রোমানদের স্বর্ণ জয়ের লড়াই

আগের সংবাদ

গত এক দশকে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ: সংসদে প্রধানমন্ত্রী

পরের সংবাদ

যাদের সঙ্গে প্রেমের খেলায় মেতেছিলেন কোহলি

প্রকাশিত হয়েছে: সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৯ , ১০:১৬ অপরাহ্ণ | আপডেট: সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৯, ১০:১৬ অপরাহ্ণ

Avatar

ক্রিকেটারদের প্রতি নারীদের দুর্বলতা নতুন কিছু নয়। সেই স্যার ডন ব্রাডম্যানের আমল থেকে শুরু। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান নারী মন জয়ে ছিলেন অতুলনীয়। হাল আমলের ক্রিকেটাররাতো আরো এক ধাপ এগিয়ে। বিরাট কোহলি ভারতের সফল অধিনায়ক এবং ব্যাটসম্যান। রোহিত শর্মা টিম ইন্ডিয়ার সহঅধিনায়ক।

ঋত্তিকা সাজদেহ

বর্তমানে দুজনের দ্বন্দ্ব চরমে। আর এ দ্বন্দ্বের নেপথ্যে রয়েছে এক নারী। যে এক সময় কোহলির সঙ্গে চুটিয়ে প্রেম করেছেন। এখন ঘর করছেন রোহিত শর্মার সঙ্গে। ঋতিকার সঙ্গে প্রেম প্রেম খেলায় জড়ানোর আগে ও পরে বিরাট কোহলি অনেকের সঙ্গে মন আদান-প্রদান করেছেন।

২০০৮ সালে প্রথম ভারতের জাতীয় দলের জার্সি গায়ে জড়ান কোহলি। তবে ভারতের হয়ে খেলার আগেই ২০০৭ সালে প্রথম প্রেমের জালে নিজেকে জড়িয়েছেন কোহলি। সে সময় তার বয়স ছিল মাত্র ১৮ বছর। একটি রিয়েলিটি টিভি শোতে নিজেই স্বীকার করেছেন প্রথম প্রেমের কথা। তবে ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে সেই তরুণীর নাম বলেননি ‘হিস্টোরি ম্যাকার’ খ্যাত বিরাট কোহলি।

সারাহ জেন দিয়াস

২০০৮ সালে ভারতীয় দলের সবচেয়ে হ্যান্ডসাম ক্রিকেটার ছিলেন তিনি। বয়সে ছিলেন তরুণ। তাই যে কোনো তরুণীকেই আকৃষ্ট করতে পারতেন এ ক্রিকেটার। ভারত ছাড়াও ভারতের বাইরের হাজার হাজার মেয়ে তার সান্নিধ্য পেতে ছিল মরিয়া। এমনকি আরেক ভারতীয় ব্যাটসম্যান রোহিত শর্মার স্ত্রী ঋতিকা সাজদেহের সঙ্গেও ছিল গভীর প্রেম।

তারকা খ্যাতি পাওয়ার পর ২০০৯ সালে পোশাক পাল্টানোর মতো নতুন বান্ধবী খুঁজে নেন ভারতীয় ব্যাটিং জিনিয়াস। ভারতীয় দক্ষিণী ছবির নায়িকা সানজানা গালরানি ছিলেন তার সেই প্রেম কুমারী। দুজনের মধ্যে মধুর সম্পর্কটা বেশি দিন টিকেনি। বছর খানেকের মতো স্থায়ী ছিল সেই সম্পর্ক। তবে সানজানা দুজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল না বলে সবসময় দাবি করতেন। তার ভাষ্যমতে শুধুই ভালো বন্ধু ছিলেন তারা!

তামান্না ভাটিয়া

সানজানার কাছ থেকে দূরে সরে আসার পর ২০১১ সালের শুরুর দিকে কোহলি চুটিয়ে প্রেম শুরু করেন সাবেক ‘মিস ইন্ডিয়া’ বিজয়ী সারাহ জেন দিয়াসের সঙ্গে। কাছের এক বন্ধুর মাধ্যমে পরিচয় হয় দুজনের। সারাহর সঙ্গে মাত্র কয়েক মাস প্রেম করেছেন কোহলি। পরবর্তীতে জানা যায়, এ সম্পর্ক নিয়ে দুজনের কেউই সিরিয়াস ছিলেন না।

২০১২ সালে আরেক দক্ষিণী ছবির নায়িকা তামান্না ভাটিয়ার সঙ্গে একটি বিজ্ঞাপনের শুটিংয়ে কাজ করতে গিয়ে পরিচয় হয় বিরাটের। দুজনের মধ্যে সম্পর্ক বিদ্যমান ছিল এক বছরেরও কম। তবে তাদের সম্পর্ক ভাঙার পেছনে ছিল আরেক নারীর হাত। ব্রাজিলিয়ান মডেল কন্যা ইজাবেল লিতের সঙ্গে কোহলির পরিচয় হয় সে বছরের শেষের দিকে। ঘনিষ্ঠ হয়ে মেলামেশা শুরু করেন দুজন। তামান্না এটি মেনে নিতে পারেননি। ফলে তার সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হয়ে যায় কোহলির।

সানজানা গালরানি

২০১২ সালে ব্রাজিলিয়ান মডেল ইজাবেল লিতে ভারতে আসেন বলিউডে কাজ করার সুবাদে। একটি ছবিতে অভিনয়ও করেন তিনি। ছবিটির শুটিং চলাকালেই মূলত কোহলির সঙ্গে পরিচয় হয় তার। এ দুজন বছর খানেকের মতো একসঙ্গে ছিলেন। তবে ইজাবেল ভারত ছেড়ে চলে গেলে তাদের সম্পর্ক আর বেশিদূর গড়াতে পারেনি।

ব্রাজিলিয়ান মডেল ইজাবেল লিতে

ভারতীয় দলের আরেক ব্যাটসম্যান রোহিত শর্মার স্ত্রী ঋতিকা ২০১৩ সালে কাজ করতেন স্পোর্টস ম্যানেজার হিসেবে। সে সময় কোহলির সঙ্গে পরিচয় হয় তার। তবে তাদের মধ্যে শুধু বন্ধুত্বই ছিল বলে জানা গেছে।

আনুশকা শর্মা

২০১৪ সালে ক্লিয়ার শ্যাম্পুর বিজ্ঞাপনে কাজ করতে গিয়ে আনুশকার সঙ্গে পরিচয় হয় কোহলির। শোনা যায় আনুশকাকে মন থেকে ভালোবেসে ফেলেন কোহলি। দুজনের সম্পর্কের মধ্যে চড়াই-উৎরাইয়ের মধ্যে গেলেও কেউ কাউকে ছেড়ে যাননি। ২০১৭ সালে আনুশকাকে বিয়ে করে তাকে সারাজীবনের সঙ্গী করে নেন কোহলি।

  • আরও পড়ুন
  • লেখকের অন্যান্য লেখা