সিরিজ জয়ের স্বপ্নে অনুশীলনে টাইগাররা

আগের সংবাদ

জীবননগরে মাদক ব্যাবসায়ী গ্রেপ্তার

পরের সংবাদ

একনেক সভা

নতুন ঠিকাদার নিয়োগে প্রধানমন্ত্রীর যত নির্দেশনা

প্রকাশিত হয়েছে: নভেম্বর ৫, ২০১৯ , ৩:৫৭ অপরাহ্ণ | আপডেট: নভেম্বর ৫, ২০১৯, ৪:৫৭ অপরাহ্ণ

কাগজ প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইনটা এমন যে, বড় বড় ঠিকাদার ছাড়া নতুন, ছোট ঠিকাদাররা সুযোগ বেশি পায় না। এটাকে একটু সহজ করেন, যাতে করে আরো কেউ ঢুকতে পারে এবং প্রতিযোগিতা হয়। সবাই যেন উন্নয়ন কাজে অংশ নিতে পারে মান ঠিক রেখে। তবে কাজ জানে না এমন কাউকে কাজ দেয়া যাবে না।

মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) একনেক সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে বৈঠকে এমন নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশনা তুলে ধরেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন সহজ করার কাজ চলছে। এটা হয়ে গেলে নতুন নতুন প্রতিযোগিতা হবে এবং নতুন ঠিকাদাররা ঢোকার সুযোগ পাবে। খুব আগ্রহ নিয়ে প্রায়ই প্রকল্প পাস করা হয়, দালান-কোঠা নির্মাণ করা হয়। এগুলো হওয়ার পর পরবর্তীতে যেসব কাজ থেকে জনগণ সরাসরি এসবের সুবিধা ভোগ করবে, তখন আর আগ্রহ দেখা যায় না সংশ্লিষ্টদের। তাই যে আগ্রহ নিয়ে প্রকল্প পাস ও দালান-কোঠা নির্মাণ করা হয়, একই আগ্রহ নিয়ে পরবর্তী কাজও করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগ্রহ নিয়ে প্রায়ই প্রকল্প পাস করা হয়, দালান-কোঠা নির্মাণ করা হয়। তারপরে আর বাকি কাজ হয় না। হয় জনবল নাই, নয় যন্ত্রবল নাই। যে আগ্রহ নিয়ে আপনারা প্রকল্পের কাজ শেষ করেন, একই আগ্রহ নিয়ে আপনারা (সংশ্লিষ্টরা) দয়া করে বাকি কাজগুলো করবেন। যাতে জনগণ যে সেবা পাওয়ার কথা, সেখান থেকে সেটা তারা পায়। নতুন সড়ক নির্মাণের চেয়ে সড়ক মেরামত, মান-উন্নয়নের দিকে মনোযোগ দেয়ার নির্দেশও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, যত্রতত্র ব্রিজ কইরেন না, সাবধানে ব্রিজ কইরেন। নদীগুলো এমনি ভরে যাচ্ছে, সেতু নির্মাণ করলে পানি প্রবাহে বাধাপ্রাপ্ত হয়, পলি পড়ে আরো ভরে যায়। আপনারা সাবধানে সেতু বানাবেন, অহেতুক বানাবেন না। যেখানে নদ-নদী সোজা-সরল করার প্রয়োজন আছে, সেগুলো তা করার নির্দেশও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তবে খুলনা-যশোর সড়ক নিয়ে বিরক্ত প্রধানমন্ত্রী। এই বিষয়টি সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের কাজটি দ্রুত শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, খুলনা-যশোর সড়কটা তার কাছে খুবই বিরক্তিকর একটা সড়ক। দীর্ঘদিন ধরে এই সড়কের কাজ ফেলে রাখা হয়েছে। ওবায়দুল কাদেরসহ এটার সঙ্গে যারা যারা আছেন, সবাই এটার কাজ তাড়াতাড়ি শেষ করেন। মানুষের অনেক বেশি কষ্ট হচ্ছে।

  • আরও পড়ুন
  • লেখকের অন্যান্য লেখা