তার ভূমিকা ছিল আধুনিক ফোকলরবিদদের মতোই

আগের সংবাদ

৫৯ এমপির সাধারণ পাসপোর্ট নিয়ে সন্দেহ অলির

পরের সংবাদ

মাদক নির্মূলে ত্রিদেশীয় বৈঠক আহ্বান ভারতের

প্রকাশিত হয়েছে: অক্টোবর ১০, ২০১৯ , ৭:৫৬ অপরাহ্ণ | আপডেট: অক্টোবর ১০, ২০১৯, ৮:১৯ অপরাহ্ণ

Avatar

মিয়ানমারেই তৈরি হয় মরণঘাতক ইয়াবা। যা সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতে ভয়াবহ রুপ ধারণ করেছে। এ সমস্যা সমাধানে মিয়ানমারের সঙ্গে ত্রিদেশীয় বৈঠক করার আহ্বান জানিয়েছে ভারত। বাংলাদেশও এ আহ্বানে সাড়া দিয়ে প্রয়োজনে ওই বৈঠক আয়োজনের জন্য ইচ্ছা পোষণ করেছে।

বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে মাদকের মহাপরিচালক পর্যায়ে দু’দিন ব্যাপী অনুষ্ঠিতব্য ৬ষ্ঠ দ্বিপাক্ষিক সভার প্রথম দিনে এ আহ্বান জানানো হয়। বৈঠক দুপুর ১টায় শুরু হয়ে বিকেল ৪টায় শেষ হয়।

এতে উপস্থিত ছিলেন, ভারতের মাদক নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) রাকেশ আস্থানার নেতৃত্বে ১১ সদস্যের টিম। বাংলাদেশের পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করেন মাদক নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের ডিজি মো. জামাল উদ্দিন আহমেদসহ ২১ সদস্যের টিম।

এ সময় ২০১৬ সালের ২১ ও ২২ ডিসেম্বর ভারতের নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত বৈঠকে নেয়া সিদ্ধান্তগুলো নিয়েও আলোচনা করা হয়।

বৈঠক শেষে মাদক ডিজি জামাল উদ্দিন বলেন, ভারত থেকে দীর্ঘ দিন ধরে ফেন্সিডিল প্রবেশ করছে। পাশাপাশি ভারতের বিশাল অংশে গাঁজা চাষ হচ্ছে। সম্প্রতি সময়ে ইয়াবাও আসছে। আমরা এ বিষয়গুলি ভারতকে জানিয়েছি। তারা এগুলো বন্ধ করতে সব ধরনের পদক্ষেপ নিবে বলে আশ্বস্ত করেছে। একই সঙ্গে জানিয়েছে, ভারতে ইয়াবা তৈরি হয় না। মিয়ানমার থেকে ইয়াবা ভারতে যায়। পরে ভারতকে রুট হিসেবে ব্যবহার করে বাংলাদেশে পাঠানো হয়। ইয়াবার ছোবল থেকে ভারত ও বাংলাদেশকে বাঁচাতে মিয়ানমারের সঙ্গে ত্রিদেশীয় বৈঠক করার আহ্বান জানানো হয়। বাংলাদেশ এ আহ্বানকে স্বাগত জানিয়ে প্রয়োজনে আয়োজক হওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেছে।

জামাল উদ্দিন আরো বলেন, ২০১৬ সালে ৫ম ডিজি পর্যায়ের বৈঠকের পর এ যাবতকাল বাংলাদেশ ও ভারতে গ্রেপ্তারকৃতদের তথ্য আদানপ্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি মানি লন্ডারিংয়ের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। সেই সঙ্গে, দুদেশে যে মাদক কারবারি গ্রেপ্তার হবে সে বিষয়ে তাৎক্ষণিক আলাপ আলেঅচনা করা হবে।

ভারতের মাদক নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের ডিজি রাকেশ আস্থানার বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত পরস্পরের সমস্যা সমাধানে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে ভারতের বিশাল অংশ দিয়ে মাদক প্রবেশ করছে। পাশাপাশি ভারতের অনেক জমিতে গাঁজা ও পপি চাষ হচ্ছে। আমরা এটি বন্ধ করতে সব ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছি।