রাজনীতি রাজনীতিকদের হাতে থাকা প্রসঙ্গ

আগের সংবাদ

জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ নীতিকে বাধাগ্রস্থ করতে চায় বিসিএমএ

পরের সংবাদ

বাংলাদেশ-আফগানিস্তান ফাইনালে

প্রকাশিত হয়েছে: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৯ , ১০:২০ অপরাহ্ণ | আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৯, ১১:১৯ অপরাহ্ণ

Avatar

ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজের চতুর্থ ম্যাচে জিম্বাবুয়েকে হারানোর মাধ্যমে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ফাইনাল নিশ্চিত হয়ে গেল বাংলাদেশের। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বের মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় পরস্পরের মুখোমুখি হবে দুদল।

চট্টগ্রামের সাগরিকায় ১৭৬ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে ১৩৬ রানে গুটিয়ে যায় জিম্বাবুয়ের ইনিংস। এর আগে টসে হেরে আগে ব্যাটিং করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ ১৭৫ রান সংগ্রহ করে। জবাবে চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে ৩৯ রানের ব্যবধানে হার মানে জিম্বাবুয়ে।

বুধবারের ম্যাচের আগে টাইগারদের সামনে একটা সহজ সমীকরণ ছিল এমন যে, জিতলেই ফাইনাল নিশ্চিত হয়ে যাবে। আর এক ম্যাচ বাকি থাকতেই টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় হয়ে যাবে জিম্বাবুয়ের। এখন পর্যন্ত ত্রিদেশীয় সিরিজে দুটি করে ম্যাচ খেলেছে টুর্নামেন্টের তিন দলই। এর মধ্যে ২ ম্যাচেই জয় নিয়ে ৪ পয়েন্টে সবার উপরে আছে আফগানিস্তান। ফাইনাল খেলা তাই বলতে গেলে নিশ্চিত রশিদ খানদের।

তাদের ঠিক পরের অবস্থানেই বাংলাদেশ। সাকিব আল হাসানের দল ২ ম্যাচে জিতেছে একটিতে, পয়েন্টও ২। আর জিম্বাবুয়ে দুই ম্যাচ খেলে একটিতেও জয় পায়নি। সবার নিচে আছে তারা। এই হারের ফলে আর কোনো হিসেব-নিকেশ বাকি থাকল না জিম্বাবুয়ের। শুক্রবার আফগানদের বিপক্ষে তাদের শেষ ম্যাচটি হবে কেবল আনুষ্ঠানিকতা।

১৭৬ রানের টার্গেটে ৮ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে শুরুতেই চাপে পড়ে মাসকাদজারা। ব্রেন্ডন টেইলরকে শুন্যরানে সাইফুদ্দিনের ক্যাচ বানিয়ে প্রথম আঘাত হানেন সাকিব। এরপর চাকাভাকে বোল্ড করেন বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডার। শেন উইলিয়ামসকে আউট করেন শফিউল ইসলাম সুহাস।এরপর টিনোটেন্ডা মুতোমবোদজিকে নিয়ে অধিনায়ক মাসাকাদজা হাল ধরেন। রায়ান বুড়ির ১ রানে বিদায়ের পর মাসাকাদজাও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ২৫ বলে ২৫ রান করে তরুন তুর্কী বিপ্লবের দ্বিতীয় শিকারে পরিনত হন তিনি। আর এরই মাধ্যমে বাংলাদেশের বিপক্ষে শেষ ম্যাচটা খেলে ফেললেন দীর্ঘদিন জিম্বাবুয়েন ক্রিকেটকে সেবাদানকারী এই বর্ষিয়ান অধিনায়ক।

টাইগারদের পক্ষে সফিউল ৩টি সাকিব, বিপ্লব এবং মোস্তাফিজ ২টি করে এবং সাইফুদ্দিন একটা উইকেট লাভ করেন।