সাংবাদিক দিল মনোয়ারা মনু আর নেই

আগের সংবাদ

‘আমার বউয়ের বিয়ে’

পরের সংবাদ

রোনালদোর নামে পর্তুগালে স্টেডিয়াম

প্রকাশিত হয়েছে: অক্টোবর ১৪, ২০১৯ , ১১:১৫ পূর্বাহ্ণ | আপডেট: অক্টোবর ১৪, ২০১৯, ২:১৪ অপরাহ্ণ

Avatar

মাঠে একজন ফুটবল খেলোয়াড়ের উদ্দেশ্য ও মূল লক্ষ্য থাকে গোল করে দলকে জেতানো। তাই গোল করে রেকর্ড গড়ে যাওয়ার জন্যই যেন জন্ম হয়েছে পর্তুগালের তারকা ফুটবলার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর। ৩৪ বছর বয়সী এ তারকা মাঠে ফুটবল নিয়ে দৌড় শুরু করলে প্রতিপক্ষের গোলকিপারের হৃদস্পন্দন বেড়ে যায়।

শুক্রবার (১০অক্টোবর) রাতেই লুক্সেমবার্গের বিপক্ষে করে ফেলেছেন ক্যারিয়ারের ৬৯৯তম গোল। আর একটি হলেই স্পর্শ করে ফেলবেন ৭০০তম গোলের মাইলফলক। তাই পর্তুগিজরা রোনালদোকে স্মরণীয় এবং বরণীয় করে রাখতে আয়োজনের কমতি রাখেনি। তবে স্পোর্টিং সিপি কর্তৃপক্ষ যে আয়োজন করেছে তা সত্যিই অবিশ্বাস্য। কারণ পর্তুগিজ ক্লাবটি রোনালদোর খেলায় মুগ্ধ হয়ে তাদের স্টেডিয়ামের নামই বদলে ফেলছে। তারা এখন নাম রাখছে রোনালদোর নামেই। স্পোর্টিং সিপির প্রেসিডেন্ট ফ্রেডেরিকো ভ্যারান্দাস ঘোষণা দিয়েছেন, এস্টাডিও হোসে আলভালাদের নামই পরিবর্তন করে ফেলবেন। নাম দেবেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো স্টেডিয়াম।

এ ছাড়া পর্তুগিজ সংবাদ তুত্তোস্পোর্টকে দেয়া সাক্ষাৎকারে ভ্যারান্দাস বলেন, স্টেডিয়ামকে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো হিসেবে নামকরণ করার একটা প্রস্তাব আমাদের কাছে এসেছে। আমরাও এর বিপক্ষে নই। যদি এটা বাস্তবায়ন হয়, তাহলে তা হবে আমাদের জন্য বড় একটি গর্বের বিষয়।

রোনালদোর প্রশংসায় তিনি আরো বলেন, ক্লাবের ইতিহাসে সব সময়ের জন্যই রোনালদো হয়ে থাকবেন একটি গর্বের প্রতীক হিসেবে। তার সঙ্গে সংযুক্ত আমরা, এটা ভাবতেই নিজেদের গর্বিত মনে করি, যে বিশ^সেরা ফুটবলারের নামটির সঙ্গে আমাদের নামও উচ্চারিত হয়।

ফুটবলে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর কৃতিত্বের আর অর্জনের শেষ নেই। ১২ বছর বয়সেই স্পোর্টিং সিপি ক্লাবটিতে যোগ দেন তিনি এবং ২০০২-০৩ মৌসুমে এই ক্লাবের হয়েই ক্লাব ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন ক্রিশ্চিয়ানো। ২০০২ সালের ৭ অক্টোবর, সিপির হয়ে তাদের পুরনো স্টেডিয়ামে মরেইরেনসের বিপক্ষে প্রথম গোলটি করেছিলেন সিআর সেভেন। এরপর ২০০৩ সালেই স্পোর্টিং সিপির নতুন স্টেডিয়াম, এস্টাডিও হোসে আলভালাদের উদ্বোধনী ম্যাচে ম্যানইউর বিপক্ষে দুর্দান্ত নৈপূর্ন প্রদশন করেছিলেন তিনি। তাই কিশোর বয়সেই রোনালদোর ওপর চোখ পড়ে যায় ম্যানইউর কিংবদন্তি কোচ স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসনের এবং তাকে তিনি কিনে নিয়ে যান ম্যানচেস্টারে। তার আগে সিপির হয়ে ৩১ ম্যাচ খেলে ৫ গোল করেছিলেন তিনি।

বিষয়:
  • আরও পড়ুন
  • লেখকের অন্যান্য লেখা