রিশা হত্যায় ওবায়দুলের মৃত্যুদণ্ড

আগের সংবাদ

মিরপুরে স্বামী-স্ত্রী-সন্তানের লাশ উদ্ধার

পরের সংবাদ

জাতীয় স্বাস্থ্যনীতিতে প্রশমন সেবা অন্তর্ভুক্ত করার দাবি

প্রকাশিত হয়েছে: অক্টোবর ১০, ২০১৯ , ৪:২৯ অপরাহ্ণ | আপডেট: অক্টোবর ১০, ২০১৯, ৪:২৯ অপরাহ্ণ

Avatar

বিশ্বব্যাপী প্রতি বছর প্রায় আড়াই কোটি মানুষের জীবনের শেষ দিনগুলিতে প্যালিয়েটিভ কেয়ারের (প্রশমন) সেবার প্রয়োজন হয়। সারা বিশ্বের এই চাহিদার ১০ শতাংশেরও কম পূরণ করা সম্ভব হয়। বাংলাদেশে বছরের যে কোনো সময় প্রায় ৬ লক্ষ মানুষের প্রশমন সেবার প্রয়োজন। ইকোনমিস্ট জার্নালের তথ্য অনুযায়ী প্যালিয়েটিভ কেয়ারের প্রাপ্যতার বিচারে পৃথিবীর ৮০টি দেশের মাঝে বাংলাদেশের অবস্থান ৭৯তম। সারা দেশে বিক্ষিপ্ত ভাবে মাত্র অল্প কিছু স্থানে এই সেবার প্রচলন আছে।

১২ অক্টোবর বিশ্ব হসপিস অ্যান্ড প্যালিয়েটিভ কেয়ার দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ডা. মিল্টন হলে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে আরও জানানো হয়, সার্বজনীন স্বাস্থ্যব্যবস্থার প্রতি বাংলাদেশের সুদৃঢ় অবস্থানের অঙ্গীকারকে সম্মান জানিয়ে জাতীয় স্বাস্থ্যনীতিতে প্রশমন সেবাকে অন্তর্ভুক্তকরণের দাবী তুলে এবারের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য হলো ‘ আমার যত্ন আমার অধিকার’। সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া। বক্তব্য রাখেন উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো.শহীদুল্লাহ সিকদার, মেডিসিন অনুষদের ডীন অধ্যাপক ডা. মো. জিলন মিঞা সরকার, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. এ বিএম আব্দুল হান্নান, প্রক্টর অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মোজাফফর আহমেদ, প্যালিয়েটিভ মেডিসিন বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. নিজামউদ্দিন আহমদ প্রমূখ।

উপাচার্য বলেন, প্যালিয়েটিভ সেবা হলো সত্যিকার অর্থেই একটি মহতী সেবা কার্যক্রম। এটা হলো নিরাময় অযোগ্য রোগে আক্রান্ত, প্রান্তিক সময়ের মানুষ ও পরিবারের ভোগান্তি কমানোর একটি বিজ্ঞান সম্মত প্রচেষ্টা। নিরাময় অযোগ্য জীবন সীমিত রোগে আক্রান্ত মৃত্যু পথযাত্রী মানুষ যথাযথ চিকিৎসাসেবা এবং পরিচর্যা পাওয়ার অধিকার রাখে।