মাকে ফিরে পেল সেই নবজাতক

আগের সংবাদ

অবৈধ ভবন বাঁচাতে বঙ্গবন্ধুর ছবি টানিয়ে দিল দখলদার

পরের সংবাদ

যোগ্যতা হারালে স্থগিতের কথা বললেন শিক্ষামন্ত্রী

নতুন এমপিওর তালিকা ঘোষণা আজ, আন্দোলন প্রত্যাহার

প্রকাশিত হয়েছে: অক্টোবর ২৩, ২০১৯ , ১১:০৬ পূর্বাহ্ণ | আপডেট: অক্টোবর ২৩, ২০১৯, ১১:৫৯ পূর্বাহ্ণ

Avatar

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে গণভবন থেকে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নতুন এমপিওভুক্তির ঘোষণা দেবেন। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এ কথা জানান। এদিকে রাতে নন-এমপিও শিক্ষক-কর্মচারী ফেডারেশনের সভাপতি গোলাম মাহমুদুন্নবী ডলার বলেছেন, শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনার পর আন্দোলন কর্মসূচি প্রত্যাহার করা হয়েছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নতুন এমপিও পেতে যাওয়া প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অধীন ১ হাজার ৬৫১টি। এ ছাড়া কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের অধীন ১ হাজার ৭৯টি মাদ্রাসা, কারিগরি, বিএম এবং কৃষি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। সবমিলিয়ে নতুন এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা দাঁড়াচ্ছে ২ হাজার ৭৩০টি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই প্রতিষ্ঠানগুলোর নতুন এমপিওভুক্তির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবেন। এরপর শিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপন জারি করবে। উল্লেখ্য, সর্বশেষ ২০১০ সালে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হয়েছিল।
মতবিনিময় সভায় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, যোগ্যতা ধরে রাখতে না পারলে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিও স্থগিত করা হবে। এখন থেকে নতুন-পুরনো সব প্রতিষ্ঠানকে নিবিড় মনিটরিংয়ের আওতায় আনা হবে। যারা শর্ত পূরণে ব্যর্থ হবেন তাদের এমপিও স্থগিত থাকবে বলে জানান তিনি। মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে এমপিওভুক্তি কার্যক্রম নিয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় শিক্ষামন্ত্রী কোচিং বাণিজ্য, নোট-গাইড বই বন্ধ করা, শ্রেণিকক্ষ মনিটরিং, কারিকুলাম সংশোধন এবং চলমান শিক্ষক আন্দোলনের বিষয়েও কথা বলেন।
তিনি বলেন, ইতোমধ্যে এমপিওভুক্ত হওয়াসহ সব প্রতিষ্ঠানকে নীতিমালা অনুযায়ী তাদের মান ধরে রাখতে হবে। কোনো প্রতিষ্ঠান এতে ব্যর্থ হলে তাদের এমপিও সাময়িক স্থগিত করা হবে। পুনরায় যোগ্যতা অর্জন করতে পারলে আবারো এই সুবিধার আওতায় আনা হবে। এমপিও পেয়ে গেছেন ভেবে হাল ছেড়ে দিলে তারা বিপদে পড়বেন।
ডা. দীপু মনি বলেন, বরাবরের মতো উন্নতি করতে হবে। পিছিয়ে পড়ার সুযোগ নেই। সব বিভাগের প্রতিষ্ঠানগুলোকে নজরদারির আওতায় আনা সম্ভব হয়নি। কিন্তু এখন থেকে এমপিওভুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোকে নজরদারির আওতায় নিয়ে আসা হবে।
তিনি আরো বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে ও শিক্ষার মান বাড়াতে নতুনভাবে মনিটরিং ব্যবস্থা বাড়ানো হবে। অনেক সময় অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অযাচিত হস্তক্ষেপ হয়, সেগুলো নিয়ে নানান প্রশ্ন আসছে, এ বিষয়গুলোকে নির্ধারণ করে সামগ্রিকভাবে শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরো এগিয়ে নেয়া হচ্ছে। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এখন থেকে প্রতি বছর এমপিওভুক্তির কার্যক্রম চলমান থাকবে। যেসব প্রতিষ্ঠান যোগ্য বিবেচিত হবে তাদের এমপিওভুক্তির আওতায় নিয়ে আসা হবে। আর যেসব প্রতিষ্ঠান পিছিয়ে থাকবে তাদের সহযোগিতা করে এগিয়ে আনা হবে। এভাবে যোগ্যতা অর্জিত হলে ওই সব প্রতিষ্ঠানকেও এমপিওর আওতায় আনা হবে।