ছাত্রলীগকে দিক-নির্দেশনা দিলেন আ.লীগের ৪ নেতা

আগের সংবাদ

বর্ণাঢ্য আয়োজনে শিশু-কিশোর উৎসব

পরের সংবাদ

স্কুলে ‘ই-মনিটরিং সিস্টেম’ চালুর সুপারিশ

কাগজ প্রতিবেদক

প্রকাশিত হয়েছে: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৯ , ১০:৫১ অপরাহ্ণ

তৃতীয় ধাপে জাতীয়করণ করা ২৯১টি বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা এখনো বেতন, ভাতা বা সুযোগ-সুবিধা না পাওয়ায় বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতীয় সংসদের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। দ্রুত এসব স্কুলের শিক্ষকগণের নামে আত্মীকরণের অফিস আদেশ জারির সুপারিশ করেছে কমিটি। আবার মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত ও ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে দ্রুতগতিতে কার্যকরভাবে প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনের জন্য প্রবর্তিত ই-মনিটরিং সিস্টেমের কার্যক্রম দ্রুত চালুর সুপারিশ এসেছে বৈঠকে।

বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) কমিটির চতুর্থ বৈঠকের কার্যপত্র থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। তবে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানান হয়-তৃতীয় ধাপে অধিগ্রহণকরা ২৯১টি বিদ্যালয়ের শিক্ষক আত্মীকরণ সংক্রান্ত টাস্কফোর্স কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং শিগগিরই শিক্ষকগণের নামে আত্মীকরণের অফিস আদেশ জারি করা হবে।

বুধবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে অনুষ্ঠিত বৈঠকে কমিটির সদস্য জাকির হোসেন, ইসমাত আরা সাদেক, আলী আজম, জোয়াহেরুল ইসলাম, ফেরদৌসী ইসলাম ও মোশারফ হোসেন অংশগ্রহণ করেন।

বৈঠকে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতকরণ ও ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে দ্রুতগতিতে কার্যকরভাবে প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনের জন্য প্রবর্তিত ই-মনিটরিং সিস্টেমের কার্যক্রম সম্পর্কে আলোচনা হয়। এ সময় সাবেক মন্ত্রী ও কমিটির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বিদ্যালয় পরিদর্শনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণে এটি বর্তমান সরকারের একটি যুগোপযোগী পদক্ষেপ যা মাঠ পর্যায় ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ের মধ্যে বাস্তবতাভিত্তিক সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করেছে। এটি দ্রত চালু করার আহ্বান জানান তিনি।

এছাড়া বৈঠকে রিচিং আউট অব স্কুল চিলড্রেন (রস্ক) কার্যক্রম, জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমীর (নেপ) কার্যক্রম, প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা ও সিএনএড পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রণয়ন, দুর্বল শিক্ষার্থীদের শিক্ষা গ্রেড উন্নয়নের ক্ষেত্রে গৃহীত কর্মসূচীসমূহের অগ্রগতি বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

কার্যপত্র থেকে জানা গেছে, দেশের ৬৪ জেলায় চলমান মৌলিক সাক্ষরতা প্রকল্পের আওতাধীন প্রায় ৪৪ লাখ নারী-পুরুষের ডাটাবেজ তৈরির কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়। প্রথম পর্যায়ে ১৩৪টি উপজেলার ২৩ লাখ ৫৯ হাজার ৪৪১ জন নারী-পুরুষের ডাটাবেইজ প্রস্তুত করা হয়েছে এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে ১১৬টি উপজেলার মধ্যে ১১৪ টি উপজেলায় বেইজলাইন সার্ভের কার্যক্রম চলমান আছে মর্মে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ হতে জানানো হয়।