দেশের প্রথম ডোমেইন মার্কেট প্লেস ‌‘ডুডিয়াস’

আগের সংবাদ

বসুন্ধরায় দুই বাংলার তারার মেলা

পরের সংবাদ

বন্যপ্রাণির অবৈধ চামড়ায় হ্যান্ডিক্রাফট শিল্প

প্রকাশিত হয়েছে: অক্টোবর ২১, ২০১৯ , ৯:১৪ অপরাহ্ণ | আপডেট: অক্টোবর ২১, ২০১৯, ৯:১৭ অপরাহ্ণ

Avatar

বন্যপ্রাণি সংরক্ষণ নিরাপত্তা আইনে বন্যপ্রাণি হত্যা কিংবা চামড়া ব্যবহার নিষিদ্ধ হলেও রাজধানীর পরিবাগে এসবের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে শিল্পকারাখানা। সামুদ্রিক শৈবাল থেকে শুরু করে চিতাবাঘের চামড়া দিয়ে সেখানে তৈরি করা হচ্ছে বিভিন্ন পণ্য ‍ও ট্রফি। দীর্ঘদিন ধরেই ‘ক্রাফট এন্ড ক্রাফট’ নামের ওই হ্যান্ডিক্রাফটে এসব পণ্য প্রকাশ্যে বিক্রি হলেও কারো নজরে পড়েনি।

গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার (২১ অক্টোবর) রাজধানীর পরিবাগের ওই হ্যান্ডি ক্রাফটে অভিযান চালায় বনবিভাগের ওয়াইল্ডলাইফ ক্রাইম কন্ট্রোল (বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন) ইউনিট। অভিযানে প্রতিষ্ঠানটি থেকে বিপুল পরিমাণ বন্যপ্রাণির চাড়মা জব্দ করা হয়। এর মধ্যে সামুদ্রিক প্রবাল থেকে শুরু করে চিতাবাঘ, হরিণ, বানর ও সাপসহ ২৮৮টি চামড়া উদ্ধার করা হয়।

র‌্যাব-৩ এর সহায়তায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলমের ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ‘ক্রাফট’ হ্যান্ডি ক্রাফটের স্বত্বাধিকারী মমিনুল ইসলাম ও হুমায়ুন কবীরকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও এক বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়।

বনবিভাগের ওয়াইল্ডলাইফ ক্রাইম কন্ট্রোল (বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন) ইউনিটের পরিদর্শক অসীম কুমার বলেন, আমাদের কাছে গোয়েন্দা তথ্য ছিল যে পরীবাগ সুপার মার্কেটে বণ্যপ্রাণির চামড়া দিয়ে বিভিন্ন ট্রফি ও সরঞ্জাম বানিয়ে বিক্রি করছে প্রতিষ্ঠানটি। বন্যপ্রাণি সংরক্ষণ নিরাপত্তা আইনের ৩৪-এর খ ধারায় এটা গুরুতর আপরাধ।

অভিযানে ‘ক্রাফট এন্ড ক্রাফট’ থেকে একটি চিতাবাঘের চামড়া, দুটি লজ্জাবতী বানরের চামড়া, ২২৭টি গুই সাপের চামড়া, ৩২টি হরিণের চামড়ার ব্যাগ ও একটি শিং উদ্ধার করা হয়। এছাড়াও একটি মেছো বাঘের চামড়া, একটি বন্য বিড়ালের চামড়া, সাপের চামড়ার দুটি মানিব্যাগ ও ২১টি ব্যাগসহ তিনটি সামুদ্রিক প্রবাল উদ্ধার করা হয়।