সময়ের প্রয়োজনে ব্যাংক হিসাব

আগের সংবাদ

দেবর-ভাবির সমঝোতার পর রবিবার প্রথম যৌথসভা

পরের সংবাদ

বাঙালির জাতিরাষ্ট্রের পিতা শেখ মুজিব

প্রকাশিত হয়েছে: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০১৯ , ৮:৩০ অপরাহ্ণ | আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০১৯, ৮:৩০ অপরাহ্ণ

মোস্তাফা জব্বার

তথ্যপ্রযুক্তিবিদ ও কলাম লেখক

বঙ্গবন্ধু তার আত্মজীবনীতে উল্লেখ করেছেন, ‘একজন মানুষ হিসেবে সমগ্র মানবজাতি নিয়েই আমি ভাবি। একজন বাঙালি হিসেবে যা কিছু বাঙালিদের সঙ্গে সম্পর্কিত তাই আমাকে গভীরভাবে ভাবায়। এই নিরন্তর সম্পৃক্তির উৎস ভালোবাসা, অক্ষয় ভালোবাসা, যে ভালোবাসা আমার রাজনীতি এবং অস্তিত্বকে অর্থবহ করে তোলে।’ বঙ্গবন্ধুর এই উক্তি বস্তুত তার সামগ্রিক রাজনৈতিক ভাবনাকে প্রকাশ করে।

চার

বাস্তবতা হচ্ছে ১৯৪৭ সালে পাকিস্তানের জন্মলগ্নেই তিনি বুঝেছিলেন, যে পাকিস্তানের স্বপ্ন বাঙালিরা দেখেছিল সেই পাকিস্তান জন্মই নেয়নি। কেবল তাই নয়, হিন্দুস্তান ও পাকিস্তান বিভাজনের সময় বাংলার বিভাজন ও বাংলার ন্যায্য পাওনা অঞ্চলগুলোকে বাদ দিয়ে পাকিস্তানে বাঙালিদের সংখ্যা কমানোর প্রচেষ্টাতেই তিনি অনুভব করেছিলেন- পাকিস্তানের তথাকথিত স্বাধীনতা বাঙালির স্বাধীনতা নয়। তবুও ভারতবর্ষ বিভক্ত হয়। লাহোর প্রস্তাবকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তান তৈরি করা হয়। এর ফলে বাংলা বিভক্ত হয়। আসাম বাংলা থেকে পৃথক হয় এবং পাঞ্জাবও বিভক্ত হয়। অন্যদিকে পাকিস্তানের ক্ষুদ্র জাতিগুলো পাকিস্তান নামের কারাগারে বন্দি হয়। সেই পাকিস্তান গড়ে তোলার শেষ প্রচেষ্টা হিসেবে সিলেটের গণভোটে জাতির পিতা সর্বশক্তি দিয়ে অংশগ্রহণ করেন। যদিও পাকিস্তানের গঠনটি মুসলিম লীগের ১৯৪০ সালের লাহোর প্রস্তাব অনুসারে হয়নি তবুও পূর্ববাংলার মানুষ ১৯৪৮ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত নীরবই থেকে গেছে।

অবিশ্বাস্য মনে হলেও এটি সত্য যে, ১৯৪৮ সাল থেকেই বাংলাদেশের স্বাধীনতার নেতৃত্ব এসে গেল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে। তিনি তার আত্মজীবনীতে যুবলীগের ভাঙন এবং সেখানে থেকে বের হয়ে আসার বিবরণ দিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি ফজলুর হক হলে ‘পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগ গড়ে তোলার বিবরণও প্রদান করেন। পাকিস্তানের প্রচলিত রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর ধারাবাহিকতা ভেঙে প্রথম গড়ে তোলা হয় ছাত্রলীগ। ১৫০ মোগলটুলীতে অবস্থিত যুবলীগের অফিসে যুবলীগকে আর ঠাঁই দেয়া হয়নি সেটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার সঙ্গীদের নিয়ন্ত্রণে আসে। ছাত্রলীগের নাম পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগ করার ক্ষেত্রে অলি আহাদ আপত্তি করেন। তার মতে, মুসলিম শব্দটি রাখা উচিত নয়। কোনো সাম্প্রদায়িক প্রতিষ্ঠানের জন্ম হওয়াটা অবাঞ্ছিত বলে তিনি মনে করেন। জাতির পিতা অলি আহাদকে বোঝাতে চেষ্টা করেন যে এখনই মুসলিম (১৯৪৮ সালে) শব্দ বাদ দেয়ার সময় হয়নি। তিনি অলি আহাদকে বললেন, ‘এখনো সময় আসেনি। রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও দেশের আবহাওয়া চিন্তা করতে হবে। নামে কিছুই আসে যায় না। আদর্শ যদি ঠিক থাকে তবে নাম পরিবর্তন করতে বেশি সময় লাগবে না। কয়েক মাস হলো পাকিস্তান পেয়েছি। যে আন্দোলনের মাধ্যমে পাকিস্তান পেয়েছি, সেই মানসিক অবস্থা থেকে জনগণ ও শিক্ষিত সমাজের পরিবর্তন করতে সময় লাগবে।’ এই একটি অনুচ্ছেদ থেকে দুটি বিষয় স্পষ্ট হয়েছে যে বঙ্গবন্ধু কখনো জনগণকে পেছনে ফেলে বিচ্ছিন্নভাবে কোনো রাজনীতি করেননি। দ্বিতীয়ত তিনি অনুভব করেন নাম যাই হোক নীতি ও আদর্শ ঠিক থাকলে নাম বদলানোটা কোনো বিষয় নয়।

বঙ্গবন্ধু তার আত্মজীবনীতে উল্লেখ করেছেন, ‘একজন মানুষ হিসেবে সমগ্র মানবজাতি নিয়েই আমি ভাবি। একজন বাঙালি হিসেবে যা কিছু বাঙালিদের সঙ্গে সম্পর্কিত তাই আমাকে গভীরভাবে ভাবায়। এই নিরন্তর সম্পৃক্তির উৎস ভালোবাসা, অক্ষয় ভালোবাসা, যে ভালোবাসা আমার রাজনীতি এবং অস্তিত্বকে অর্থবহ করে তোলে।’ বঙ্গবন্ধুর এই উক্তি বস্তুত তার সামগ্রিক রাজনৈতিক ভাবনাকে প্রকাশ করে। আমরা কোনো দ্বিধাদ্বন্দ্ব ছাড়াও এটি স্পষ্ট করে অনুভব করতে পারি যে ১৯৪৮ সালের শুরুতেই তিনি এটি বুঝেছিলেন যে পাকিস্তান রাষ্ট্রটি বাংলা ভাষাভাষীদের জন্য নয়। সে জন্যই তার ভাবনায় তিনি ভাবেন যে বাঙালিদের একটি আলাদা রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে হবে। সে জন্য তিনি একদিকে পাকিস্তানের রাজনীতিতে অংশ নিয়েছেন অন্যদিকে স্বাধীন বাংলাদেশ গড়ার সশস্ত্র লড়াইয়ের প্রস্তুতিও গড়ে তুলেছেন। তবে তার লড়াইটি হঠকারী ছিল না। ফলে তিনি কেবলমাত্র সশস্ত্র আন্দোলনের কথা ভাবেননি। সেই ১৯৪৮ সালে ছাত্রলীগ গড়ে তোলার সময় ধারণা করেছিলেন যে, আগে মানুষকে প্রস্তুত করতে হবে তারপর একটি অসাম্প্রদায়িক ভাষাভিত্তিক রাষ্ট্র গড়ে তুলতে হবে। তার অসমাপ্ত আত্মজীবনীতে অত্যন্ত চমৎকারভাবে আরো একটি বিষয় উল্লেখ আছে যে, তৎকালে অলি আহাদদের মতো যারা যুবলীগ করার নামে উগ্র কমিউনিজম বা উগ্র সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার কথা ভাবতেন, আজ তারা দেখুন প্রমাণিত হয়েছে যে প্রচলিত রুশ-চীনপন্থি কমিউনিজম দুনিয়াতে টিকে থাকতে পারেনি। বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের কর্মসূচি ঘোষণা করে সমাজতান্ত্রিক ভাবনায় তার নিজের মতবাদ তুলে ধরেন।

তার পুরো জীবনটা পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যাবে যে, তিনি একদিকে নির্বাচন করেছেন, অন্যদিকে আমাদের কণ্ঠে বীর বাঙালি অস্ত্র ধর বাংলাদেশ স্বাধীন কর সেই স্লোগানও তুলে দিয়েছেন। বাঙালির জাতিরাষ্ট্র বুঝতে হলে তার ৪ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠা করা ছাত্রলীগের দিকে ফিরে তাকাতে হবে। এরপর দেখতে হবে মুসলিম লীগ থেকে ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন আওয়ামী মুসলিম লীগ গড়ে তোলার কথা। তারপর এটিও লক্ষ করতে হবে যে দুটি সংগঠনের নাম থেকেই মুসলিম শব্দ প্রত্যাহার। বাংলাদেশ আন্দোলনের ধারাবাহিকতা কেউ যদি অবলোকন করেন তবে অনুভব করবেন যে, পাকিস্তানকে প্রথম প্রতিবাদের মুখোমুখি করান তিনি বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে। পাকিস্তানের জন্মের পরপরই বঙ্গবন্ধু কী ভয়ঙ্কর বিপদের মুখে পড়েন তার প্রথম নমুনাটি পাওয়া যায় তার ও ছাত্রলীগের নেতাদের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা লাগানো, মোগলটুলীর অফিস তছনছ করা ও ছাত্রলীগকে দমন করার সব আয়োজনের মধ্য দিয়ে। তবে বঙ্গবন্ধু ছাত্রলীগ গঠন করে ব্যাপক সাড়া পান।

পাকিস্তান সরকার ন্যাশনাল গার্ড ভেঙে দেয়ার ফলে তরুণদের বিক্ষোভ বাড়তে থাকে ও ছাত্রলীগের জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে। বঙ্গবন্ধু তার অসমাপ্ত আত্মজীবনীতে স্পষ্ট করে বাংলাদেশ গড়ে তোলার গোড়ার কথাটি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন যে, পাকিস্তান হওয়ার পর পাঞ্জাব বা সিন্ধুর মুসলিম লীগ না ভাঙলেও বাংলার মুসলিম লীগ হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর নেতৃত্বে ভেঙে যায়। ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন পর্যন্ত মুসলিম লীগের টুকরা যে টেনে টেনে চলতে থাকে সেটিও জানা যায়। তবে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের প্রথম সিঁড়িটির সূচনা পাওয়া যায় ৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৮। বঙ্গবন্ধুর আত্মজীবনীর ৯১ পৃষ্ঠায় আছে, ‘ফেব্রুয়ারি ৮ হবে ১৯৪৮ সাল। করাচিতে পাকিস্তান সংবিধানে সংবিধান সভার (কনস্টিটিউট এসেম্বলির) বৈঠক হচ্ছিল। সেখানে রাষ্ট্রভাষা কি হবে সেটিও আলোচনা চলছিল। মুসলিম লীগ নেতারা উর্দুকেই রাষ্ট্রভাষা করার পক্ষপাতী। পূর্ব পাকিস্তানের অধিকাংশ লীগ সদস্যের সেই মত।’

অনুভব করা যায় যে, পূর্ব পাকিস্তানের যেসব সদস্য রাষ্ট্রভাষা উর্দু করার পক্ষে ছিলেন তারা কুলাঙ্গার। নোয়াখালীর কবি আব্দুল হাকিমের ভাষায় ‘যে সবে বঙ্গেতে জন্মি হিংসে বঙ্গবাণী সে সব কাহার জন্ম নির্ণয় ন জানি।’ তবে এই বঙ্গে কেবল কুলাঙ্গাররাই জন্মায়নি- জন্মেছেন জাতীয় বীরেরাও। বঙ্গবন্ধুর আত্মজীবনীর ৯১ পৃষ্ঠাতেই আছে, কুমিল্লার কংগ্রেস সদস্য বাবু ধীরেন্দ্র নাথ দত্ত দাবি করলেন বাংলা ভাষাকেও রাষ্ট্রভাষা করতে হবে। কারণ পাকিস্তানের সংখ্যাগুরুর ভাষা হলো বাংলা। মুসলিম লীগ সদস্যরা কিছুতেই রাজি হচ্ছিলেন না। আমরা দেখলাম বিশাল ষড়যন্ত্র চলছে বাংলাকে বাদ দিয়ে রাষ্ট্রভাষা উর্দু করার। পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগ ও তমদ্দুন মজলিশ প্রতিবাদ করল এবং দাবি করল বাংলা এবং উর্দু উভয় ভাষাকেই রাষ্ট্রভাষা করতে হবে। আমরা সভা করে প্রতিবাদ শুরু করলাম। এই সময়ে পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগ ও তমদ্দুন মজলিশ যুক্তভাবে সর্বদলীয় সভা আহ্বান করে একটা রাষ্ট্রভাষা বাংলা সংগ্রাম পরিষদ গঠন করল। পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগের কিছু শাখা জেলায় ও মহকুমায় (কমিটি) করা হয়েছে। তমদ্দুন মজলিশ একটি সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান যার নেতা ছিলেন অধ্যাপক আবুল কাসেম সাহেব। এদিকে পুরনো লীগ (মুসলিম লীগ) কর্মীদের পক্ষ থেকে কামরুদ্দিন সাহেব, শামসুল হক সাহেব ও অনেকে সংগ্রাম পরিষদে যোগ দিলেন। সভায় ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চকে বাংলা ভাষা দিবস ঘোষণা করা হয়। (৯২ পৃষ্ঠা, অসমাপ্ত আত্মজীবনী)
যারা এখনো ভাবেন যে আমরা পাকিস্তানের সঙ্গে রাগ করে বা বৈষম্যের জন্য বাংলাদেশ তৈরি করেছি তারা অনুগ্রহ করে ১৯৪৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলা ভাষার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনটির প্রতি নজর দেবেন। মুসলিম মুসলিম ভাই ভাই করে যারা পািকস্তানের জন্য দরদি হয়ে যান তাদের মনে করিয়ে দিতে চাই যে ১৯৭১ সালে পাকিস্তান বাঙালিদের মুসলমান বলেই গণ্য করেনি এবং বাংলাদেশের মুসলমানরা তথাকথিত পাকিস্তানের হায়েনাদের সব প্রকারের নির্যাতনের শিকার হয়েছে।

