সিনেটের সদস্য পদ হতে শোভনের অব্যাহতির আবেদন

আগের সংবাদ

এফবিআইয়ের সহযোগিতা চাইলেন দুদক চেয়ারম্যান

পরের সংবাদ

বাতিঘর আড্ডায় শীর্ষেন্দু

লেখালেখিকে পেশা হিসেবে নেয়াটা বিপদজনক

প্রকাশিত হয়েছে: সেপ্টেম্বর ১৬, ২০১৯ , ৫:৫৩ অপরাহ্ণ | আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৬, ২০১৯, ৫:৫৩ অপরাহ্ণ

Avatar

লেখালেখিকে পেশা হিসেবে নেয়াটা বিপদজনক বলে মনে করেন খ্যাতিমান সাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়। তিনি বলেন, লেখালেখিকে পেশা হিসেবে নিলে কিন্তু মুশকিল। যখন এটা পেশা হয়ে যাবে, তখন কিন্তু পাঠক কি চায়, সেটা লিখতে হবে। পাঠক এখন কি খেতে চাইছে, সেটা ধরে লিখলে কিন্তু লেখার সঙ্গে আপোষ করা হয়ে যাবে। আমি লিখবো, পাঠক সেটা নেবে কি নেবে না, তা পাঠকের বিষয়। লেখালেখিকে পেশা হিসেবে নেয়াটা বিপদজনক।

সোমবার (১৬সেপ্টেম্বর) বাংলামোটরের বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সপ্তম তলায় চেইন বুকশপ বাতিঘরে এক ঘরোয়া আড্ডায় কথাগুলো বলেন বাংলা সাহিত্যের এই উজ্জ্বল দিকপাল। বাতিঘরের কর্ণধার দীপঙ্কর দাশের সঞ্চালনায় শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় তার দীর্ঘ লেখালেখি জীবনের নানা অভিজ্ঞতা শেয়ার করার পাশাপাশি নানা বিষয়ে কথা বলেন।

শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় জলবায়ু ইস্যুতে বললেন, আমাদের প্রিয় পৃথিবী আজ বিপদগ্রস্থ। নানাভাবে সেটি আক্রান্ত। আমরা যে ভুবনে বাস করছি সেই ভুবনটাকে আমরাই ধ্বংস করছি। আমরা যদি পৃথিবীকে বাঁচানোর জন্য এগিয়ে না আসি তাহলে আমাদেরই ধ্বংস অনিবার্য।

আমাজনের দাবানল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এই যে আমাজনে আগুন লাগলো। আমি তো মনে করি আমাজনে আগুন লাগানো হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল ট্রাম্প বলছেন, আমাদের দেশে তো এখন প্রচ- শীত। তাহলে কিভাবে গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের কথা স্বীকার করবো।

তিনি বুঝতেই পারছেন না যে ক্লাইমেট আর ওয়েদার এক জিনিস নয়। সেটা বুঝতে না পারলে এমন মন্তব্যই করা হবে। তারা মানছেনই না যে পৃথিবীর বিপদ। বা জেনেও না জানার ভান করছেন কিংবা না জেনেও না জানার ভান করছে। এটা আরও বড় বিপদ। মহাশক্তিধর দেশগুলো যদি এই বিষয়ে রাজনৈতিকভাবে সিদ্ধান্ত না নেয় তবে আমাদের জন্য খারাপ হবে। আমাদেরকে এখনই ব্যবস্থা নিতে হবে। আমাজনকে তার পুরনো মহিমায় ফেরত দিতে হবে।

তিনি তার লেখা চরিত্রের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, আমার লেখার চরিত্রগুলোকে তো আমি সৃষ্টি করি না। আমার তো মনে হয় তারা আমাকে সৃষ্টি করে। তারে আমাকে দিয়ে সৃষ্টি করিয়ে নেয়।

শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় এ সময় পাঠকের নানা প্রশ্নের উত্তর দেন। প্রায় দেড় ঘণ্টা আলাপচারিতায় অংশ নেন তিনি। সবশেষে পাঠকদের অটোগ্রাফ দেন এই সাহিত্যিক।