শামীমের সঙ্গে যুবলীগের কোনো সম্পর্ক নেই: ওমর ফারুক

আগের সংবাদ

সিএমপির অভিযানে গা ঢাকা প্রভাবশালী জুয়াড়িদের

পরের সংবাদ

শিক্ষা দিবসের আলোচনা

জাতীয় আয়ের ৮ ভাগ শিক্ষা খাতে বরাদ্দের দাবি

প্রকাশিত হয়েছে: সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৯ , ৭:০২ অপরাহ্ণ | আপডেট: সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৯, ১০:০৯ অপরাহ্ণ

Avatar

শিক্ষা দিবসের আলোচনা সভায় বক্তারা বলেছেন, মহান শিক্ষা আন্দোলনের আজ ৫৭ বছর পরও এ দেশে বৈষম্যমূলক শিক্ষা ব্যবস্থা রয়েছে। একই ধারার শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে উঠেনি এখনো। উচ্চবিত্তের ইংলিশ মিডিয়াম ও ধর্মীয় শিক্ষা পদ্ধতির মধ্যে পার্থক্য আকাশ ও পাতাল। প্রতি বছর প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক ও বিশ্ববিদ্যালয় হতে ঝরে পড়ছে লাখ লাখ শিক্ষার্থী। মানবিক ও কর্মমুখী শিক্ষা প্রদানের পরিবর্তে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো গড়ে উঠছে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান হিসেবে। শিক্ষা খাতে জাতীয় আয়ের ৮ ভাগ বরাদ্দ করতে হবে। করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর সারচার্জ আরোপ করে তা শিক্ষা খাতে যুক্ত করে প্রতিশ্রুত বরাদ্দ নিশ্চিত করতে হবে।

শিক্ষা দিবস স্মরণে শুক্রবার বিকেলে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে ছাত্র ইউনিয়ন চট্টগ্রাম বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত বিভাগীয় ছাত্র সমাবেশে বক্তারা এসব কথা বলেন। সমাবেশে অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ মো. জাহাঙ্গীর এবং ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সাবেক সাধারণ সম্পাদক লিটন নন্দী ও ছাত্র ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক অনিক রায়। চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমন্বয়ক ও কেন্দ্রীয় সহসভাপতি অভিজিৎ বড়ুয়ার সভাপতিত্বে এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সংসদের সভাপতি ধীষণ প্রদীপ চাকমা, সাধারণ সম্পাদক গৌরচাঁদ ঠাকুর অপু, চট্টগ্রাম জেলার সভাপতি এ্যানি সেন, কক্সবাজার সংসদের সভাপতি অন্তিক চক্রবর্তী, দক্ষিণ জেলার সাধারণ সম্পাদক অনুপ চক্রবর্তী অপু, চুয়েট সংসদের সাধারণ সম্পাদক লাবিব ওয়াহিদ প্রমুখ।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, ছাত্র ইউনিয়ন তার জন্মলগ্ন থেকেই প্রত্যেক নাগরিকের শিক্ষার অধিকারের আন্দোলন করে আসছে। ছাত্র ইউনিয়ন মনে করে শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য সমাজের বৈপ্লবিক রূপান্তর এবং সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অগ্রগতি সাধন করা। শিক্ষাকে আলু-পটোলের মতো একটি পণ্য হিসেবে উপস্থাপন করে সে উদ্দেশ্য সাধন কখনোই সম্ভব নয়। বৈষম্যমূলক শিক্ষা ব্যবস্থায় ইতোমধ্যে সমাজে বিদ্যমান বৈষম্য আরো প্রকট হয়েছে। শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ, মানুষে মানুষে বৈষম্য সৃষ্টি করে একটি জাতি কখনোই আত্মনির্ভরশীল জাতি হিসেবে পৃথিবীর বুকে মাথা তুলে দাঁড়াতে পারে না।