উপাচার্যের তুঘলকি কাণ্ড

আগের সংবাদ

ধর্ষকের সঙ্গে শিশুর বিয়ে এসআইয়ের পরামর্শে!

পরের সংবাদ

চাঁদের বুকে চিরঘুমে ল্যান্ডার ‘বিক্রম’

কাগজ ডেস্ক :

প্রকাশিত হয়েছে: সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৯ , ১০:৫২ পূর্বাহ্ণ

গত ৭ সেপ্টেম্বর ভারতীয় সময় রাত ১টা ৫৫ মিনিটে চন্দ্রযান-২ থেকে বেরিয়ে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণ শুরু করে ল্যান্ডার ‘বিক্রম’। যদিও প্রক্রিয়াটি পুরো শেষ হওয়ার আগেই ঘটে যায় অনাকাক্সিক্ষত দুর্ঘটনা। বিজ্ঞানীদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় সেটি। পরবর্তীসময়ে অনুসন্ধান চালিয়েও হদিস মেলেনি তার। চাঁদকে আবর্তনরত অরবিটার বিক্রমের ‘থার্মাল’ উপস্থিতি শনাক্ত করলেও তার সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনে ব্যর্থ হয়। সর্বশেষ খবর অনুসারে বিক্রমের খোঁজের দায়িত্ব দেয়া হয় চাঁদের কক্ষপথে চাঁদ ঘিরে প্রদক্ষিণরত নাসার পাঠানো উপগ্রহ এলআরওর (লুনার রিকনেইস্যান্স অরবিটার) ওপর। কিন্তু গত মঙ্গলবার রাতে জানা গেছে, বিক্রমের কোনো হদিস নির্দেশনায় ব্যর্থ হয়েছে তারাও।

নাসা জানিয়েছে, বিক্রমের দেখা পাওয়া সম্ভব হয়নি এলআরওর। কারণ, এলআরও গত মঙ্গলবার যে সময়ে পৌঁছায় চাঁদের দক্ষিণ মেরুর উপরের কক্ষপথে, ওই এলাকায় তখন রাত নেমে আসছিল। চার পাশে ছড়িয়ে পড়ছিল গোধূলির আলো। ঘন ধোঁয়ার নিচে ঢাকা পড়ে ছিল চাঁদের পিঠ। এরপর শূন্যের ১৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াস নিচের তাপমাত্রার হাড় জমানো ঠাণ্ডায় নেমে আসে রাতের অন্ধকার, বুধবার মাঝরাত থেকে। চাঁদে নামার নির্ধারিত সময়ের তিন চার মিনিট আগে থেকেই বিক্রমের সঙ্গে সব যোগাযোগ ছিন্ন হয়ে

যায় চন্দ্রযান-২ এর অরবিটারের। নাসার নতুন এ বিবৃতির পর আর কেউ বিক্রমের খোঁজ করবে না। বিক্রমের রেডিও সংকেতের জন্য উৎকণ্ঠা নিয়ে অপেক্ষা করবে না আর কেউ। কেননা, সে অপেক্ষা করাটা হবে অর্থহীন। কারণ, বিক্রম ল্যান্ডার আর তার শরীরের ভিতরে থাকা রোভার ‘প্রজ্ঞান’ চালু থাকার জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি সঞ্চয় করার কথা সূর্যের আলো থেকে। সেই সৌরশক্তিকে ধারণ করার জন্য বিক্রমের শরীরে বসানো ছিল সোলার প্যানেল। কিন্তু গত বুধবার থেকে যেহেতু ১৪টি পার্থিব দিনের মেয়াদে রাত শুরু হয়েছে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে আর সেই রাতের তাপমাত্রা যেহেতু শূন্যের ১৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াস নিচে, তাই অতটা ঠাণ্ডায় অত দিন ধরে বিক্রমের সোলার প্যানেলগুলো কার্যকর থাকার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।