ঢাকা রেসিডেনসিয়ালের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ-মানববন্ধন

আগের সংবাদ

হৃদরোগের অন্যতম কারন ট্রান্স ফ্যাট

পরের সংবাদ

মাধবকুণ্ড জলপ্রপাত

ঢাকায় পাঠানো হচ্ছে বিষাক্ত পানি ও মরা মাছের নমুনা

প্রকাশিত হয়েছে: নভেম্বর ৬, ২০১৯ , ১২:৪৭ অপরাহ্ণ | আপডেট: নভেম্বর ৬, ২০১৯, ১:১২ অপরাহ্ণ

Avatar

মাধবকুণ্ড জলপ্রপাতের বিষাক্ত পানি ও মরা মাছের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে ঢাকায়। এদিকে পানি থেকে বিষক্রিয়া কমাতে মঙ্গলবার দুপুর থেকে কয়েক দফায় ছিঠানো হয়েছে ঔষধ।

বড়লেখা উপজেলার ভারপ্রাপ্ত মৎস্য কর্মকর্তা সুলতান মাহমুদ জানান, ঔষধ ছিঠানোর ফলে পানির বিষক্রিয়া কমে গেছে বলে তার ধারণা। কারণ মঙ্গলবার( ৫ অক্টোবর) রাত ৮টা পর্যন্ত আর মাছ মরে নি। তিনি জানান, রাত পর্যন্ত তাঁরা ঘটনাস্থলে কাজ করছেন। মাধবকুণ্ড জলপ্রপাত দেশের গুরুত্বপূর্ণ একটি পর্যটন স্পর্ট। তাই গুরুত্ব সহকারে তারা বিষয়টি দেখছেন। ইতিমধ্যে ঔষধ ছিঠানোর পর কয়েক দফা পানি পরীক্ষা করেছেন। কোন বিষক্রিয়ার লক্ষণ পাওয়া যায়নি।

এদিকে জলপ্রপাতের পানিতে বিষক্রিয়ার খবরে ঘটনাস্থলে ছুটে এসেছেন সিলেট বিভাগীয় মৎস্য অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সুলতান আহমদ। সুলতান আহমদ জানান, তারা পুরো বিষয়টি পর্যাবেক্ষণ করছেন। পানি ও মরা মাছের নমুনা ঢাকায় পাঠাচ্ছেন।

এদিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীম আল ইমরান, বড়লেখা থানার অফিসার ইনচার্জ ইয়াছিনুল হক ও বন বিভাগের সহকারী রেঞ্জ কর্মকর্তা শেখর রঞ্জন রায়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীম আল ইমরান জানান, ভবিষ্যতে যেন একরকম ঘটনা আর না ঘটে তাই মাধবকুণ্ড ও এর আশপাশ এলাকায় জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে ।

এ ব্যপারে বড়লেখা উপজেলার ভারপ্রাপ্ত মৎস্য কর্মকর্তা সুলতান মাহমুদ আরো জানান, মাধবকুণ্ড জলপ্রপাতে মাছ মারা যাওয়ার প্রেক্ষিতে সোমবার ও মঙ্গলবার পানি পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় ঔষধ প্রয়োগ করা হয়েছে। আশা করছি খুব দ্রুতই সমস্যা সমাধান হবে। তিনি জানান, পানির পিএইচ, দ্রুবিভূত অক্সিজেন, এমোনিয়া, হার্ডনেস, টিডিএস স্বাভাবিক আছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে কেউ পাহাড়ি ছড়ায় বিষ লতা দেয়ার কারনে মাছ মারা যেতে পারে । পানি ও মাছের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। পরীক্ষার জন্য ঢাকায় প্রেরণ করা হবে।

উল্লেখ্য গত শনিবার বিকেল থেকে দেশের বৃহৎ জলপ্রপাতের মাছ ও জলজপ্রাণী মরে ভেসে উঠে।

 

আরো পড়ুন: