ক্ষমতায় যেতে মহিলা পার্টিকে ভূমিকা রাখতে হবে

আগের সংবাদ

বোয়ালমারীতে অপহৃত রূপালী ২ বছর পর উদ্ধার

পরের সংবাদ

সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদের শিল্পকর্ম ও স্মৃতি প্রদর্শনী

প্রকাশিত হয়েছে: নভেম্বর ৪, ২০১৯ , ৮:৫৩ অপরাহ্ণ | আপডেট: নভেম্বর ৪, ২০১৯, ৮:৫৩ অপরাহ্ণ

Avatar

বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের অন্যতম প্রতীক ‘অপরাজেয় বাংলা’র ভাস্কর ও দেশের অন্যতম শিল্পী সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদের শিল্পকর্ম ও স্মৃতি নিয়ে বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর।

সোমবার (৪ নভেম্বর) বিকালে জাদুঘরের নলিনীকান্ত ভট্টশালী প্রদর্শনী গ্যালারিতে এ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। বারো দিনব্যাপী ওই প্রদর্শনীতে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান। প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সভাপতি অধ্যাপক শামসুজ্জামান খান। আলোচক ছিলেন বিশিষ্ট ভাস্কর হামিদুজ্জামান খান এবং বিশিষ্ট শিল্পসমালোচক ও অধ্যাপক মঈনুদ্দিন খালেদ।

এতে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য স্থপতি ও কবি রবিউল হুসাইন। স্বাগত বক্তব্য দেন জাদুঘরের মহাপরিচালক মো. রিয়াজ আহম্মদ। ধন্যবাদ জানান জাদুঘরের সচিব মো. আবদুল মজিদ।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ড. আনিসুজ্জামান বলেন, তিনি শুরু করেছিলেন পেইন্টিং দিয়ে, কিন্তু ভাস্কর্য দিয়েই তার পরিচয়। অপরাজেয় বাংলা মুক্তিযুদ্ধের প্রতীক হয়ে আছে। মুক্তিযুদ্ধের আত্মত্যাগ, মহৎ চিন্তা বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে তার ভাস্কর্যে।

অধ্যাপক শামসুজ্জামান খান বলেন, ভাস্কর সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ অপরাজেয় বাংলা ভাস্করটি খুবই চমৎকারভাবে, অত্যন্ত নান্দনিকতার সাথে ফুটিয়ে তুলেছেন। মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিকামী মানুষের উপর ভিত্তি করে এই শিল্পকর্মের সৃষ্টি। শিল্পের প্রতি ভালোবাসা ছিল তাঁর প্রখর। নিষ্ঠা ও শক্ত মানসিকতার পরিচয় তার কর্মের মধ্যে খুঁজে পাওয়া যায়।

হামিদুজ্জামান খান বলেন, খালিদ ছিল আমার সহপাঠী। তিনি ছিলেন অত্যন্ত বুদ্ধিমান এবং দেশের প্রতি ছিল তাঁর অকৃতিম ভালোবাসা। তিনি এই বাংলার মহান স্থাপত্য শিল্পী। তাঁর হাতেই তৈরি সার্থক ভাস্কর্য অপরাজেয় বাংলা। অপরাজেয় বাংলা মানে বাঙালীর শক্তি। তিনি শুধু ভাস্করই না, তিনি অনেক পেইন্টিংও করেছেন। তাঁর কাজই তাকে অমর করে রেখেছে, রাখবে।

মঈনুদ্দিন খালেদ বলেন, ভাস্কর্য চর্চাটা খুবই বিচিত্ররকম কাজ। জনতার সামগ্রিক শক্তি প্রকাশ করার মাধ্যম ভাস্কর্য। ওইসব কাজ অনেক সাহসীকতায় করেছিলেন সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ। তার শিল্পকর্ম অপরাজেয় বাংলা কথাটা অনেক আবেগের, অনেক প্রেরণার উৎস। বাঙালীর সাহসকে ভাস্কর্যম-িত করা সহজ কাজ না। সেই কঠিন কাজটিই করে গেছেন তিনি। তাঁর ভাস্কর্যের মাধ্যমে তিনি বাংলার বিজয়ী শিল্পী।

সভাপতির বক্তব্যে স্থপতি ও কবি রবিউল হুসাইন বলেন, অসম্ভব সুন্দর তার হাতের কাজ। অত্যন্ত নিখুঁতভাবে তিনি তার ভাস্কর্যের মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলেছেন।
প্রদর্শনী চলবে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত। এর দ্বার সবার জন্য খোলা থাকবে।