ইটের স্থাপনার মধ্যে এক টুকরো সবুজের উপস্থিতি

আগের সংবাদ

মাঠের বাইরে থেকেও আলোচনায় মেসি

পরের সংবাদ

যেমন করে হোক রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে দিতে হবে: রওশন

প্রকাশিত হয়েছে: সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৯ , ৯:২১ অপরাহ্ণ | আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৩, ২০১৯, ৯:৪৪ পূর্বাহ্ণ

কাগজ প্রতিবেদক

রোহিঙ্গারা আমাদের দেশে এসে মাদক চোরাচালান করছে, তারা বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। রোহিঙ্গারা চুপি চুপি পাশপোর্ট করে বিভিন্ন দেশে যাবার চেষ্টা করছে। তাই আমাদের দেশে অবস্থান করা ১২ থেকে ১৪ লাখ রোহিঙ্গাদের আর আমাদের দেশে রাখা যাবে না। যেমন করে হোক মিয়ানমারে তাদের ফিরিয়ে দিতে হবে বলে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের নেতা রওশন এরশাদ। আজ বৃহষ্পতিবার সংসদ অধিবেশনের সমাপনী ভাষনে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

রওশন এরশাদ বলেন, রোহিঙ্গা এখন আমাদের একটা বড় সমস্যা। দিনে দিনে বিদেশী এনজিওদের সহায়তা কমে যাচ্ছে। আর বেশী দিন তাদের এদেশে থাকলে দিলে চলবে না। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী মানবিক কারণে তখন এদের আশ্রয় দিয়েছিলেন। কিন্তু এখন তারা না রকম অপকর্মে জড়িয়ে পড়ছে, তাই আর বেশী দিন থাকতে দিলে হবে না, যত দ্রুত সম্ভব তাদের মিয়ানমারে ফিরিয়ে দিতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

রওশন এরশাদ বলেন, এখন আর একটি ক্ষতিকারক দিক হচ্ছে গ্যাং কালচার। শহরের আনাচে কানাচে এ গ্যাং কালচার খুন খারাপী করছে, চুরি ডাকাতী ছিনতাই করছে। এ গ্যাং কালচার যে করেই হোক বন্ধ করতেই হবে। আর গুজবে যাতে কান দিয়ে মানুষ পিটিয়ে না মারে সে দিকে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে আরো সতর্ক হবার আহ্বান জানান তিনি।

বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, আমাদের বাচ্চাদের যে করেই হোক স্কুলে পাঠাতে হবে। স্কুলে ঝড়ে পড়াদের আবার স্কুলে পাঠানোর ব্যবস্থা করার জন্য শিক্ষামন্ত্রীরে দৃষ্টি আকর্ষন করেন তিনি। এছাড়া অভিভাবকদের তিনি বাচ্চাদের স্কুলে পাঠানোর দিকে নজর দিতে বলেন। রওশন বলেন, যদি অন্তত সবাইকে ম্যাট্রিক পর্যন্ত পাশ করানো যায় তাহলে কিছু একটা করে খেতে পারবে। তিনি বলেন, শিশু শ্রম আমাদের আর একটা বড় চ্যলেঞ্জ। এ শিশুশ্রম যে করেই হোক বন্ধ করতে হবে।

তিনি বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদুতদের অর্থনৈতিক কুটনীতির ওপর জোর দেবার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতি আরো সম্মৃদ্ধ হতে পারে যদি বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদুতরা সে দেশে আমাদের বাণিজ্য বৃদ্ধির সুযোগ সৃষ্টি করে। তিনি এ সময় বিদেশী শ্রমিকদের সুযোগ সুবিধা বাড়ানোর ওপর জোর দেন। বিমান বন্দরে যাতে তারা কোন ধরনের হয়রানীর শিকার না হয় সেদিকে নজর দেয়ার জন্য বিমান মন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানান। সেই সাথে তিনি সরকারী দলের মত বিরোধী দলীয় চিফ হুইপকে প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা দেবার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানান।