দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতি পরিচালনায় প্রধানমন্ত্রীর ৪ প্রস্তাব

আগের সংবাদ

ত্রিমুখী লড়াইয়ের আভাস

পরের সংবাদ

বিন্দিয়ার গানে মাতলো জাদুঘরের সন্ধ্যা

প্রকাশিত হয়েছে: অক্টোবর ৪, ২০১৯ , ১১:১৪ অপরাহ্ণ | আপডেট: অক্টোবর ৫, ২০১৯, ১:১৭ পূর্বাহ্ণ

Avatar

দেশ প্রেমের অনুভূতি ছড়িয়ে প্রথমেই ‘একবার যেতে দেনা’ গান দিয়ে জাতীয় জাদুঘরে শুরু হয় শিল্পী বিন্দিয়া খানের একক সঙ্গীত সন্ধ্যাটি। এরপর একে একে তার কণ্ঠে বেজে ওঠে সোনালি দিনের অমর সুরের গানগুলো। জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তনে তখন উপচে পড়া দর্শক শ্রোতা। আলোর ঝর্ণাধারা যেন বইছিল গানের সুরের তালে তালে।

ভারত উপমহাদেশের প্রখ্যাত সঙ্গীতসাধক ওস্তাদ গুল মোহাম্মদ খানের নাতনী ও ওস্তাদ মোহাম্মদ ইয়াসিন খানের সুযোগ্য কন্যা বিন্দিয়া খানের গান যেন দর্শক হৃদয় দিয়ে অনুভব করছিলেন। সঙ্গীত পরিবার থেকে বেড়ে ওঠা তরুণ শিল্পী বিন্দিয়ার কণ্ঠের চিরচেনা গান সবাইকে অন্যরকম স্পর্শ দিয়ে যাচ্ছিল।

বিন্দিয়ার গাওয়া ‘একি সোনার আলোয়’, ‘মন বলে’, ‘কি যে করি’, ‘মায়াবন বিহারিণী’, ‘কেন জানি না’, ‘দু’কথা কহিতে’, ‘খুঁজবে আমায়’, ‘বিমূর্ত এই রাত্রি’, ‘দিল কিয়া চিজ’, ‘দিন চলে যায়’, ‘তুমি বিনা এ ফাগুন’, ‘এই দুনিয়া এখন তো আর’, ‘মেরা ঢোলন’, ‘অনেক বৃষ্টি ঝড়ে’, ‘তু যাহা যাহা’, ঠুমরী, ‘দামা দাম মাস্ত’ গান মুগ্ধ হয়ে শুনেছে গোটা মিলনায়তন ভরা মানুষ।

শুক্রবারের (৪ অক্টোবর) জাদুঘরের সন্ধ্যা এভাবেই সুরে সুরে ভরে উঠেছিল। জাতীয় জাদুঘর ও সুরাঙ্গনা সাংস্কৃতিক সংঘ যৌথভাবে আয়োজন করে এ মনোজ্ঞ সঙ্গীত সন্ধ্যার। জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক মো. রিয়াজ আহম্মদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন সঙ্গীতজ্ঞ আজাদ রহমান, মিসেস সেলিমা আজাদ এবং সারগম পত্রিকার সম্পাদক কাজী রওনক হোসেন।

শুরুতেই আলোচনা অনুষ্ঠানে রিয়াজ আহম্মদ ভারত উপমহাদেশের বিখ্যাত সঙ্গীত পরিবার থেকে বেড়ে ওঠা তরুণ শিল্পী বিন্দিয়া খানের সাফল্য কামনা করেন। স্বাগত বক্তব্যে জাতীয় জাদুঘরের সচিব আবদুল মজিদ বলেন, জাতীয় জাদুঘর সর্বদাই দেশের গুণী শিল্পীদের নিয়ে, স্মরণীয় বরণীয় ব্যক্তিদের নিয়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করে। আমরা শিল্পী বিন্দিয়া খানের শুভকামনা করছি। বিন্দিয়া খান যেন আর বড়মাপের সঙ্গীতশিল্পী হতে পারেন এবং তাঁর সঙ্গীত চর্চা যেন সার্থক হয়।