১১ মার্চ বাংলা ভাষা দিবস ঘোষণা করার পর বঙ্গবন্ধু জেলায়, মহকুমায় বেরিয়ে পড়েন। তিনি ফরিদপুর, যশোর, দৌলতপুর, খুলনা ও বরিশালে সভা করে দিনটির তিনদিন আগে ঢাকা ফিরে আসেন। তিনি স্মরণ করেন যে, দৌলতপুরে মুসলিম লীগাররা বঙ্গবন্ধুর সভায় মারপিট করার চেষ্টা করে। তারপরও তিনি সেখানে বক্তৃতা করেন।

বঙ্গবন্ধু ১১ মার্চের যে বিবরণ প্রদান করেন তা এমন, ‘১১ মার্চ ভোরবেলা শত শত ছাত্র-কর্মী ইডেন বিল্ডিং, জেনারেল পোস্ট অফিস ও অন্যান্য জায়গায় পিকেটিং শুরু করল। বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে কোনো পিকেটিংয়ের দরকার হলো না। সব ঢাকা শহর পোস্টারিংয়ে ভরে ফেলা হলো। অনেক দোকানপাট বন্ধ ছিল। কিছু খোলাও ছিল। পুরান ঢাকা শহরে পুরোপুরি হরতাল পালন করেনি। সকাল ৮টায় জেনারেল পোস্ট অফিসের সামনে ছাত্রদের ওপর ভীষণভাবে লাঠিচার্জ করা হয়। একদল মার খাবার পর আরেক দল হাজির হতে লাগল। ফজলুল হক হলে আমাদের রিজার্ভ কর্মী ছিল।… আমি জেনারেল পোস্ট অফিসের দিক থেকে নতুন কর্মী নিয়ে ইডেন বিল্ডিংয়ের দিকে ছুটেছি। এর মধ্যে শামসুল সাহেবকে ইডেন বিল্ডিংয়ের সামনে ঘিরে ফেলেছে। গেট খালি হয়ে গেছে। আমাকে গ্রেপ্তার করার জন্য সিটিএসপি জিপ নিয়ে বারবার তাড়া করছে, ধরতে পারছে না। এবার দেখলাম উপায় নাই। ….আমাদের ওপর কিছু উত্তম মধ্যম পড়ল। এবং ধরে নিয়ে জিপে তুলল। …আমাদের প্রায় সত্তর-পঁচাত্তর জনকে বেঁধে নিয়ে জেলে পাঠিয়ে দিল সন্ধ্যার সময়। ফলে আন্দোলন দানা বেঁধে উঠল। ঢাকার জনগণের সমর্থনও আমরা পেলাম।’

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সূচনাটি যদি না জানেন তবে মনেই হতে পারে কেবল সুইচ টিপে দেশটা স্বাধীন হয়েছে এবং এখন ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে উঠছে।

মোস্তাফা জব্বার: তথ্যপ্রযুক্তিবিদ ও কলাম লেখক।