুখের দিকে তাকায়। শ্রীধর কেন এমন কথা জিজ্ঞাস করে। জানে তো কী ঘটেছে। নাকি ভিতরে আরও কথা আছে।
রসিক খুবই অসহায় চোখে শ্রীধরের দিকে তাকায়। এই ভাইপো তার কাছে এ কোন কথা জানতে চাইল? এই কথার উত্তর কি সে জানে? কী বলবে সে? রসিকের চোখ বেয়ে জল নামে। সে জলের এক ফোঁটা তার বুকে পড়ে। এমন জলের ফোঁটাকে তাদের বৈষ্ণবশাস্ত্রে মুক্তার সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। কৃষ্ণপ্রেমে বিভোর মহাপ্রভু শ্রীগৌরাঙ্গ যখন দুই বাহু উপরে তুলে রাধামাধবের নাম নিয়ে প্রেমে আত্মহারা, সে সময়ে তার গায়ের ঘামের ওই বিন্দু মুক্তা দানার মতো! কিন্তু এখন আরও দুফোঁটা জল চোখ থেকে এই যে রসিকের বুকে পড়ছে, এ তো বিষ! এই জলের দানা যতই মুক্তার মতো টলমল দেখতে লাগুক, এ নোনতা জলে জড়িয়ে আছে রসিকের এই দুঃখের জীবনের সমস্ত বিষাদ!
রসিক কথা বলে। গলার স্বর নামানো। সে আবারও জানায়, ‘চলে গেছে, ব্যাডা। চলে গেইচে-’
কে চলে গছে সবাই বুঝে গেছে। এমন তো যায়ই। কিন্তু তাতে এমন কেন করতে হবে? একেবারে গেছে? যেন তাই জানাতে, ‘থাক্, ও কা, তুমি কাইন্দে না দিন। কাইন্দে না, রাধামাধবের নাম নেও-’
তবু অমল জানতে চায়, ‘ও ভাই, বুজিচি তো খুদিদি চইলে গেছে। কিন্তু কান্দিচেন কী জন্যি, একেবারে চইলে গেইচে নিকি?’
এইবার হাউহাউ করে কেঁদে ওঠে রসিক। কান্না জড়ানো গলায় সে বলে, ‘হয়, একেবারে চইলে গেইচে। আর আসপে না।’
দোকানের ভিতর থেকে কেষ্ট মল্লিক বাইরে দাঁড়ানো শ্রীধর ও অমলের চোখে চায়। রসিকের এই কান্না তারা অসহায়। এখন তাকে কী বলবে?
চোখের জলের ধারা নিয়ে রসিকের কথা শোনে তারা।
পিছনের একচালায় এক কোনায় রাখাছিল একটা পুটলি। ছোট্ট একটা ট্রাঙ্কের ভিতরে। ওই ট্রাঙ্কটা রসিকের বিয়ের সময়ে পাওয়া। উপরে ফুল তোলা। পাকিস্তানে তৈরি। সেই ট্রাঙ্কের ভিতরে নিজের গোপন জিনিসপত্র রাখত খুদি। সেখানে একটা পুঁটলিতে ভরে কয়েকগাছা সোনার চুড়ি আর কিছু জমানো টাকা রাখার সময়ে খুদি রসিককে বলেছিল, যেদিন এই পুটলি নিয়ে চলে যাবে, সেদিন একেবারেই যাবে। ওই চুড়িগুলি খুদির বিয়ের সময়ের। রসিকের বউয়ের সোনার গহনা সে রত্নাকে দিয়েছে। খুদিও এই গহনা থেকে দুইএক গাছা চুড়ি আর একটা কানের দুল গোপনে দিয়েছে বড়োছেলের দুই মেয়েকে। যদিও তারা এখনও ছোট। তবে রসিক জানে, একদিন খুদির বড়োছেলে এলে তাকে দিয়েছিল। পরে বলেছে সে রসিককে। তারপর আর কীই-বা ছিল।

(চলবে)

  • আরও পড়ুন
  • লেখকের অন্যান্য লেখা