জাতীয় আয়ের ৮ ভাগ শিক্ষা খাতে বরাদ্দের দাবি

আগের সংবাদ

ঘুড়ির ছেঁড়া সুতোয় ছিঁড়ে গেল খাদিজার প্রাণ!

পরের সংবাদ

ঢাকার প্রভাব চট্টগ্রামে

সিএমপির অভিযানে গা ঢাকা প্রভাবশালী জুয়াড়িদের

প্রকাশিত হয়েছে: সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৯ , ৭:১০ অপরাহ্ণ | আপডেট: সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৯, ১০:১৮ অপরাহ্ণ

Avatar

ঢাকায় অভিযানের প্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম নগরীতে প্রতিষ্ঠিত প্রায় অর্ধশত ক্লাবে কর্তৃপক্ষের নিজস্ব উদ্যোগে বন্ধ রাখা হয়েছে জুয়াড় আসর। বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত থেকে নগরের বিভিন্ন ক্লাব ও বারে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ-সিএমপির অভিযান শুরুর পর গা ঢাকা দিয়েছেন জুয়াড় আসর পরিচালনায় জড়িত প্রভাবশালীরা।

ঢাকায় কয়েকটি ক্যাসিনোতে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানের পর চট্টগ্রামে তৎপর হয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ইতোমধ্যে কোতোয়ালি থানাধীন নন্দনকাননস্থ পুলিশ প্লাজায় অবস্থিত একটি ক্যাসিনো এবং অক্সিজেন এলাকার একটি ক্লাবে জুয়াড় আসর বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া মোহামেডান ক্লাবে বন্ধ রাখা হয়েছে জুয়া খেলা, তালা ঝুলছে অন্যান্য ক্লাবগুলোতেও। এখন জুয়াড়িরা আছে আতঙ্কে।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার মো. মাহাবুবর রহমান বলেন, অনুমোদিত এবং অনুমোদনহীন সব বার ও ক্লাবে জুয়াড় আসর বন্ধে অভিযান শুরু হয়েছে। এর নেপথ্যে যত বড় প্রভাবশালীরা থাকুক না কেন, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। চট্টগ্রামে এ ধরনের বাণিজ্যিক কার্যক্রম চালাতে দেয়া হবে না।

অভিযোগ রয়েছে, চট্টগ্রামে অভিজাত ক্লাবগুলোতে প্রতিদিন জুয়াড় বোর্ড থেকে আয় হয় লক্ষাধিক টাকা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জ্ঞাতসারেই এসব ক্লাব ছাড়াও বিভিন্ন এলাকায় সন্ধ্যার পর থেকে বাসাবাড়ি ও সামাজিক সংগঠনের কক্ষে বসে জুয়াড় আসর। নামিদামি হোটেলেও চলে জুয়া খেলা। ক্লাবগুলোতে জুয়াড় বোর্ড বসিয়ে সাপ্তাহিক, মাসিক বা দৈনিক ভিত্তিতে টাকা তোলা হয়। এসব টাকা যায় স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা ও ক্লাব পরিচালনায় জড়িত কর্মকর্তাদের পকেটে। একইসঙ্গে চলে নেশাজাতীয় দ্রব্যের বিকিকিনি ও অসামাজিক কার্যকলাপ।

নগরে মোহামেডান ক্লাব, আবাহনী ক্লাব, চট্টগ্রামে ফ্রেন্ডস ক্লাব, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ক্রীড়াচক্র, অফিসার্স ক্লাব, ওয়াজি উল্লাহ ইনস্টিটিউট, অবসরপ্রাপ্ত সৈনিক ক্লাব, বন্দর রিপাবলিক ক্লাব, আগ্রাবাদ, হালিশহর, ডবলমুরিং, জিইসি, অক্সিজেন, পাথরঘাটা, বিআরটিসি ও পাহাড়তলী এলাকায় অনুমোদিত এসব বার এবং ক্লাবে দীর্ঘদিন ধরে বসছে জুয়াড় আসর। আর জুয়াড় টাকায় চলছে ক্লাবগুলো পরিচালনার আনুষঙ্গিক খরচ। জুয়া খেলে অনেকে নিঃস্বও হয়েছেন।