ছাত্রলীগের নেতারা নিয়ম মেনেই ভর্তি হয়েছিলেন

আগের সংবাদ

বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের জন্য এমটিবির নতুন পণ্য

পরের সংবাদ

মোদীর সঙ্গ পেতে উতলা কেন ট্রাম্প?

প্রকাশিত হয়েছে: সেপ্টেম্বর ১৭, ২০১৯ , ৩:১৫ অপরাহ্ণ | আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৭, ২০১৯, ৪:১৭ অপরাহ্ণ

Avatar

আগামী বছরেই ট্রাম্পের ভাগ্য পরীক্ষা। নির্বাচনী ভোটে মার্কিনীদের সমর্থন না পেলে প্রেসিডেন্ট পদ হারাতে হবে। তবে এক্ষেত্রে ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিনীদের ভোট যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। যেসব ভোটারকে তাই বাগে পেতে চান ট্রাম্প। আর এজন্যই আগামী ২২ সেপ্টেম্বর হিউস্টনে ‘হাউডি মোদী’ সভায় মোদীর সঙ্গে এক মঞ্চে বসতে মুখিয়ে আছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

হিউস্টনে মোদীর ঐতিহাসিক গুরুত্বপূর্ণ ওই জনসভার শিরোনাম দেয়া হয়েছে ‘হাউ ডু ইউ ডু মোদী’। এটাকেই সংক্ষেপে বলা হচ্ছে ‘হাউডি মোদী’৷ যেখানে যোগ দেবেন ৫০ হাজারের বেশি ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক। আশা করা হচ্ছে, এ সংখ্যা লাখও ছড়িয়ে যেতে পারে।

হাউডি মোদীতে অংশ নিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রচণ্ড আগ্রহ দেখিয়েছেন। এমন বার্তা পেয়ে মোদীর উচ্ছ্বাস যেন আর ধরে না। টুইটে লিখেছেন, হিউস্টনে যোগ দেয়ার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ আচরণেই বোঝা যায় দু’দেশের সম্পর্ক কতটা দৃঢ়। বোঝা যায়, মার্কিন সমাজ ও অর্থনীতির ওপর ভারতীয় সম্প্রদায়ের অবদান কতটা স্বীকৃত।

ট্রাম্পও গণমাধ্যমের কাছে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে এক মঞ্চে বসার জন্য তিনিও যে মুখিয়ে রয়েছেন তা প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে হোয়াইট হাউস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ভারত এবং আমেরিকার মধ্যে সম্পর্ক আরও মজবুত করতে একটি বড় সুযোগ এই সমাবেশ।

সমাবেশে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী মোদী দেশের বর্তমান আর্থিক মন্দা পরিস্থিতি নিয়ে কিছু বলেন কি না, তা নিয়ে তুমুল কৌতূহল রাজনৈতিক মহলে৷ এক কংগ্রেস নেতার মন্তব্য, বিদেশের মায়া কাটিয়ে যারা দেশে ফেরার কথা ভাবছেন, সেই সব অনাবাসী পরিবারগুলির কাছে দেশের প্রশাসনিক প্রধান কী বার্তা দিতে চাইছেন অর্থনৈতিক দিশা ও সমৃদ্ধি নিয়ে, তা অবশ্যই আগ্রহ তৈরি করে বৈকি৷ আমরা দেখতে চাই প্রধানমন্ত্রী আসল পরিস্থিতিটা ব্যাখ্যা করতে পারেন কি না, নাকি এখানেও তার সম্বল হবে কিছু বিভ্রান্তিকর অসত্য পরিসংখ্যান?

নয়াদিল্লি যেমন হাউডি মোদীকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করবে, তেমনি মার্কিন প্রেসিডেন্টও আগামী নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে এই সুযোগটাকে কাজে লাগাতে চাইবেন। মোদীর পাশাপাশি পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সঙ্গেও সাক্ষাতের কথা রয়েছে ট্রাম্পের। মোদীর মার্কিন সফরকালে ইমরান খানও যুক্তরাষ্ট্রে থাকবেন। তাহলে কি দুই প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে কাশ্মীর নিয়েও আলোচনা হবে? এমন প্রশ্ন অনেকেরই।

তবে এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা এখন অনেকটাই কমেছে। দুই রাষ্ট্রনেতার সঙ্গে সাক্ষাতে বেশ কিছু বিষয়ে অগ্রগতির পরিস্থিতি তৈরি হবে বলে আশা প্রকাশ করছি।

‘হাউডি মোদী’ সভা শেষে নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ সভায় যোগ দেবেন ট্রাম্প। ইমরান খানের সঙ্গে কোথায় দেখা করবেন সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলেননি ট্রাম্প। তবে হোয়াইট হাউস সূত্র বলছে, জাতিসংঘের সাধারণ সভার ফাঁকে ইমরান খানের সঙ্গে কথা হবে পারে ট্রাম্পের। সেখানে কাশ্মীর প্রসঙ্গ তুলে ধরার চেষ্টা করা হতে পারে।