সংস্কৃতি বনাম মিডিয়া সংস্কৃতি

আগের সংবাদ

নতুন ভিডিও, মিন্নিই হাসপাতালে নেন রিফাতকে

পরের সংবাদ

বার্তাটি কি সবার কানে পৌঁছাবে?

প্রকাশিত হয়েছে: সেপ্টেম্বর ১৬, ২০১৯ , ১০:৫৭ অপরাহ্ণ | আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৬, ২০১৯, ১০:৫৭ অপরাহ্ণ

মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী

অধ্যাপক (অবসরপ্রাপ্ত), ইতিহাসবিদ ও কলাম লেখক

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাত্রলীগের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদককে অপসারণের যে সময় উপযোগী উদ্যোগ নিয়েছেন সেটি আমাদের মনে হয় শুধু ছাত্রলীগকে নয়, আওয়ামী লীগের অন্যান্য অঙ্গসংগঠন এবং আওয়ামী লীগের নামধারী বিভিন্ন সংগঠনের নাম ব্যবহার করে যারা গ্রামেগঞ্জে জেলা-উপজেলাসহ সর্বত্র আওয়ামী লীগের শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে ব্যক্তিগত স্বার্থে দলকে জনগণের কাছ থেকে দূরে সরানোর জন্য প্রকাশ্যে বা অপ্রকাশ্যে কাজ করছে তাদের প্রতিও একটি বার্তা হিসেবে যেতে পারে।

