সালমান শাহ'র ৪৮তম জন্মোৎসব

আগের সংবাদ

যুবলীগ নেতা খালেদকে গুলশান থানায় হস্তান্তর

পরের সংবাদ

ক্যাসিনোর তালিকা তৈরি, নিশ্চিহ্ন না হওয়া পর্যন্ত অভিযান

প্রকাশিত হয়েছে: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৯ , ২:২৬ অপরাহ্ণ | আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৯, ৮:৪৫ অপরাহ্ণ

Avatar

ডিএমপি কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেছেন, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার জুয়ার বোর্ড ও ক্যাসিনোর তালিকা তৈরি করা হয়েছে। তালিকা ধরে এসব ক্যাসিনোতে ইতোমধ্যে অভিযানও শুরু হয়েছে। সব ক্যাসিনো নিশ্চিহ্ন না করা পর্যন্ত অভিযান চলবে। বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

রাজধানীর একটি জোনের তালিকা পাওয়ার বিষয় উল্লেখ করে ডিএমপি কমিশনার আরো বলেন, কমিশনার হিসেবে কাজ শুরুর পরই রাজধানীর কোথায় কী হচ্ছে, কারা পরিচালনা করছে তার তালিকা করার নির্দেশ দিয়েছি। সে ব্যাপারে কাজ চলছে। ইতোমধ্যে একটি জোনের তালিকা পেয়েছি। অন্য জোনের তালিকাও করা হচ্ছে। র‌্যাব যেভাবে অভিযান শুরু করেছে পুলিশও সেই ভূমিকাই নেবে।

হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে ডিএমপি কমিশনার বলেন, রাজধানীর কোথাও জুয়ার বোর্ড কিংবা ক্যাসিনো চলতে দেয়া হবে না।

এর আগে বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর গুলিস্তান, ফকিরাপুল ও বনানীর চারটি ক্যাসিনোতে (জুয়ার আসর) অভিযান চালিয়ে সেগুলো সিলগালা করে দিয়েছে র‌্যাব। অভিযানের সময় এসব ক্লাব থেকে টাকা, জুয়ার সরঞ্জাম,মদ, বিয়ার ও অন্যান্য মাদকসহ ১৮২ জনকে আটক হয়। বিকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত ক্যাসিনোতে অভিযান অভিযান পরিচালনা করে র‌্যাব-৩ ও ১। আটককৃতদের ভ্রামমাণ আদালতে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়া হয়।

সিলগালা ক্লাবগুলো হল ফকিরাপুলের ইয়ংমেনস ক্লাব, ঢাকা ওয়ান্ডারাস ক্লাব, গুলিস্তানের মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ক্রীড়াচক্র এবং বনানীর আহমদ টাওয়ারের গোল্ডেন ঢাকা বাংলাদেশ। এসব নিয়ন্ত্রণ করতেন ক্ষমতাসীন দলের প্রভাবশালী নেতারা। তবে যুবলীগের ঢাকা মহানগরের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া ইয়ংমেনস ক্লাবে ক্যাসিনো চালাতেন। তার ক্লাব থেকে আটক করা হয় ১৪২ জনকে। রাতে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ক্রীড়াচক্র থেকে আটক হয় ১৪০ জন। তাদের বেশিরভাগই জুয়ারি।