সব কোচিং সেন্টার ২৫ অক্টোবর থেকে বন্ধ

আগের সংবাদ

ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ ও র‌্যাগিং বন্ধে রিট

পরের সংবাদ

নেশায় ক্যারিয়ার শেষ

প্রকাশিত হয়েছে: অক্টোবর ১৩, ২০১৯ , ২:০৩ অপরাহ্ণ | আপডেট: অক্টোবর ১৩, ২০১৯, ২:০৩ অপরাহ্ণ

Avatar

প্রত্যেকেই দক্ষ অভিনেতা-অভিনেত্রী। অথচ অ্যালকোহল এবং ড্রাগের নেশা তাদের ক্যারিয়ার শেষ করে দিয়েছিল এমন কয়েকজন তারকাদের কথা তুলে ধরা হলো মেলার এ আয়োজনে

ধর্মেন্দ্র
১৫ বছর ধরে অ্যালকোহলের নেশায় বুঁদ ধর্মেন্দ্র। তার ছবি ‘ইয়েমলা পাগলা দিওয়ানা’ মুক্তি পাওয়ার সময় তিনি নিজে মুখে স্বীকারও করেন যে, তার ক্যারিয়ার অ্যালকোহলের জন্য শেষ হয়ে গিয়েছিল।
মীনা কুমারী
বলিউডের ট্র্যাজেডি কুইন। এই নামেই তিনি জনপ্রিয় ছিলেন। সাহেব বিবি গোলাম ফিল্মে অ্যালকোহলিক স্ত্রীয়ের ভ‚মিকায় অভিনয় করেছিলেন তিনি। তার অভিনয় ভীষণ প্রশংসিত হয়েছিল। পরে বাস্তবেও তিনি অ্যালকোহলের নেশায় ডুবে যান। লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত হয়ে মাত্র ৪০ বছর বয়সে তার মৃত্যু হয়।
বিজয় রাজ
না জেনে কাকের মাংসের বিরিয়ানি খেয়ে ফেলেছিলেন। কথা বলতে গেলেই ‘কা কা’ শব্দ বেরুচ্ছিল মুখ থেকে। রান-এর সেই কৌয়া বিরিয়ানি অভিনেতা বিজয় রাজ ২০০৫ সালে দুবাই পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। তার সঙ্গে বেআইনি ড্রাগ ছিল। ড্রাগের নেশার ছাপ পড়ে তার ক্যারিয়ারেও।
মনীষা কৈরালা
মনীষা কৈরালা তখন তার ক্যারিয়ারের শীর্ষে, সে সময়ই তিনি অ্যালকোহলে নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়েন। মনে করা হয়, তার স্বামী সম্রাট দাহালের সঙ্গে তার সম্পর্কের অবনতিই এই নেশার কারণ। ডিভোর্সের পর তার জরায়ুতে ক্যান্সার হয়। চিকিৎসা করিয়ে এই মারণরোগের সঙ্গে তিনি যুদ্ধ করে চলেছেন এখন।
দিব্যা ভারতী
মাত্র ১৯ বছর বয়স থেকেই অ্যালকোহলের নেশা চেপে ধরে তাকে। এই নেশা শুধু তার ক্যারিয়ারও ধ্বংস করে দেয়নি, সাততলা থেকে তিনি পড়ে গিয়ে মারা যান। পরে ময়নাতদন্তে জানা গিয়েছিল, ওই সময় অত্যধিক অ্যালকোহল সেবন করেছিলেন তিনি।
পারভীন ববি
এক সময়ের ভীষণ গর্জিয়াস এই নায়িকার জীবন কিন্তু খুবই হতাশার। মহেশ ভাটের সঙ্গে তার বিচ্ছেদের পর তিনি এলএসডিতে আসক্ত হয়ে পড়েন। তার পাশাপাশি চলত বাঁধনহীন অ্যালকোহল সেবন। এই অভ্যাস শুধু তার ক্যারিয়ারই শেষ করে দেয়নি, জীবনটাও শেষ করে দিয়েছিল।
রাজেশ খান্না
দীর্ঘ সময় তিনি ইন্ডাস্ট্রিতে রাজ করেছেন। তার ১৫টা ফিল্ম পর পর সুপার হিট হয়েছিল। কিন্তু এই স্টারডম সামলাতে পারেননি তিনি। নেশাগ্রস্ত হয়ে যান। সারাদিনই অ্যালকোহল তার সঙ্গী ছিল। লিভার খারাপ হয়ে যায়।
সঞ্জয় দত্ত
মুন্নাভাইকে ড্রাগ এবং অ্যালকোহলের নেশার জন্য অনেক মূল্য চোকাতে হয়েছে। ক্যারিয়ারে প্রচুর ক্ষতি তো হয়েইছে, পাশাপাশি তার প্রেমিকা টিনা মুনিমও তাকে ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন এই নেশার জন্য।
ফারদিন খান
বলিউড তাকে প্রায় ভুলতেই বসেছে। তিনি একসময় ড্রাগের নেশায় বুঁদ ছিলেন। কোকেইন কিনতে গিয়ে গ্রেপ্তারও হয়েছিলেন।
হানি সিং
র‌্যাপার-গায়ক হানি সিংও অ্যালকোহল এবং ড্রাগের নেশায় বুঁদ হয়ে গিয়েছিলেন এক সময়। এই নেশা তাকে এতটাই কাবু করে ফেলেছিল যে, রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারে তাকে থাকতে হয়েছিল চিকিৎসার জন্য। হ মেলা ডেস্ক