ছাত্রলীগের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে নৈতিক স্খলনজনিত কারণে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও গোলাম রাব্বানীকে। ওই দুই পদে আল নাহিয়ান খান জয় ও লেখক ভট্টাচার্যকে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। পরিবর্তনটি এসেছে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার কাছ থেকে। আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী ও দলীয়প্রধান শেখ হাসিনা সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে এই পরিবর্তন সাধনের সিদ্ধান্ত প্রদান করেন। প্রধানমন্ত্রী সভায় এই পরিবর্তনের বিষয়ে তার ব্যক্তিগত হতাশা এবং ক্ষোভের কথা জানিয়েছেন তা সভায় উপস্থিত অন্যান্য নেতাকেও গভীরভাবে স্পর্শ করেছে- এমনটি কৃষিমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর অন্যতম সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলে বক্তব্য প্রদানকালে জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করেই বলেছেন যে, দেশ এবং জাতির উন্নয়নের জন্য তিনি দিন-রাত পরিশ্রম করছেন অথচ তার সেই পরিশ্রমকে মর্যাদা না দিয়ে যারা দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে, সরকারকে দেশ ও জনগণের কাছে হেয় করছে তাদের ব্যাপারে তিনি আর কোনো অবস্থাতেই ছাড় দিতে রাজি নন। প্রধানমন্ত্রী আরো অনেক বিষয়ে কথা বলেছেন যা দেশের মানুষের মনের কথার সঙ্গে শতভাগ মিলে যায়। সে কারণে আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী পর্ষদে ছাত্রলীগের শীর্ষ দুই ‘নেতা’র বিরুদ্ধে অপসারণের যে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে সেটি দেশব্যাপী মানুষের কাছে ব্যাপকভাবে সমাদৃত হচ্ছে। এই প্রথম ছাত্রলীগের মতো সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ দুই পদের দুই ‘নেতা’কে সুস্পষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে পদ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হলো, সমগ্র ছাত্র সংগঠনটির ওপর এক ধরনের বার্তা হিসেবে চলে গেছে- যা আগামী দিনগুলোতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক মহল মনে করেন।
২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর থেকে ছাত্রলীগ কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয় রাজনীতিতে ফিরে আসার সুযোগ পায়। ছাত্রলীগ প্রথমদিকে আওয়ামী লীগের রাজনীতি এবং কর্মসূচির প্রতি যতটা মনোযোগী ছিল ধীরে ধীরে এই সংগঠনের ভেতরে ছাত্রলীগের আদর্শকে ধারণ না করা বহু নেতাকর্মীর প্রবেশ ঘটতে থাকে। অনেকেই ব্যক্তিগত সুযোগ-সুবিধা লাভের জন্য কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের নানা পদ-পদবি বাগিয়ে নেয়। আওয়ামী লীগ সর্বত্র শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রলীগের কর্মকাণ্ড নজরদারিতে রাখতে পারেনি। বিশেষ করে উপজেলা-জেলা পর্যায়ে নেতাদের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে অনেকেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিজেদের দখলদারিত্ব প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে টেন্ডার, চাঁদাবাজি, কলেজ প্রশাসনের ওপর প্রভাব বিস্তার ইত্যাদিতে জড়িয়ে পড়ে। টেন্ডার ও ভর্তি প্রক্রিয়া অনলাইনে চালু হওয়ার পর অবৈধ অর্থ ও সম্পদ উপার্জনের ‘সুযোগ’ কমে আসে। তারপরও কলেজ পর্যায়ে ছাত্রলীগের স্থানীয় নেতাদের মধ্যে অনেকেই ছাত্রলীগের নাম ব্যবহার করে নানা ধরনের অপকর্মের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল বলে নানা ধরনের অভিযোগ কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব পর্যন্ত চলে আসে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও ছাত্রলীগের মধ্যে কিছু কিছু উচ্ছৃঙ্খল নেতাকর্মী হল, ক্যাম্পাস এবং আশপাশে কিছু কিছু কর্মকাণ্ডে জড়িত হয়েছে