সিআইপি কার্ড পেলেন ১৮২ ব্যবসায়ী

আগের সংবাদ

ছবিতে ইয়ংমেনস ক্লাব, র‌্যাবের অভিযান

পরের সংবাদ

রাতেই সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক পাচ্ছে ছাত্রদল

প্রকাশিত হয়েছে: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৯ , ৮:৪৬ অপরাহ্ণ | আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৯, ৯:১১ অপরাহ্ণ

Avatar

অবশেষে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণা হতে যাচ্ছে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পাবে সংগঠনটি। বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাতেই এ দুটি পদে নির্বাচনের জন্য ভোট দিচ্ছেন সংগঠনটির ১১৭টি শাখার ৫৩৩ জন নেতা। এর আগে নয়াপল্টনে বিএনপি কার্যালয়ে কাউন্সিলরদের ডাকা হয়। তবে সন্ধ্যার পর তাদের নিয়ে যাওয়া হয় শাহজাহানপুরে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের বাড়িতে। সেখানেই কাউন্সিলররা ভোট দিচ্ছেন।

সভাপতি পদে প্রার্থী নয়জন, সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী ১৯ জন। সভাপতি পদের প্রার্থীরা হলেন- ফজলুর রহমান খোকন, হাফিজুর রহমান, মামুন বিল্লাহ (মামুন খান), সাজিদ হাসান বাবু, মাহমুদুল হাসান বাপ্পি, রিয়াদ মো. তানভীর রেজা রুবেল, মো. এরশাদ খান, মাহমুদুল আলম সরদার ও কাজী রওনাকুল ইসলাম শ্রাবণ।

সাধারণ সম্পাদক প্রার্থীরা হলেন- মো. শাহনেওয়াজ, আমিনুর রহমান আমিন, জাকিরুল ইসলাম জাকির, তানজিল হাসান, কারিমুল হাই নাঈম, মাজেদুল ইসলাম রুমন, ডালিয়া রহমান, শেখ আবু তাহের, সাদিকুর রহমান, কে এম সাখাওয়াত হোসাইন, সিরাজুল ইসলাম, ইকবাল হোসেন শ্যামল, জুয়েল হাওলাদার, মুন্সি আনিসুর রহমান, মিজানুর রহমান শরিফ, শেখ মো. মসিউর রহমান রনি, মোস্তাফিজুর রহমান, সোহেল রানা ও কাজী মাজহারুল ইসলাম।

গত ১৪ সেপ্টেম্বর এই কাউন্সিল অনুষ্ঠানের দিন ঠিক করা হলেও ছাত্রদলের এক নেতার আবেদনে ঢাকার একটি আদালত এই কাউন্সিলে স্থগিতাদেশ দেয়ায় তা হয়নি। সরকারের হস্তক্ষেপে আদালত এই স্থগিতাদেশ দেন। তবে অভিযোগের পর বিএনপি নেতারা বলেছিলেন আইনি প্রক্রিয়া মোকাবেলা করেই সহযোগী সংগঠনটির এই কাউন্সিল করবেন তারা। বিএনপি নেতারা এখন বলছেন, আইনজীবীরা মত দিয়েছেন যে কাউন্সিল করায় আইনগত কোনো বাধা নেই। এর পরপরই বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নয়াপল্টনের কার্যালয়ে প্রার্থী ও কাউন্সিলরদের ডাকে এই কাউন্সিলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটি।

বিকেল ৫টায় সাবেক ছাত্রনেতাদের সঙ্গে বৈঠকে যুক্ত হন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সে সময় দলীয় কার্যালয় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে মির্জা আব্বাসের বাসায় নিয়ে যাওয়া হয় কাউন্সিলরদের।

ছাত্রদলের সর্বশেষ কমিটি গঠন হয়েছিল ২০১৪ সালের ১৪ অক্টোবর। ওই কমিটিতে সভাপতি ছিলেন রাজীব আহসান ও সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসান। শুরুতে ১৫৩ সদস্যের আংশিক কমিটি গঠন করা হয়। দীর্ঘদিন পর এই কমিটি পূর্ণাঙ্গ করা হয়, যাতে ৭৩৬ জনকে পদ দেয়া হয়েছিল। গত ৩ জুন ছাত্রদলের মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি ভেঙে দেয় বিএনপি। এরপর ৪৫ দিনের মধ্যে কাউন্সিলে প্রত্যক্ষ ভোটে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচনের সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

ছাত্রদলের কাউন্সিলে নির্বাচন পরিচালনায় রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্বে রয়েছেন সংগঠনটির সাবেক সভাপতি ফজলুল হক মিলন। তার সঙ্গে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করছেন সাবেক দুই সভাপতি শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি ও আজিজুল বারী হেলাল। সাবেক ছাত্রদল নেতা এবিএম মোশাররফ হোসেন, শফিউল বারী বাবু ও সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু পোলিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করছেন। নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্বে রয়েছেন ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক খায়রুল কবির খোকন।