কলাপাড়ায় শিক্ষককে ৭দিনের কারাদণ্ড

আগের সংবাদ

ডুমুরিয়ায় বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে শ্রমিকের মৃত্যু

পরের সংবাদ

সংসদীয় কমিটিতে অসন্তোষ

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ৫৬ কোটি টাকা লোপাট

প্রকাশিত হয়েছে: নভেম্বর ৪, ২০১৯ , ২:৩৯ অপরাহ্ণ | আপডেট: নভেম্বর ৪, ২০১৯, ২:৪৭ অপরাহ্ণ

Avatar

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন কেন্দ্রীয় ঔষধাগার (সিএমএসডি) ঢাকা এবং বিএসএমএমইউ , ঢাকা ও রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ২০১২-১৩ অর্থ বছরে ৫৫ কোটি ৭৪ লক্ষ ৬৩ হাজার ৬২৯ টাকা লোপাট হয়েছে বলে অডিট আপত্তিতে অসন্তোষ প্রকাশ করে দায়ীদের শাস্তির সুপারিশ করেছে জাতীয় সংসদের সরকারী হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি।

বৈঠকে জানান হয় হিসাব সম্পর্কিত  মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের  বিশেষ অডিট রিপোর্ট ২০১৩-১৪ এর অডিট আপত্তির অনুচ্ছেদে সর্বমোট ৮ টি অডিট আপত্তি  নিয়ে আলোচনা হয় এবং আপত্তিতে জড়িতদের শুনানী গ্রহণ করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করে।

আজ সোমবার (৪ নভেম্বর) জাতীয় সংসদের সরকারী হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির  ১৬তম  বৈঠকে সংসদ ভবনের  কেবিনেট কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। কমিটির সভাপতি মোঃ রুস্তম আলী ফরাজী  বৈঠকে সভাপতিত্বে কমিটির সদস্য আবুল কালাম আজাদ, আব্দুস শহীদ, আফছারুল আমীন, শহীদুজ্জামান সরকার,  আহসানুল ইসলাম (টিটু), বেগম ওয়াসিকা আয়েশা খান এবং জাহিদুর রহমান অংশগ্রহণ করেন।

পিএ কমিটি প্রদত্ত নির্দেশনার আলোকে দায়ী ব্যক্তিদের বিষয়ে দায় দায়িত্ব নির্ধারণকালে আপত্তির অনুচ্ছেদ ১ – সিএমএসডি কর্তৃক বিদেশী উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের অনুমোদিত লোকাল এজেন্ট এর সাথে যোগসাজশে পণ্য আমদানীর নামে জালিয়াতির মাধ্যমে আর্থিক ক্ষতি ১৪ কোটি ৩১ লক্ষ ৪৭ হাজার ৩শত ৪৫ টাকা। এই মর্মে আপত্তির সাথে জড়িত সিএমএসডির প্রাক্তন পরিচালক মেজর জোনারেল সৈয়দ ইফতেখার উদ্দিন (অব) এবং অনুচ্ছেদ ২ এ বর্নিত জাতীয় ঔষধ নীতি উপেক্ষা করে বাজার মূল্য অপেক্ষা অস্বাভাবিক উচ্চ মূল্যে ঔষধপত্র ও চিকিৎসা সরঞ্জামাদি ক্রয়ের কারনে আর্থিক ক্ষতি ১১ কোটি ৬৬ লক্ষ ৫ হাজার ৩৫ টাকা।  এ অডিট আপত্তির সাথে জড়িত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহসান কবীর খান আপত্তিগুলো সঠিক নয় মর্মে আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য রুলস অব প্রসিডিউরের ২০৫ বিধি অনুযায়ী  সভাপতি বরাবর ব্যাক্তিগত শুনানীর জন্য আবেদন করে তার বক্তব্য তুলে ধরেন।

কিন্তু মেজর জোনারেল সৈয়দ ইফতেখার উদ্দিন (অব) তার সন্তানের অসুস্থতার জন্য বিদেশে যাওয়ায় সভাপতি বরাবর সময় চেয়ে পুনরায় আবেদন করেন। এ সময় কমিটি এক মাসের মধ্যে জড়িতদের বক্তব্য শুনে আগামী বৈঠকে তা তুলে ধরার পরামর্শ দিয়েছে।