ন্যাম সম্মেলনে যোগ দিলেন শেখ হাসিনা

আগের সংবাদ

ঢাকা অনুবাদ উৎসব শুরু

পরের সংবাদ

পাইকারী-খুচরায় বড় ফারাক

এমনিতেই চড়া, বৃষ্টিতে লাগামছাড়া

প্রকাশিত হয়েছে: অক্টোবর ২৫, ২০১৯ , ৫:৫৬ অপরাহ্ণ | আপডেট: অক্টোবর ২৫, ২০১৯, ৯:২৫ অপরাহ্ণ

Avatar

রাজধানীতে গেল সপ্তাহেই চড়া দামে বিক্রি হয়েছে শীতের শিম, ফুলকপি, বাঁধাকপি, মূলাসহ সব ধরনের সবজি। তার ওপর কদিনের বৈরি আবহাওয়ায় একেবারেই লাগামছাড়া হয়েছে দাম। অন্যদিকে আবার রাজধানীর অন্যতম প্রধান আড়ত কারওয়ান বাজারে পাইকারী দরের সঙ্গে খুচরা দামের ফারাক বেড়েছে।

সবজির দাম বাড়ার কারণ হিসেবে ব্যবসায়ীরা বৈরি আবহাওয়াকে দুষছেন। সেই সঙ্গে পরিবহন খরচ বাড়ার কথাও বলছেন। আবার খুচরা বিক্রেতারা পাইকারী বাজারে দাম বাড়ার যুক্তি দিচ্ছেন। যদিও দুই বাজারের দামের ফারাক নিয়ে কেউ কিছু বলছেন না।

শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) রাজধানীর কারওয়ান বাজার, রামপুরা, মালিবাগ হাজীপাড়া, খিলগাঁও, শান্তিনগর এলাকার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, পাইকারী বাজারে মরিচ ৭০-৮০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। সেই মরিচই আবার খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ১২০-১৩০ টাকা দরে।

একইভাবে সবজির বেলাতেও দরদামের ব্যাপক তারতম্য দেখা গেছে। পাইকারী বাজারে যে লাউ ৩৫-৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে সেটাই খুচরা বাজারে এক লাফে ঠেকেছে ৬০-৭০ টাকায়।

সরবরাহ বাড়ার কথা বলা হলেও বৈরি আবহাওয়ার অজুহাতে শীতের শিম ১০০-১২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। ফুলকপি বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা পিস। একই দামে বিক্রি হচ্ছে বাঁধাকপি। মূলার কেজি ৩০ থেকে ৪০ টাকা। অথচ গত সপ্তায় এসব সবজির দাম অনেক কম ছিল।

বেশ কিছুদিন ধরেই টমেটো ও গাজরের চড়া দামের লাগাম টানা যাচ্ছে না। পাকা টমেটো আগের মতোই ১২০ থেকে ১৪০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। গাজরের দাম চড়ে ৬০-৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

শীতের আগাম সবজি লাউ, করলা, ঝিঙে, বরবটি, বেগুন, পটল, ঢেঁড়শ, উসি, ধুন্ধলহ সব ধরনের সবজির দাম খানিকটা চড়েছে। ছোট আকারের লাউ ৬০-৮০ টাকা, করলা ৭০-৮০ টাকা, বরবটি কাছাকাছি দামেই বিক্রি হচ্ছে। বেগুনের দামও বেড়েছে।

কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ী কাজী বশির আহমেদ বলেন, শীতের আগাম সবজির সরবরাহ বেড়েছে। তবে আজ (শুক্রবার) বৃষ্টির কারণে আর সাপ্তাহিক ছুটি হওয়ায় সব সবজির দাম কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা বেড়েছে। দুদিন ধরে যে বৃষ্টি হচ্ছে, তাতে হিতে বিপরীত হতে পারে। বৃষ্টি না থামলে সবজির দাম উল্টো বাড়তে পারে।

এদিকে দেশি পেঁয়াজের কেজির লাগাম টানা সম্ভব হয়নি। আগের মতো ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। আমদানি করা পেঁয়াজের দাম কিছুটা কমে বিক্রি হচ্ছে ৯০-১০০ টাকা কেজিতে।

তবে বাজারে ভোজ্য তেল, খোলা আটা, ডালসহ নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ক্রেতারা। তারা বাজার মনিটরিং এর দাবি জানিয়েছেন।