কাতার বধের ছক কষছেন জেমি ডে

আগের সংবাদ

সিঁদুর উৎসব

পরের সংবাদ

ফেনী নদীর নাম হোক ‘আবরার নদ’: রিজভী

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশিত হয়েছে: October 8, 2019 , 2:48 pm

ভারতের সাথে দেশ বিরোধী চুক্তির বিষয়ে কথা বলায় বুয়েটের মেধাবী শিক্ষার্থী আবরারকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ বলেন, দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার যুদ্ধে, দেশের মাটি, পানি রক্ষার যুদ্ধে প্রথম শহীদ আবরার ফাহাদ।

তিনি বলেন, ফেনী নদীর নাম হোক-‘আবরার নদ’। ক্ষমতাসীন আওয়ামী সরকারের মাটি বিক্রি, পানি বিক্রি, দেশ বিক্রির অমানবিক নষ্টবুদ্ধির বিরুদ্ধে সকলকে মৃত্যুপণ যুদ্ধে অবতীর্ণ হতে হবে। ক্ষমতাসীনদের মূঢ় অহমিকার বিরুদ্ধে সকলকে প্রতিরোধে সামিল হতে হবে। আমরা আবরার ফাহাদকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় তীব্র নিন্দা, ধিক্কার ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। প্রকৃত হত্যাকারীদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি করছি।

মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শৃঙ্খলা ফেরাতে ছাত্রলীগ নিষিদ্ধের দাবি জানিয়ে রিজভী বলেন, ফেসবুকে দেশবিরোধী চুক্তির বিরুদ্ধে স্ট্যাটাস দেয়ার অপরাধে নারকীয় কায়দায় রাতভর নির্যাতন চালিয়ে ছাত্রলীগের ক্যাডাররা খুন করেছে বুয়েটের সোনার টুকরা মেধাবী ছাত্র আবরার ফাহাদকে। আবরার ফাহাদের মত নিরীহ নিরপরাধ দেশপ্রেমিক মেধাবী ছাত্রকে হত্যার মাধ্যমে ছাত্রলীগ প্রমাণ করেছে যে, শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে সাধারণ শিক্ষার্থীদের জান-মালের কোনো নিরাপত্তা নেই।

আবরার হত্যাকান্ডের ঘটনায় ক্ষমতাসীন দলের শীর্ষ নেতাদের নামে মামলা হওয়া উচিত মন্তব্য করে রিজভী বলেন, বাস পোড়ানোর মিথ্যা অভিযোগে যদি বিএনপি’র সিনিয়র নেতৃবৃন্দের নামে মামলা হয় তবে আবরার হত্যার জন্য ক্ষমতাসীনদের শীর্ষ নেতাদের নামে মামলা হবে কি না তা জাতি জানতে চায়। আবরার সত্য তথ্য উল্লেখ করে ফেসবুকে পোষ্ট দিয়েছিল, সেই পোষ্টে ঐসব চুক্তির অসঙ্গতি তুলে ধরেছিল, এজন্য তাকে জীবন দিতে হলো।

এক প্রশ্নের জবাবে রিজভী বলেন, দলমত নির্বিশেষে সবাইকে এই ভয়ঙ্কর হত্যাকান্ডের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে, যাতে আর কোন মায়ের কোল শূন্য না হয়। ভারতের সাথে অসম চুক্তির প্রতিবাদে ধাপে ধাপে বিএনপির পক্ষ থেকে রাজপথে কর্মসূচি দেয়া হবে।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবীর খোকন, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিমুজ্জামান সেলিম, আব্দুস সালাম আজাদ, সহ দফতর সম্পাদক মুহাম্মদ মুনির হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।