পাকিস্তানকে হারাল রুমানারা

আগের সংবাদ

আইসিসিআরের পদক পাচ্ছেন বন্যা

পরের সংবাদ

ছোট্ট লাল পোকাটি কি নতুন মৃত্যুদূত!

প্রকাশিত হয়েছে: নভেম্বর ৫, ২০১৯ , ১১:০৬ পূর্বাহ্ণ | আপডেট: নভেম্বর ৫, ২০১৯, ১১:০৬ পূর্বাহ্ণ

Avatar

ছোট আকৃতির এক লাল পোকা মাইটস। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, ট্রম্বিকিউলিড মাইটস নামের ওই ছোট্ট পোকার কামড়ে শরীরে ব্যাকটেরিয়ার অনুপ্রবেশ ঘটে। এটির কামড়ে স্ক্রাব টাইফাস নামের অসুখে আক্রান্ত হতে পারে মানুষ। এতে শরীরে প্রবল জ্বর আসে। সঠিক সময়ে রোগ ধরা না পড়লে বা চিকিৎসা না নিলে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। ভারতে এই রোগের প্রকোপ বাড়ছে। ভারতের আনন্দবাজার পত্রিকার এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
কলকাতায় মাইটস পোকার কামড় খেয়ে মরণের কোল থেকে ফিরে এসেছেন নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন কলেজের কর্মী আবীর মণ্ডল। গত ৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় রামকৃষ্ণ মিশনের ভিতরে বাইক চালিয়ে যাওয়ার সময় তার চোখের পাতায় কামড় দেয় পোকাটি। পরের দিন থেকে কাঁপিয়ে জ্বর আসে। ১৩ দিনের মাথায় শ্বাসকষ্ট শুরু হওয়ায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। ততদিনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গেছে তার কিডনি, ফুসফুস ও লিভার। নরেন্দ্রপুরের কলেজকর্মী আবীর বলেন, পোকার কামড় যে এমন রোগ হতে পারে, তা জানা ছিল না।

আরজি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের চিকিৎসক জ্যোতির্ময় পাল বলেন, এই জ্বরের সঙ্গে মাথাব্যথা হয়। বমি হয়। মূল লক্ষণ ‘ফিভার উইথ কনফিউশন’। ‘কনফিউশন’ মানে ঘোর লাগা ভাবের মধ্যে পরিচিতদের চিনতেও অসুবিধা হয় রোগীর। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব মেন্টাল হেল্?থ অ্যান্ড নিউরোসায়েন্সেস বা নিমহ্যানসের সঙ্গে যৌথ সমীক্ষার ভিত্তিতে কলকাতার স্বাস্থ্য ভবন ২০১৭ সালে এক নির্দেশিকায় জানায়, মাইটস-বাহিত রোগ নিয়ে রাজ্যে কোনো তথ্য নেই। আবহাওয়া বদলের পাশাপাশি কলকাতার শহরতলিতে আবাসন তৈরির হিড়িক এই রোগের কারণ হতে পারে। ২০১৯-এও সেই সম্ভাবনাতেই আটকে রয়েছে স্বাস্থ্য দফতর।

এদিকে স্কুল অব ট্রপিকাল মেডিসিনের ডিরেক্টর প্রতীপ কুণ্ডু বলছেন, এখন অনেক বেশি রোগ নির্ণয় হচ্ছে। ফলে এমনও হতে পারে যে, রোগটা আগেও ছিলই। এখন তার কথা জানতে পারছি আমরা। আবার অন্য কিছুও হতে পারে। মাইটস কোথায় আছে, বছরের কোন সময়ে বাড়ছে, ব্যাকটেরিয়ার চরিত্র কেমন, তা না দেখে এই বিষয়ে কিছু বলা সম্ভব নয়।