২৭ বিমা কোম্পানিকে ডিসেম্বরের মধ্যে তালিকাভুক্তির নির্দেশ

আগের সংবাদ

সালমান শাহ জন্মোৎসবের উদ্বোধন আজ

পরের সংবাদ

কোনো উদ্যোগেই আস্থা ফিরছে না পুঁজিবাজারে

প্রকাশিত হয়েছে: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৯ , ১১:১৫ পূর্বাহ্ণ | আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৯, ১২:০৪ অপরাহ্ণ

Avatar

পুঁজিবাজারের পতন ঠেকাতে কোনো উদ্যোগই কাজে আসছে না। কিছুতেই কাটছে না বিনিয়োগকারীদের হতাশা। পরিস্থিতির উন্নয়নে স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে অর্থমন্ত্রীর বৈঠক, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস, ব্যাংকের এডিআর রেশিও বাড়ানো ইত্যাদি ইতিবাচক বিষয়ের পরও গতকাল বুধবার পুঁজিবাজারে সূচক ও লেনদেনের বড় পতন ঘটেছে। ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৪১ পয়েন্ট কমেছে। পাশাপাশি লেনদেন নেমেছে ৪শ কোটি টাকার নিচে।

উল্লেখ্য, পুঁজিবাজারকে ইতিবাচক ধারায় ফেরাতে গত সোমবার স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে বৈঠক করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব আসলামুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির, এনবিআর চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া, বিএসইসির চেয়ারম্যান ড. এম খায়রুল হোসেনসহ বিভিন্ন স্টেকহোল্ডার এই বৈঠকে অংশ নেন।

সভা শেষে অর্থমন্ত্রী বলেছিলেন, দেশের অর্থনীতির মতো পুঁজিবাজারকেও একইরকম গতিশীল দেখতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেয়া হবে। এনবিআর চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভ‚ঁঁইয়া বলেছিলেন, পুঁজিবাজারের জন্য প্রয়োজন হলে তারা আরো প্রণোদনা দেবেন। অন্যদিকে গত মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংক বাজারে মুদ্রার সরবরাহ বাড়াতে তফসিলি ব্যাংকগুলোর আমানত ও ঋণের অনুপাত বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে। এর ফলে ব্যাংকগুলোর ঋণ বিতরণের সক্ষমতা বেড়েছে। এগুলো আগের চেয়ে বেশি ঋণ বিতরণ করতে পারবে। তাতে পুঁজিবাজারের তারল্য পরিস্থিতিরও কিছুটা উন্নতি হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। কিন্তু এসব উদ্যোগের পরও বাজারে গতি ফেরেনি। বাড়েনি লেনদেন ও সূচক।

গতকাল ডিএসইর সঙ্গে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সব সূচক কমেছে। একই সঙ্গে কমেছে লেনদেনে অংশ নেয়া বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দর। তবে এ দিন সিএসইতে টাকার পরিমাণে লেনদেন কমলেও ডিএসইতে লেনদেন বেড়েছে।
জানা গেছে, গতকাল ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৪১ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৮৮৮ পয়েন্টে। ডিএসইর এই সূচকটি ২ বছর ৯ মাস ৬ দিন বা ৬৭৭ কার্যদিবসের মধ্যে সর্বনিম্ন নেমে গেছে। ডিএসইর অপর দুই সূচকের মধ্যে শরিয়াহ সূচক ১৬ পয়েন্ট ও ডিএসই-৩০ সূচক ১৬ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ১১৩১ ও ১৭৩৬ পয়েন্টে। ডিএসইতে গতকাল ৩৭১ কোটি ৫৩ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ৪৩৫ কোটি ৫৬ লাখ টাকার। অর্থাৎ ডিএসইতে লেনদেন ৬৪ কোটি ৩ লাখ টাকা বেশি হয়েছে।

অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই এ দিন ১০১ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার ৮৪৯ পয়েন্টে। এ দিন সিএসইতে হাত বদল হওয়া ২৬২টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শেয়ার দর বেড়েছে ৭০টির, কমেছে ১৬২টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩০টির দর। গতকাল ৩৫ কোটি ৬৫ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে।