মাগুরার মহম্মদপুরে মহিলা সমাবেশ অনুষ্ঠিত

আগের সংবাদ

কৃষি কাজে কৃষকলীগকে ভূমিকা রাখতে হবে

পরের সংবাদ

জামিনে থাকা আসামিকে কারাগারে প্রেরণ

রিফাত হত্যা মামলা বিচারের জন্য প্রস্তুত

প্রকাশিত হয়েছে: নভেম্বর ৬, ২০১৯ , ১:৪০ অপরাহ্ণ | আপডেট: নভেম্বর ৬, ২০১৯, ১:৪০ অপরাহ্ণ

Avatar

বহুল আলোচিত বরগুনার শাহনেওয়াজ রিফাত শরীফ হত্যা মামলার প্রাপ্তবয়স্ক আসামিদের বিচারের জন্য মামলাটি বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে পাঠানো হয়েছে। এছাড়াও এ মামলার জামিনে থাকা অপ্রাপ্তবয়স্ক আসামি আরিয়ান হোসেন শ্রাবনের জামিন বাতিল করে শিশু-কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে।

বুধবার (৬ নভেম্বর) সকালে বরগুনার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাটিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম গাজী এ আদেশ দেন। একই দিনে অপ্রাপ্তবয়স্ক আসামি আরিয়ান হোসেন শ্রাবনের জামিন বাতিল করে বরগুনার শিশু আদালতের বিচারক মোঃ হাফিজুর রহমান এ আদেশ দিয়েছেন।

এ বিষয়ে শাহনেওয়াজ রিফাত শরীফ হত্যা মামলার বাদি পক্ষের আইনজীবী মজিবুল হক কিসলু বলেন, বুধবার রিফাত হত্যা মামলার ধার্য তারিখে বরগুনা জেলা কারাগারে থাকা প্রাপ্তবয়স্ক আট আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। এ ছাড়াও এ মামলার জামিনে থাকা আসামি আয়েশা সিদ্দকা মিন্নি আদালতে হাজির হন।

পরে আদালত প্রাপ্তবয়স্ক আসামিদের অভিযোগপত্রটি বিচারের জন্য প্রস্তত করে বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে প্রেরণ করেন। এছাড়াও আদালত এ মামলার প্রাপ্তবয়স্ক আসামি কামরুল হাসান সাইমুনকে অনার্সপরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার অনুমতি দিয়েছেন বলেও জানান তিনি। এ মামলার পরবর্তী তারিখ ২০ নভেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে।

এদিকে শাহনেওয়াজ রিফাত শরীফ হত্যা মামলার জামিনে থাকা অপ্রাপ্তবয়স্ক আসামি আরিয়ান হোসেন শ্রাবনকে শিশু-কিশোর উন্নয় কেন্দ্রে পাঠানো প্রসংঙ্গে তার আইনজীবী গোলাম মোস্তফা কাদের বলেন, গত ৩১ অক্টোবর রিফাত হত্যা মামলার অপ্রাপ্তবয়স্ক আসামিদের অভিযোগপত্র বিচারের জন্য প্রস্তুত করে বরগুনার শিশু আদালতে প্রেরণ করে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। পরে বুধবার এ মামলার ধার্য তারিখে জামিনে থাকা আসামি আরিয়ান হোসেন শ্রাবণ আদালতে হাজির হয়। এরপর আদালতের বিচারক মোঃ হাফিজুর রহমান তার জামিন বাতিল করে শিশু-কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্র পাঠানোর নির্দেশ দেন।

গত ২৬ জুন শাহনেওয়াজ রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। এরপর গত ১ আগস্ট এ মামলার তদন্ত শেষে ১০ জন প্রাপ্তবয়স্ক এবং ১৪ জন অপ্রাপ্তবয়স্ককে অভিযুক্ত করে আদালতে পৃথক দুটি অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এ মামলার ২৪ জন আসামির মধ্যে প্রাপ্তবয়স্ক আসামি মুসা এখনো পলাতক রয়েছেন।