দেশের স্বার্থ বিকিয়ে দিয়েছে সরকার

আগের সংবাদ

লঙ্কা মাতাচ্ছেন মুমিনুল

পরের সংবাদ

শাবককে বাঁচাতে গিয়ে পরিবারের ছয় হাতির মৃত্যু

কাগজ ডেস্ক

প্রকাশিত হয়েছে: অক্টোবর ৬, ২০১৯ , ১:০০ অপরাহ্ণ

বিবিসিতে শনিবার (৫ অক্টোবর) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, থাইল্যান্ডের খাও ইয়াই জাতীয় উদ্যানে হেউ নারক ঝর্ণার উপর থেকে একটি বাচ্চা হাতি পা পিছলে পড়ে গেলে সেটিকে উদ্ধার করতে গিয়ে একে একে আরও সাতটি হাতি নিচে পড়ে যায়। এবং তাতে সাবক হাতিটিসহ আরো পাঁচটি হাতি সেখানেই মারা যায়। দুটি হাতি কোনো রকমে ঝর্ণার পাশে সরু খাঁড়িতে উঠে আসে। হাতি দুটোকে প্রাণপণে জীবন রক্ষার চেষ্টা করতে দেখতে পেয়ে উদ্যানের কর্মকর্তারা তাদের দড়ি দিয়ে বেঁধে টেনে উপরে তোলায় তারা প্রাণে বেঁচে যায়।

ঝর্ণার পাশে সরু খাঁড়িতে উঠে এসে প্রাণপণে জীবন রক্ষার চেষ্টা করে দুটো হাতি

থাইল্যান্ডের ডিপার্টমেন্ট অব ন্যাশনাল পার্ক, ওয়াইল্ডলাইফ অ্যান্ড প্লান্ট কনজারভেশনের (ডিএনপি) কর্মকর্তারা জানান, স্থানীয় সময় শনিবার ভোর ৩টার দিকে একদল হাতি হেউ নারক ঝর্ণার পাশের রাস্তা আটকে রাখলে উদ্যানের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে যায়। খোঁজাখুঁজির তিন ঘণ্টা পর তিন বছর বয়সের একটি বাচ্চা হাতির মৃতদেহ নিচে ঝর্ণার পানিতে খুঁজে পাওয়া যায়। তার আশপাশেই বাকি পাঁচটি হাতির মৃতদেহও খুঁজে পান তারা।

কর্মকর্তারা জানান তারা বেঁচে যাওয়া হাতি দুইটির চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন এবং সেগুলোকে সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রাখা হয়েছে। উদ্যানের কর্মকর্তারা জানান ওই ঝর্ণায় এ ধরনের দুর্ঘটনা খুব একটা ঘটে না। উদ্যানটির মালিক এডউইন উইক বিবিসিকে বলেন, “এটা অনেকটা পরিবারের অর্ধেক সদস্যদের হারিয়ে ফেলার মত। এখানে করার কিছুই ছিল না। দুর্ভাগ্যজনকভাবে এটাই নিয়তি।”

এর আগে ১৯৯২ সালে এই ঝর্না নিচে আটটি হাতি মারা যায় বলে জানা গেছে। এই ঘটনার পর হেউ নারক ঝর্ণাটি সাময়িক বন্ধ রাখা হয়েছে। থাইল্যান্ডে এই উদ্যানের প্রায় ৭৭২ বর্গ মেইল জুড়ে প্রায় ৩০০ বন্য হাতির বসবাস এবং থাইল্যান্ডে প্রায় সাত হাজার এশীয় হাতির বাস। যার অর্ধেকের বেশি হাতি বিভিন্ন অভয়াশ্রম ও উদ্যানে বন্দি রয়েছে।