প্রাণীর প্রতি মানবিক হই

আগের সংবাদ

দাম্পত্য জীবনের রজতজয়ন্তী

পরের সংবাদ

শিল্পী সমিতির নির্বাচনে একাই লড়বেন মৌসুমী

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশিত হয়েছে: অক্টোবর ৪, ২০১৯ , ৪:৪১ অপরাহ্ণ

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন আগামী ২৫ অক্টোবর। ২০১৯-২১ এই মেয়াদের এবারের নির্বাচনে আগে থেকেই শোনা যাচ্ছিলো দুটি প্যানেল নির্বাচন করবে। একটি মিশা সওদাগর-জায়েদ খান, অন্যটি মৌসুমী-ডি এ তায়েব। মৌসুমীর প্যানেল থেকে এর আগে ফেরদৌস, রিয়াজ, পূর্ণিমা, পপি, নিপুণ, ইমনসহের অনেকের নির্বাচন করার কথা ছিলো। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মৌসুমী একাই মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন। যদিও ২১টি পদের বিপরীতে ৩০টি ফরম কিনেছিলেন তিনি।
মৌসুমী স্বতন্ত্র সভাপতি প্রার্থী হিসেবে এবারের নির্বাচনে লড়বেন বলে জানা গেছে। এ প্রসঙ্গে মৌসুমী বলেন, ‘প্যানেল করতে পারলাম না। স্বতন্ত্রভাবে সভাপতি পদে মনোনয়নপত্র জমা দিলাম। কারণ, আমি এখন একা। যাঁরা আমাকে সভাপতি করে প্যানেল তৈরিতে পরামর্শ, সাহস দিয়েছিলেন, তাঁরা সরে গেছেন। নির্বাচনে আমার সঙ্গে কেউ নেই।’
তিনি আরও বলেন, ‘কয়েক দিন ধরে একটি মহল আড়াল থেকে বাধা সৃষ্টি করে আসছিল। আমার সঙ্গে যারা ছিলেন, সবাইকে নির্বাচন না করতে প্রভাবিত করেছেন। এমনকি আমাকেও সরে যাওয়ার জন্য বলা হয়েছে। এটা কাম্য নয়। শিল্পী সমিতি একটি পরিবার। এমনটিই জেনেছি সব সময়। কিন্তু এবার নির্বাচনে এসে অনেক কিছুই দেখছি। যা একজন শিল্পী হিসেবে প্রত্যাশা করিনি আমি।’
ব্যান্ড পার্টি নিয়ে নির্বাচনী কার্যালয়ে আসে মিশা-জায়েদ প্যানেল। বিকেল পাঁচটা বাজার কয়েক মিনিট আগে তারা প্রধান নির্বাচন কমিশনারের হাতে ২১ সদস্যের প্যানেল জমা দেন।
মনোনয়নপত্র তোলার পরও জমা না দেওয়া প্রসঙ্গে ডি এ তায়েব বলেন, ‘শিল্পী সমিতির গঠনতন্ত্রে নাকি আছে, প্রথম শ্রেণির কোনো কর্মকর্তা এ ধরনের নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন না। বিষয়টি আমি জানতাম না। শিল্পী সমিতি থেকেও আমাকে গঠনতন্ত্রের কাগজপত্র দেওয়া হয়নি। এরপর জ্যেষ্ঠ অভিনেতা সোহেল রানা আমাকে বিষয়টি জানালে আমি আর মনোনয়নপত্র জমা দিইনি।’
মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করে ৫ অক্টোবর বিকেল পাঁচটায় প্রার্থীদের খসড়া তালিকা প্রকাশ করা হবে। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন ৭ অক্টোবর। সেদিনই চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশিত হবে।