‘ভিন্নরূপে পুরুষ আলোকচিত্র প্রদর্শনী-২০১৯’

আগের সংবাদ

উত্তরায়নের গীতি আলেখ্য ‘ইউরোপে রবীন্দ্রনাথ’

পরের সংবাদ

প্রিন্সের ‘আইসিপিডির মানবেরা: বাংলাদেশের মুখচ্ছবি’

প্রকাশিত হয়েছে: নভেম্বর ২, ২০১৯ , ৯:৩৩ অপরাহ্ণ | আপডেট: নভেম্বর ৩, ২০১৯, ১:৫৮ পূর্বাহ্ণ

কাগজ প্রতিবেদক

১৯৯৪ সালে কায়রোতে প্রথম প্রতিষ্ঠা হবার পর, নাইরোবি সম্মেলন ২০১৯ এ ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন পপুলেশন এ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (আইসিপিডি)এর ২৫ বছর পূর্তি হলো। একটি উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে, বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশ প্রভূত সাফল্য অর্জন করেছে- বিশেষ করে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায়, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে, যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্যসেবায়, জেন্ডার সমতাবিধানে, এবং টেকসই উন্নয়নের ক্ষেত্রে। ইউনাইটেড নেশন্স পপুলেশন ফান্ড (ইউএনএফপিএ) ওইসব ক্রমোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় যেখানে যেখানে নারী ও কিশোরীদের অধিকার অতীব গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি, সেখানেই বিভিন্ন সহায়ক অংশীদার প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে সম্মিলিতভাবে তারা খুব কাছে থেকে কাজ করে চলেছেন।

আলোকচিত্রগ্রাহক নাইমুজ্জামান প্রিন্সের এই চিত্র প্রদর্শনী আইপিসিডির বাংলাদেশের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যকে একটি মুখচ্ছবি দান করেছে, যা নাইরোবি সামিট এর পূর্বে আইসিপিডির কার্যক্রমকে আরও বেশি গতিশীল উদ্দীপনা দান করেছিল। বাংলাদেশের জনগণের বলিষ্ঠ প্রতিকৃতি এবং চিত্রকর্মের মাধ্যমে শুধু যে আইসিপিডির কার্যক্রমের মূলনীতি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদারদের জানানো হয়েছে তাইই নয়, সেইসাথে এটাও তুলে ধরা হয়েছে যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা পূরণে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায় আইসিপিডি’র গুরুত্ব কেন অনস্বীকার্য।

শনিবার (২ নভেম্বর) সন্ধ্যায় আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ দ্য ঢাকার লা গ্যালারিতে নাইমুজ্জামান প্রিন্সের ‘আইসিপিডির মানবেরা: বাংলাদেশের মুখচ্ছবি’ শিরোনামে আলোকচিত্র প্রদর্শনীটির উদ্বোধন করেন পরিকল্পনা মন্ত্রী এম. এ. মান্নান। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইউএনএফপিএ-এর বাংলাদেশ প্রতিনিধি অশা তরকেলসন। প্রদর্শনীটি যৌথভাবে ইউএনএফপিএ বাংলাদশে ও আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ দ্য ঢাকা আয়োজন করে।

নাইমুজ্জামান প্রিন্স বলেন, মূলত সামাজিক স্থির-চলচিত্র নিয়ে কাজ করি। আমার আগ্রহের মূল ক্ষেত্রগুলো হলো সমাজ-সাংস্কৃতিক বিষয়, নারী ও নারীর অধিকার, সংস্কৃতি ও পরিচয়, খেটে খাওয়া মানুষ, স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও উন্নয়ন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন, রাজনীতি ও রাজনৈতিক সহিংসতা, ধর্ম ইত্যাদি। মূলত এই প্রদর্শনীতে তারই প্রতিধ্বনি হলো।

প্রদর্শনীটি চলবে ১২ নভেম্বর পর্যন্ত। সোমবার থেকে বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টা থেকে রাত ৯টা এবং শুক্রবার ও শনিবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা এবং বিকাল ৫টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত প্রদর্শনীর দ্বার খোলা থাকবে। প্রদর্শনীটি সবার জন্য উন্মুক্ত।