শিল্পী সমিতির নির্বাচনে একাই লড়বেন মৌসুমী

আগের সংবাদ

মোশাররফ করিমের নতুন ধারাবাহিক

পরের সংবাদ

দাম্পত্য জীবনের রজতজয়ন্তী

প্রকাশিত হয়েছে: অক্টোবর ৪, ২০১৯ , ৪:৪৫ অপরাহ্ণ | আপডেট: অক্টোবর ৪, ২০১৯, ৪:৪৫ অপরাহ্ণ

Avatar

চলচ্চিত্রের আদর্শ তারকা দম্পতি হিসেবে সবসময়ই সবার কাছে সমাদৃত তারকা জুটি নাইম-শাবনাজ। সেই তারকা জুটি তাদের দাম্পত্য জীবনের রজত জয়ন্তী পূর্ণ করলেন আজ। ১৯৯৪ সালের ৫ অক্টোবর রাজধানীর লালমাটিয়াতে শাবনাজের বাসায় নাইম শাবনাজের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছিলো। এরপর থেকে বিগত পঁচিশটি বছর তারা সুখে দু:খে একসঙ্গে আছেন। তারা দুই গর্বিত কন্যা সন্তানের মা। বড় মেয়ে নামিরা উচ্চশিক্ষার জন্য কানাডায় আছেন এবং ছোট মেয়ে মাহাদিয়া রাজধানীর উত্তরার আগা খাঁ’তে পড়াশুনা করছেন। মাহাদিয়া আবার একজন গায়িকা হিসেবেও এরইমধ্যে বেশ প্রশংসিতও হয়েছেন। ১৯৯১ সালের ৪ অক্টোবর এহতেশাম পরিচালিত ‘চাঁদনী’ সিনেমাতে অভিনয়ের মধ্যদিয়ে দেশীয় চলচ্চিত্রে নাইম-শাবনাজ জুটির অভিষেক হয়। ঢাকাই চলচ্চিত্রে এই জুটির অভিষেকের মধ্যদিয়ে আরেক রোমান্টিক জুটির সফল যাত্রা শুরু হয়। এরপর একে একে এই জুটি দর্শককে উপহার দেন ‘দিল’, ‘সোনিয়া’,‘চোখে চোখে’, ‘বিষের বাঁশি’, ‘অনুতপ্ত’ ,‘টাকার অহংকার’, ‘সাক্ষাৎ’, ‘জিদ’, সহ আরো বেশকিছু চলচ্চিত্র। সর্বশেষ তারা দু’জন ‘ঘরে ঘরে যুদ্ধ’ চলচ্চিত্রে জুটি হয়ে অভিনয় করেছিলেন। নাইম সর্বশেষ ‘মেয়েরাও মাস্তান’ এবং শাবনাজ সর্বশেষ আজিজুর রহমানের ‘ডাক্তার বাড়ি’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। এরপর নাইম শাবনাজ জুটিকে আর চলচ্চিত্রে অভিনয়ে দেখা যায়নি। আলমগীর পরিচালিত ‘নির্মম’ সিনেমাতে অভিনয়ের জন্য শাবনাজ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ভূষিত হয়েছিলেন। দাম্পত্য জীবনের সাফল্যের পঁচিশ বছর পেরুনো প্রসঙ্গে নাইম বলেন,‘ আমার বাবা ইন্তেকাল করেন ১৯৯৪ সালের জানুয়ারিতে। বাবা মারা যাবার পর আমাকে শাবনাজই মানসিকভাবে অনেক সাপোর্ট দিয়েছে যা সে সময় আমার জন্য খুবই প্রয়োজন ছিলো। পরবর্তীতে আমরা বিয়ে করি। আমাদের ঘর আলোকিত করে নামিরা মাহাদিয়া আসে। আল্লাহর অশেষ রহমতে আমরা সবসময়ই সুখে ছিলাম, সুখেই আছি। আমার জীবনে শাবনাজের ভূমিকা অনেক বড়, এটা সত্যিই অল্প কথায় ব্যাখা করে বুঝানো সম্ভব নয়। জীবনের ক্রান্তিকালে শাবনাজ আমার হাতে হাত না রাখলে জীবনকে সামনের দিয়েখ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া আমার জন্য সত্যিই ডিফিকাল্ট হতো।’ শাবনাজ বলেন,‘ আজ এতোটা বছর পেরিয়ে এসে জীবনের ফেলে আসা দিনগুলোর কথা ভীষণভাবে মনে পড়ছে। মনে পড়ছে বিয়ের দিনটির কথা। খুব তাড়াহুড়ার মধ্যদিয়েই আমরা বিয়ে করেছিলাম। সেই থেকে আমরা সুখে দু:খে নানান চড়াই উৎরাই পেরিয়ে একসঙ্গে আছি, আল্লাহর রহমতে বেশ ভালো আছি, সুখে আছি। এখন যেভাবে আছি সারাটা জীবন যেন নাইমের সঙ্গে এভাবেই কাটিয়ে দিতে পারি-এর চেয়ে বড় চাওয়া আর কীইবা হতে পারে। আমার মেয়ে দু’জনের জন্য সবাই দোয়া করবেন।’ নাইম শাবনাজের নিজেদের অভিনীত সিনেমার মধ্যে ‘চাঁদনী’ ছাড়াও প্রিয় দুটি সিনেমা হচ্ছে আজিজুর রহমানের ‘দিল’ ও শিবলী সাদিকের ‘অনুতপ্ত’।

  • আরও পড়ুন
  • লেখকের অন্যান্য লেখা