ত্রিপুরায় আজ শুরু হচ্ছে বাংলাদেশি চিত্র প্রদর্শনী

আগের সংবাদ

অভিজ্ঞতার প্রমাণ দিচ্ছেন শফিউল

পরের সংবাদ

হাইকোর্টে আইনজীবীদের সঙ্গে মিন্নির সাক্ষাৎ

প্রকাশিত হয়েছে: সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৯ , ১২:০৯ অপরাহ্ণ | আপডেট: সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৯, ১:১২ অপরাহ্ণ

Avatar

বরগুনার রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় জামিনে থাকা নিহতের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি তার প্রধান আইনজীবীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। একই সঙ্গে উচ্চ আদালতে নিঃস্বার্থভাবে আইনি লড়াই করা অন্য আইনজীবীদের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন।

রোববার (২২ সেপ্টেম্বর) বেলা পৌনে ১১টার দিকে বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোরের সঙ্গে তিনি সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী জেডআই খান পান্নার কক্ষে যান। তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ও পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে পরামর্শ করেন। তবে আদালতের নিষেধ থাকায় মিডিয়ার সঙ্গে কোনো কথা বলেননি।

আইনজীবীর সঙ্গে দেখা করতে বাবার সঙ্গে সুপ্রিম কোর্টে আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি। ছবি: শাহাদত হাওলাদার।

এর আগে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বাবা মোজাম্মেল হোসেন ও নানা জাকির সিকদারের সঙ্গে সুপ্রিম কোর্টে আসেন। তারা শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় ঢাকাগামী এমভি শাহারুখ লঞ্চে বরগুনা লঞ্চঘাট থেকে যাত্রা শুরু করেন। সকালে ঢাকায় পৌঁছান।

মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হোসেন জানিয়েছেন, মিন্নির মানসিক অবস্থা খুবই খারাপ। সেই সঙ্গে শরীরে নানা ধরনের রোগের উপসর্গ দেখা দিয়েছে। তার দ্রুত উন্নত চিকিৎসা জরুরি। তিনি অভিযোগ করে বলেন, রিমান্ডে নিয়ে তার মেয়ে মিন্নিকে পুলিশ নির্যাতন করেছে। তার দুই হাঁটুতে এখনো ব্যথা। তাছাড়া রিফাত হত্যার সাথে জড়িয়ে আসামি করে পুলিশ চার্জশিট দেয়ায় মিন্নি দুশ্চিন্তা ও হতাশায় ভুগছে। সে এখন মানসিক রোগী। তাই তার চিকিৎসা প্রয়োজন।

আইনজীবীর সঙ্গে দেখা করতে বাবার সঙ্গে সুপ্রিম কোর্টে আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি। ছবি: শাহাদত হাওলাদার।

গত ২ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টের দেয়া জামিন চেম্বার আদালত বহাল রাখায় কারাগার থেকে মুক্তি পান মিন্নি। গত ২৯ আগস্ট মিন্নিকে স্থায়ী জামিন দেন হাইকোর্ট। তবে জামিনে থাকাকালে গণমাধ্যমের সঙ্গে কোনো কথা বলা যাবে না বলে শর্ত দেন আদালত।

গত ২৬ জুন সকালে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে রিফাত শরীফকে স্ত্রীর সামনে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় নিহতের বাবা দুলাল শরীফ বাদি হয়ে ২৭ জুন ১২ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

পরে ১৬ জুলাই সকাল পৌনে ১০টার দিকে মিন্নিকে তার বাবার বাড়ি বরগুনা পৌর শহরের নয়াকাটা-মাইঠা এলাকা থেকে পুলিশ লাইনে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে আসা হয়। এরপর জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রাত ৯টায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।