ডি মারিয়ার কাছেই হেরে গেল রিয়াল মাদ্রিদ

আগের সংবাদ

শেখ হাসিনা পাচ্ছেন আরো দুটি আন্তর্জাতিক পুরস্কার

পরের সংবাদ

অতীত প্রকাশে ক্ষুব্ধ স্টোকস

প্রকাশিত হয়েছে: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৯ , ১২:১৩ অপরাহ্ণ | আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৯, ২:৩৩ অপরাহ্ণ

Avatar

ক্রীড়াপ্রেমীরা সব সময় খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে জানতে আগ্রহী থাকেন। তেমনি ইংল্যান্ডের ক্রিকেটার বেন স্টোকসের পরিবারের একটি স্পর্শকাতর বিষয় নিয়ে প্রতিবেদন ছেপেছে ইংলিশ পত্রিকা দ্য সান। ইংলিশ তারকার পরিবারে ৩১ বছর আগে ঘটে যাওয়া এক হৃদয়স্পর্শ ঘটনার বিবরণ ছাপেছে তারা। ঘটনাটি স্টোকসের মা ডেব স্টোকসকে ঘিরে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্টোকসের সৎভাই অ্যান্ড্রু স্টোকস ও বোন ট্রেসি স্টোকসকে ১৯৮৮ সালে ক্রাইস্টচার্চে নিজেদের বাসায় গুলি করে খুন করেছিলেন ডেবের সাবেক স্বামী রিচার্ড ডান। সে ঘটনার সময় স্টোকসের জন্মই হয়নি। তাই ইংলিশ ক্রিকেটার এমন খবর প্রকাশের পর বিষয়টিকে টুইটারে বলছেন এটা সাংবাদিকতার নামে জঘন্য ও নোংরা কাজ।

তবে পাঠকের মনে প্রশ্ন হলো- কেন ওই দিন স্টোকসের মা, ভাই-বোনকে হত্যা করেছিলেন রিচার্ড ডান? কারণ স্ত্রী ডেবের সঙ্গে বিচ্ছেদটা একদম মেনে নিতে পারেননি ডান। তাই তিনি ধীরে ধীরে মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েন। অবস্থা আরো খারাপ হয় যখন ডান শোনেন, রাগবি কোচ জেরার্ডের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছেন ডেব। আদালতের নির্দেশে সপ্তাহে দুদিন বাচ্চাদের দেখভালের দায়িত্ব পেয়েছিলেন ডান। এমনই একদিনে দুই বাচ্চাকে রাইফেল দিয়ে গুলি করে খুন করেন ডান এবং নিজেও আত্মহত্যা করেন। পরে দুই শিশু-সন্তানের মৃতদেহসহ ডানের লাশ উদ্ধার করে ক্রাইস্টচার্চ পুলিশ। ওই সময় ঘটনাটি নিয়ে নিউজিল্যান্ডের সংবাদমাধ্যমে বেশ লেখালেখি হয়েছিল।

এ ঘটনার তিন বছর পর স্টোকসের জন্ম হয়। এতদিন নিজের পরিবারের এই স্পর্শকাতর ঘটনা সম্পর্কে স্বাভাবিকভাবেই কাউকে কিছু বলেননি স্টোকস। তবে দ্য সানের কল্যাণে এখন নতুন করে খবরটা সবাই জেনে গেল। তাই খবর দেখে টুইটারে নিজের ক্ষোভ ঝেড়েছেন স্টোকস, আমার পরিবারের সঙ্গে ৩১ বছর আগে ঘটে যাওয়া অত্যন্ত কষ্টকর ও ব্যক্তিগত এক ঘটনা নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে দ্য সান। সাংবাদিকতার নামে এ রকম জঘন্য ও নোংরা প্রতিবেদন নিয়ে কী বলা উচিত, আমি জানি না। সাংবাদিকতার নীতি-নৈতিকতার দিক দিয়েও জিনিসটা কীভাবে যুক্তিযুক্ত, আমার জানা নেই। ৩০ বছর ধরে এ ঘটনা ভুলে থাকার চেষ্টা করছে আমার পরিবার। কিন্তু ‘দ্য সান’ সেই আগের ক্ষত আবার জাগিয়ে তুলেছে।

বিষয়: