'টিম ক্যাটালিস্ট'র প্যানেল ঘোষণা

আগের সংবাদ

আজীবন সম্মাননায় ভূষিত হলেন আনোয়ারা-রঞ্জিত

পরের সংবাদ

নিখোঁজের ৮দিন পর এক ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত হয়েছে: অক্টোবর ২১, ২০১৯ , ১০:১৫ অপরাহ্ণ | আপডেট: অক্টোবর ২১, ২০১৯, ১০:১৫ অপরাহ্ণ

Avatar

নিখোঁজের ৮দিন পর রাজধানীর খিলগাঁও নাগদারপাড় একটি ঝিলের পানির থেকে জাকির হোসেন (৪৬) নামের এক ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তার গলায় ডিসের তার দিয়ে প্যাচানো পানির নিচের একটি খুটির সাথে বাধা ছিলো।

সোমবার (২১ অক্টোবর) বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে পুলিশ মৃতদেহটি উদ্ধার করে। পরে রাত সাড়ে ৯টার দিকে ময়না তদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। ৩/৪ মাস আগেও তাকে একবার হত্যার চেষ্টা হয়েছিলো।

নিহতের ভায়রা মোঃ আফসার উদ্দিন জানান, জাকির সবুজবাগ দক্ষিনগাঁও ৩ নম্বর রোডে থাকতেন। তার বাবার নাম নাজিম উদ্দিন। ৩ মেয়ের জনক ছিলেন তিনি। স্ত্রীর নাম কুলসুম আক্তার। এক বছর আগে এলাকায় সমবায় সমিতি চালাতো তিনি। এখন তেমন কিছুই করেন না।

নিহত জাকিরের স্ত্রী কুলসুম জানান, প্রতিদিন বিকালে বাসা থেকে হাঁটতে বের হয় তার স্বামী জাকির। গত ১৪ অক্টোবর বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে বাসা থেকে বের হয়। এরপর সন্ধ্যার দিকে ফোনে জানায় কিছুক্ষনের মধ্যে বাসায় ফিরবে সে। এরপর অনেক সময় পেরিয়ে গেলেও বাসায় না ফেরায় রাত ৯টার দিকে ফোন দিলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। ওই রাত থেকেই বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ করেও তাকে পাওয়া যায়নি। এর পর দিন ঝিলের পাড় থেকে জাকিরের মোবাইল ও স্যান্ডেল পাওয়া যায়। তখন ওই এলাকার বিভিন্ন জায়গায় তাকে খোঁজাখুঁজিও করা হয়। তবে পাওয়া যায়নি।

নিহত জাকিরের ভায়রা মোঃ আফসার উদ্দিন জানান, ১৫ অক্টোবর রাতে খিলগাঁও থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করা হয়। পরে আজকে বিকালে পুলিশ খবর দেয় নাগদারপাড় ঝিলের পানি থেকে একটি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরে তারা সেখানে গিয়ে জাকিরের পরনের শার্ট দেখে মৃতদেহ সনাক্ত করেন পরিবারের সদস্যরা।

পরিবারের অভিযোগ, জাকিরকে খুন করে মৃতদেহ ঝিলে পানির নিচে খুঁটির সাথে বেধে রেখে দিয়েছে খুনিরা। ৩/৪ মাস আগে বাসার সামনে রাতে কয়েকজন দুর্বৃত্ত জাকিরের গলায় ছুরিকাঘাত করে ফেলে রেখে গিয়েছিলো। পরে দীর্ঘদিন ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসা নিয়ে তিনি সুস্থ্য হয়েছেন।

খিলগাও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মশিউর রহমান বলেন, সোমবার বিকালে নাগদারপাড় ঝিলে ছোট ছেলেরা খেলা করার সময় পানিতে মৃতদেহ দেখতে পায়। পরে খবর পেয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ সময় তার গলায় ডিসের তার দিয়ে বাধা ছিলো এবং ডান হাত শরীরের সাথে বিচ্ছিন্ন। মৃতদেহটি পচে ফুলে গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, একসপ্তাহ আগে গলায় তার পেচিয়ে হত্যা করে মৃতদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে পানিতে ফেলে দেয়। বিস্তারিত জানার চেষ্টা চলছে। ময়না তদন্ত প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানান ওসি।