হরিজনপল্লীতে একঘরে ৮ জনের বাস!

আগের সংবাদ

গ্রাম পুলিশ ও শিক্ষার্থীদের মাঝে সাইকেল বিতরণ

পরের সংবাদ

কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্পগুলো বন্ধ করার দাবি টিআইবির

প্রকাশিত হয়েছে: নভেম্বর ৬, ২০১৯ , ২:৩২ অপরাহ্ণ | আপডেট: নভেম্বর ৬, ২০১৯, ২:৩২ অপরাহ্ণ

Avatar

দেশে বাস্তবায়নাধীন কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্পগুলো বন্ধ করার দাবি জানিয়েছেন ট্রান্সপারেসি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য ও নিরপেক্ষ সংস্থার মাধ্যমে পরিবেশগত মূল্যায়ন করে প্রতিবেদন জনসম্মুখে প্রকাশ করারও দাবি জানান তিনি।

আজ বুধবার (৬ নভেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)-তে ‘কয়লায় শ্বাসরুদ্ধ: কার্বন বিপর্যয়ের মুখে বাংলাদেশ’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে তিনি সরকারের প্রতি এ দাবি জানান।

প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে মার্কেট ফোর্সেস, থ্রিফিফটি, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা), ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ ও ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ (ডব্লিউকেবি)। সংবাদ সম্মেলনে এ সময় বাপার সাধারণ সম্পাদক এম এ মতিন, ডব্লিউকেবি কাউন্সিলর মেম্বার শরিফ জামিল এবং বাপার কার্যনির্বাহী সদস্য ও ব্রতীর নির্বাহী পরিচালক শারমীন মুরশিদ উপস্থিত ছিলেন।

গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বে কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ সবচেয়ে ক্ষতিকর ও নোংরা জ্বালানী হিসেবে বিবেচিত। যা বিষাক্ত নাইট্রোজেন অক্সাইড, সালফার অক্সাইড, পিএম 2.5, কয়লা চাই ও এসিড নির্গমনের মাধ্যমে বায়ু ও বায়ু দূষণের ভূমিকা পালন করে। এছাড়া পারদ, সীসা ও ক্রোমিয়ামের মতো ভারী ধাতু নির্গমন করে, আরোগ্য ব্যাধি থেকে শুরু করে অকাল মৃত্যুর কারণ। এ বিবেচনায় একটি পরিবেশের জন্য বিপর্যয়ের একটি পরিকল্পনা।

আমাদের দেশে এখন কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের সংখ্যা একটি। সেখান থেকে ৫২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়। একটির সঙ্গে আরও ২৯টি যোগ হলে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিমাণ দাঁড়াবে ৩৩ হাজার ২৫০ মেগাওয়াট। সেগুলো বায়ুমণ্ডলে বার্ষিক ১১ কোটি ৫০ লাখ মেট্রিক টন অতিরিক্ত কার্বন ডাই অক্সাইড নিঃসরণ করবে, যা পরিবেশে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলবে। দেশের দুর্দশাগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর অস্তিত্বকে চরম হুমকির মুখে ফেলবে।