যা নিয়ে মাঝেমধ্যে সংঘাত-বিরোধও ঘটেছে। এই নিয়ে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতারা এবং প্রতিষ্ঠানের নেতাকর্মীদের মধ্যে অনেকবারই দেনদরবার, শাস্তিমূলক ব্যবস্থা, বহিষ্কার, কমিটি স্থগিত ইত্যাদি করা হয়েছিল। ছাত্রলীগকে নিয়ে আওয়ামী লীগকে যথেষ্ট বেগ পেতে হয়েছে। দলীয় প্রধান শেখ হাসিনা ছাত্রলীগের ওপর আস্থা হারিয়ে এক সময় ছাত্রলীগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব ছেড়ে দেন। মূলত আমাদের দেশে ছাত্ররাজনীতির নামে এখন আদর্শের চর্চা ছাত্র সংগঠনগুলোতে খুব একটা হয় না। ছাত্রলীগ যদিও ঐতিহ্যবাহী ছাত্র সংগঠন কিন্তু দীর্ঘদিন ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র সংগঠন হওয়ায় এই ছাত্র সংগঠনে এখন পদ-পদবি, নেতাকর্মী ইত্যাদি নামে একটি বিশেষত্ব কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে যা ছাত্রলীগের আদর্শের চর্চার চাইতে বিভিন্ন গ্রুপের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার নানা বাস্তবতায় পর্যবসিত হয়েছে। অনেকেই এসব পদ-পদবি ব্যবহার করে নানা ধরনের অবৈধ সম্পদ অর্থ উপার্জনের পথে পা বাড়িয়েছে। এ নিয়ে ছাত্রলীগের মধ্যে নানা ধরনের সংঘাত, সংঘর্ষ তৈরি হচ্ছে। যারা সত্যিকার অর্থেই আওয়ামী লীগের আদর্শের প্রতি নিষ্ঠাবান তারা ছাত্র সংগঠনেও কোণঠাসা হয়ে পড়ে। দলে অনেকেরই গাড়ি, ফ্ল্যাট ইত্যাদির মালিক হওয়ার খবর রয়েছে। এ সবই ঘটছে নানাভাবে অবৈধ অর্থ উপার্জনের পেছনে ছোটার কারণে। বিষয়গুলো কমবেশি সবার কাছে জানা, সরকারের বিভিন্ন মহলের কাছেও এ নিয়ে সংবাদ রয়েছে বলে বিভিন্ন সময় জানা যাচ্ছে। গণমাধ্যমে ছাত্রলীগ নিয়ে হতাশার কথা অনেকেই লিখছেন, মূলত ছাত্রলীগকে ব্যবহার করে এক শ্রেণির ‘ছাত্রনেতা’ অর্থবিত্তে প্রভাবশালী হচ্ছে- যা আওয়ামী লীগের রাজনীতির জন্য বিপদ ডেকে আনছে বলে রাজনীতি সচেতন মহল সব সময় বলে আসছে। দল থেকেও বারবার সতর্ক করা হলেও এত ছাত্রলীগ নেতাকর্মীকে নিয়ন্ত্রণে আনা ছাত্রলীগের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। দলের অভ্যন্তরে তাতে নানা গ্রুপিং ও সংঘাত বেড়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে আওয়ামী লীগেও ছাত্রলীগকে দেখভাল করার মতো তেমন কেউ আছেন বলে বাইরে স্পষ্ট হচ্ছে না। এ ধরনের পরিস্থিতিতে ক্ষমতাসীন দলের অঙ্গসংগঠন হিসেবে ছাত্রলীগের অবস্থান দিন দিনই নানা প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে। বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ভেতরে ভেতরে নানা সমস্যায় ভারাক্রান্ত হয়ে উঠেছে। অনেক স্থানেই কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন নানা বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছে। ছাত্রলীগের নাম ব্যবহার করে কেউ কেউ প্রশ্নপত্র, অবৈধ ভর্তি ইত্যাদিতে জড়িয়ে পড়ে। প্রতিটি কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্মাণ প্রকল্পে চাঁদাবাজির দাবিদাওয়া একটি বিব্রতকর বিষয়ে পরিণত হয়েছে। বিষয়টি আওয়ামী লীগের জন্য মোটেও সুখকর ছিল না। সর্বশেষ সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিভিন্ন গোয়েন্দা বিভাগের উপস্থাপিত তথ্য-উপাত্ত এবং এ দুই ছাত্রনেতার আওয়ামী লীগ নেতাদের প্রতি অসৌজন্য আচরণের বিষয়টি বেশ ভাবিয়ে তোলার মতো বিষয় ছিল।
এটি স্বীকার করতেই হবে শোভন এবং রাব্বানী ছাত্রলীগের মতো এত বড় একটি সংগঠনের দুই প্রধান গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত হয়ে নিজেদের ধরে রাখতে পারেনি। এটি তাদের অস্বাভাবিক উত্থানের অস্বাভাবিক পরিণতি। যে কারণে তারা দলের ভাবমূর্তির বিষয়টি গুরুত্ব দেয়ার মতো প্রয়োজনীয়তা বোধ করেনি। তারা বেপরোয়াভাবেই পদ-পদবি নিয়ে যথেষ্ট অপব্যবহার করেছে। বয়সও তাদের জন্য একটি ফ্যাক্টর ছিল। এই ফ্যাক্টরটি ছাত্র সংগঠনের অনেকের জন্যই ঘটে। যে ছাত্রটি সবেমাত্র কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে এসেছে সে যখন কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংগঠনের পরিচয়ে যা খুশি তা করার অবাধ লাইসেন্স পেয়ে যায়, তাকে সবাই যখন ভয় পায় তখন সে নিজেকে ওই প্রতিষ্ঠানের একজন ‘বীর’-এর মতো ভাবতে শুরু করে। এমন ভাবনাচিন্তাটি তাকে শেষ পর্যন্ত কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের আর দশজন ছাত্রছাত্রীর মতো ভাবতে শেখায় না। সংগঠন করার নাম ভাঙিয়ে যদি অবৈধ অর্থ উপার্জন করা যায় কিংবা পরীক্ষায় বিশেষ সুবিধা পাওয়া যায়, সেভাবে যদি শিক্ষা সনদ পাওয়া যায় তাহলে একজন ২০-২৫ বছর বয়সের তরুণ শিক্ষার্থী নিজেকে সামলিয়ে চলতে খুব একটা চিন্তা করে না। সংগঠনটি যখন হয় সরকার অধিষ্ঠিত কোনো ছাত্র সংগঠন তখন ছাত্র নেতারাই যেখানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উচ্চস্বরে কথা বলে, শক্তি প্রদর্শন করে, বিশেষ সুযোগ-সুবিধা আদায় করে নেয়, তখন তাদের অনুসরণ করে তাদের অনুজ শিক্ষার্থীরাই। এভাবেই এখন কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ, হল-হোস্টেলে থাকার পরিবেশ, ডাইনিং হলে খাবার পরিবেশ অনেকটাই নিয়মবহির্ভূতভাবে চলছে। সেখানে প্রশাসনের চাইতেও বড় প্রশাসন হয়ে দাঁড়ায় সরকারি দলের ছাত্র সংগঠন। এ সমস্যাটি ছাত্রলীগের অভ্যন্তরে এখন প্রকট হয়ে উঠেছে। জানি না এই সমস্যার সমাধান কীভাবে কতদিনে বা কত বছরে সমাধা হবে।
নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক তাদের দায়িত্বকে কতটা গুরুত্বের সঙ্গে নিতে সক্ষম হবে সেটি দেখার বিষয়। তবে তারা যদি আন্তরিক হয় তাহলে তারা অবশ্যই ছাত্রলীগের অভ্যন্তরে যেসব ছাত্র নামধারী ব্যক্তি ও গোষ্ঠী সংগঠনের আদর্শকে পদদলিত করছে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে যাওয়ার ক্ষেত্রে সংগঠনের নিয়মকানুন সর্বত্র প্রতিষ্ঠার বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থাপনা গ্রহণ করতে পারে। তাদের শক্তির ইতিবাচক দিক হলো যে, তাদের পেছনে আওয়ামী লীগ সভাপতি রয়েছেন। তিনি ছাত্রলীগকে কতটা ভালোবাসেন এবং মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের একটি প্রধান ছাত্র সংগঠন হিসেবে গড়ে তুলতে আন্তরিক- তা তাদের মোটেও কম জানা নেই। সুতরাং তাদের উচিত হবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা নিয়ে এখনি ছাত্রলীগকে নতুনভাবে ঢেলে সাজানো। সেখানে লেখাপড়া, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিয়মকানুন মেনে চলা, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সদ্ব্যবহার এবং মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের চর্চায় নিজেদের যুক্ত রাখার নানা ধরনের কর্মসূচিতে ব্যস্ত রাখার সব ধরনের চিন্তাভাবনা ও উদ্যোগ নেয়া। তাহলে দলীয় প্রধান শেখ হাসিনা কতটা সন্তুষ্ট হবেন সেটি বলার অপেক্ষা রাখে না।
আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাত্রলীগের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদককে অপসারণের যে সময় উপযোগী উদ্যোগ নিয়েছেন সেটি আমাদের মনে হয় শুধু ছাত্রলীগকে নয়, আওয়ামী লীগের অন্যান্য অঙ্গসংগঠন এবং আওয়ামী লীগের নামধারী বিভিন্ন সংগঠনের নাম ব্যবহার করে যারা গ্রামেগঞ্জে জেলা-উপজেলাসহ সর্বত্র আওয়ামী লীগের শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে ব্যক্তিগত স্বার্থে দলকে জনগণের কাছ থেকে দূরে সরানোর জন্য প্রকাশ্যে বা অপ্রকাশ্যে কাজ করছে তাদের প্রতিও একটি বার্তা হিসেবে যেতে পারে। তারা যদি এই বার্তাটি বুঝে থাকেন তাহলে সংশোধনের হয়তো সুযোগ থাকবে নতুবা শোভন ও রাব্বানীর মতো চিরতরে হারিয়ে যেতে পারে।

মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী : অধ্যাপক (অবসরপ্রাপ্ত), ইতিহাসবিদ ও কলাম লেখক।

  • আরও পড়ুন
  • লেখকের অন্যান্য লেখা