স্টেজ শো’তে ব্যস্ত কুমার বিশ্বজিৎ

আগের সংবাদ

সাহসিকতা পদক পাচ্ছেন ১৪৫ জন ফায়ারম্যান

পরের সংবাদ

নতুন আইনের প্রভাব

মিরপুর বিআরটিএতে যান চালক ও মালিকদের ঢল

কাগজ প্রতিবেদক :

প্রকাশিত হয়েছে: November 6, 2019 , 11:23 am

সড়ক পরিবহন আইন কার্যকর হওয়ার পর সড়কের পরিস্থিতি খুব একটা না পাল্টালেও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) অফিসের চিত্র পাল্টে গেছে পুরোপুরি। যানবাহন মালিক ও চালকরা তাদের কাগজপত্র ঠিক করতে ছুটে আসছেন বিআরটিএতে। ডিজিটাল নম্বর প্লেট, ফিটনেস সনদ, লাইসেন্স সংগ্রহ, নবায়ন ও নতুন লাইসেন্সের জন্য ভোর থেকে এসে লাইন দিচ্ছেন অনেকে। এরপর টানা বিকেল ৫টা পর্যন্ত এ কার্যালয়ের দিকে ছুটতে থাকে মানুষের ঢল।
বিআরটিএর উপপরিচালক প্রকৌশলী শফিকুজ্জামান ভূঁঞা জানান, নতুন সড়ক পরিবহন আইন কার্যকর হওয়ার ফলে চাপ বেড়েছে। সবাই তাদের সব ধরনের কাগজপত্র হালনাগাদ করতে বিআরটিএতে ছুটে আসছেন। গাড়ির ফিটনেস পরীক্ষা দ্রুত করার জন্য আরো ১২টি ফিটনেস টেস্টের মেশিন বসানোর কাজ চলছে। এখন মাত্র দুটি মেশিনে ফিটনেস পরীক্ষা হচ্ছে।
ফিটনেস সেন্টারের সহকারী মোটরযান পরিদর্শক রাশেদ জানান, গত কয়েক দিনে বিপুলসংখ্যক যানবাহন ফিটনেস টেস্টের জন্য এসেছে। এখন আমাদের কোনো ফুরসত নেই।
একই অবস্থা লাইসেন্স শাখায়। এখানে শিক্ষানবিশ লাইসেন্সের আবেদনের জন্য চালকদের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। এ শাখায় ছবি তোলা ও ফিঙ্গার প্রিন্ট দেয়ার জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে অনেককে।
সরেজমিন দেখা গেছে, প্রধান সড়ক থেকে শুরু করে বিআরটিএ কম্পাউন্ডের ভেতরে প্রাইভেট কার, মোটরসাইকেলে, বাস-ট্রাকের দীর্ঘ লাইন। ফিটনেস পরীক্ষার জন্য এগুলো নিয়ে আসা হয়েছে। ট্রাকচালক আমিন জানান, ফিটনেস না থাকলে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা। এটা অনেক বেশি। তাই বাধ্য হয়েই সনদ নিতে এসেছি। ডিজিটাল নম্বর প্লেট নিতে মোটরসাইকেল চালকদের ভিড় বেশি ছিল গেটের কাছে। কয়েকশ মোটরসাইকেল চালক ডিজিটাল নম্বর প্লেটের জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে রয়েছেন। কয়েকজন জানালেন, তারা প্রথম দিন এসে কাজ সারতে পারেননি। তাই আবার এসেছেন।
সব শ্রেণির গ্রাহকের ভিড় বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দালালদের আনাগোনাও বেড়েছে। তারাও আগের চেয়ে বেশি তৎপর। এদের নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে আনসার সদস্যরা। আনসার ক্যাম্পের প্লাটুন কমান্ডার (পিসি) ওয়াহেদ মিয়া জানান, সঠিকভাবে যেন সবাই সেবা পায় সে জন্য তারা কাজ করছেন। অনেক সময় দালালের তৎপরতা বেড়ে যায়। তবে আনসাররা তৎপর রয়েছে। গত দুই দিনে ১৪-১৫ জন দালালকে আটকের পর শাস্তি দেয়া হয়েছে।