১২ কোম্পানির শেয়ার কারসাজি খুঁজে পেয়েছে কমিশন

আগের সংবাদ

পৃথিবী থেকে বহু দূরে পানির খোঁজ

পরের সংবাদ

৪৬ গার্মেন্টস বন্ধ, চাকরি হারিয়েছে সাড়ে ২৫ হাজার শ্রমিক

প্রকাশিত হয়েছে: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০১৯ , ২:২৩ অপরাহ্ণ | আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০১৯, ২:২৩ অপরাহ্ণ

Avatar

ব্যবসা সংকট ও অনৈতিক প্রতিযোগিতার কারণে শ্রমিকদের বেতনভাতা, মজুরি এবং অফিসের ব্যয় বহন না করতে পেরে গত সাড়ে ৬ মাসে ৪৬ তৈরি পোশাক কারখানা (গার্মেন্টস) বন্ধ হয়ে গেছে। এতে চাকরি হারিয়েছেন ২৫ হাজার ৪৫৩ শ্রমিক ও কর্মকর্তা। গার্মেন্ট খাতের এ অবস্থা সার্বিক অর্থনীতিতে চাপ বাড়াবে। তৈরি পোশাক মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর সভাপতি ড. রুবানা হক গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ছয় মাসে ৪৬টি গার্মেন্টস বন্ধ হয়েছে। তাতে ২৫ হাজার ৪৫৩ শ্রমিক ও কর্মকর্তা চাকরি হারিয়েছেন। আর ব্যবসায়ীরা ব্যবসা হারিয়েছেন।

রুবানা হক বলেন, বিদেশি পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে পোশাক কারখানাগুলো এখন দর কষাকষি করতে পারছে না। কিন্তু কেউ সাহস করে বলতে পারছে না। কিছু কারখানা ওভার ইনভেস্টমেন্ট (অতিরিক্ত বিনিয়োগ) করে আসছে। ফলে এখন এই খাতে চরম দুরবস্থা চলছে। আমি দায়িত্ব নেয়ার পর থেকেই এখন পর্যন্ত ৪৬ কারখানা বন্ধ হয়েছে। তিনি বলেন, সারাক্ষণ আমাদের বলা হচ্ছে আমরা ভালো করছি। আমরা আসলে কোথায় ভালো করছি? ব্যবসার বৈশ্বিক যে আবহাওয়া তাতে আমি মনে করি না আগামী নভেম্বর বা ডিসেম্বরের আগে ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব। এতগুলো মাস আমরা সামলাবো কীভাবে?

একের পর এক ক্ষুদ্র ও মাঝারি কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে এমন মন্তব্য করে রুবানা হক বলেন, সবাই বলছে আমেরিকার জন্য ব্যবসা বাড়বে। ব্যবসা বাড়বে ঠিক আছে। কিছুলোক হয় তো রপ্তানি করবেন বেশি। কিন্তু ক্ষুদ্র ও মাঝারি যে কারখানা আছে, সেগুলো কিন্তু একটার পর একটা বন্ধ হচ্ছে। এটা কিন্তু আমরা সামলাতে পারছি না। গার্মেন্টস খাতের এই চিত্র সার্বিক অর্থনীতিতে চাপ বাড়াবে এমন মন্তব্য করে তিনি বলেন, আগস্টে ব্যবসা কম হয়েছে। সেপ্টেম্বরেও ব্যবসা কম। এবারো আমরা নেগেটিভ যাব। তার মানে আমাদের কোথাও মিসম্যাস আছে।

ব্যবসা ভালো করার জন্য গবেষণার ওপর জোর দেয়ার আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা আসলে মার্কেট স্টাডি ঠিকমতো করছি না। মার্কেট স্টাডি যদি না করি তাহলে আমাদের পরবর্তীতে কি হবে এবং আমরা কোথায় যাব। এটা একটা বিরাট ব্যাপার আমাদের জন্য। সবমিলিয়ে আমাদের অনেক রিসার্সের (গবেষণার) দরকার আছে।