আন্দোলন সম্পর্কে মাশরাফি জানতেনই না!

আগের সংবাদ

সিডনিতে নারীদের ‘অব্যক্ত’ গল্পের একদিন

পরের সংবাদ

ওদের এ ছবিটা এখন কষ্টের!

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশিত হয়েছে: October 22, 2019 , 9:46 am

মিমের অভিযোগ, কিছুদিন আগে একটি বিজ্ঞাপনে আমার কাজ করার কথা ছিল। কিন্তু নির্মাতাকে সিদ্দিক প্রভাবিত করে তাকে বাদ দিতে। সে তো নিজেও শোবিজের মানুষ। এতে আমার আপত্তি নেই। তবে স্বামী হিসেবে ওর কোনো সহযোগিতাই পাই না।

তবে মিমের এ অভিযোগ অস্বীকার করে সিদ্দিক দাবি করেন, শোবিজের কাজ নয়, অন্য কোনো কারণে মিম তাকে ছাড়তে চাচ্ছে। এসময় মিমের চারিত্রিক ত্রুটি নিয়ে পাল্টা অভিযোগ করেন। জবাবে মিমও আবার সিদ্দিকের চরিত্র নিয়ে কথা বলেন। পরনারীতে আসক্তির অভিযোগ করেন।

শুধু কি তাই? বিভিন্ন সময়ে সিদ্দিক তার ওপর নির্যাতন চালাতেন বলেও অভিযোগ তোলেন। এ কারণে স্বামী হিসেবে সিদ্দিককে ব্যর্থ দাবি করে তার জীবন থেকে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। গত ১৯ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে সিদ্দিককে বিচ্ছেদের চিঠিও পাঠান।

সর্বশেষ সোমবার (২১ অক্টোবর) ফেসবুকে দীর্ঘ স্ট্যাটাস লিখেছেন মিম। তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে বলেছেন, আজ আমি একজন মেয়ে বলেই আমাকে সব কিছু মেনে নিতে হবে। মেনে নিতে হবে সকল অত্যাচার, সহ্য করতে হবে সকল মানসিক এবং শারীরিক নির্যাতন। শুনতে হবে সকল মিথ্যা অপবাদ। রাতের পর রাত, দিনের পর দিন সবকিছু সহ্য করেছি এবং একা একা কেঁদেছি।…

…একটা মেয়ে তার সবকিছু ছেড়ে দিয়ে একটা নতুন মানুষের সাথে ঘর বাঁধে, স্বপ্ন দেখে সারাজীবন একসাথে থাকবে, স্বপ্ন দেখে সুন্দর একটা সংসার। কিন্তু সেই মানুষটা যখন বদলে যায় এবং ভুলে যায় স্ত্রীর প্রতি সমস্ত দায়িত্ববোধ এবং কর্তব্যবোধ তখন হতাশা আসে।

কীভাবে একজন স্ত্রী মেনে নিতে পারে তার স্বামীর সাথে অন্য মেয়ের সম্পর্ক, কীভাবে মেনে নিতে পারে রাতের পর রাত স্বামীর বাসায় না ফেরা। কারণ সে একজন নারী এবং নারী বলেই সবকিছু চোখ বন্ধ করে সহ্য করতে হবে। কিন্তু আর কত সহ্য করবো, আর কতবার নির্যাতনের শিকার হবো।

তাই সবকিছুর পরে অনেক চিন্তা ভাবনা করে আমি ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত নেই। কারণ আমিও মানুষ, আমারও সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার অধিকার আছে।

মডেল ও অভিনেত্রী মারিয়া মিমকে ভালোবেসে ২০১২ সালের ২৪ মে বিয়ে করেন অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমান।